ঢাকা ০৬:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৩২ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন:  প্রার্থী হচ্ছেন যে ৩ জন অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনে ১৩ খাতে ব্যর্থতার ফিরিস্তি তুলে ধরল এনসিপি লংমার্চ নিয়ে আইজিপির সঙ্গে ১১ দলের বৈঠক সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পিছিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রংপুরে শিক্ষক পরিবারে চার খুন, নেপথ্যে কী ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের নেত্রী ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম গড়তে পাইলট প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফেক পেজ থেকে অপতথ্য প্রচারের প্রতিবাদ মহিলা জামায়াতের

কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী নেত্রী আছিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি মহিলা মজলিসের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩০:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬ ১০৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সম্প্রতি দিল্লির একটি আদালত কর্তৃক কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী নারী নেত্রী ও নারী অধিকার সংগঠন দুখতারান-ই-মিল্লাতের প্রধান সৈয়দা আছিয়া আন্দ্রাবি এবং তাঁর দুই সহকর্মীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদানের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে তাঁদের নি:শর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী মহিলা মজলিস।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ ইসলামী মহিলা মজলিসের সভানেত্রী নাসরিন কাদের ও সাধারণ সম্পাদিকা রায়হানা লোপা এ দাবি জানিয়ে বলেন, কাশ্মীরী জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার হরণকারী আধিপত্যবাদী ভারত সরকার কর্তৃক যুগ যুগ ধরে সেখানকার জনগণের উপর অত্যাচার নির্যাতনের স্টিমরোলার চলানো হচ্ছে। ভারতের নির্মম নির্যাতন থেকে নারী-শিশুরাও রেহাই পাচ্ছে না। এর সর্বশেষ নজির হচ্ছে কাশ্মীরি স্বাধীনতাকামী নারী নেত্রী দুখতারান-ই-মিল্লাতের প্রধান সৈয়দা আছিয়া আন্দ্রাবিকে নিবর্তনমূলক ইউএপিএ আইনের মামলায় দিল্লির একটি বিশেষ আদালত যাবজ্জীবন ও তাঁর দুই সহকর্মী সেফি ফাহমিদা ও নাহিদা নাসরিনকে ৩০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছে।

কাশ্মীরি নারীদের ওপর ভারতীয় নির্যাতনের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর আছিয়া আন্দ্রাবিকে ২০০৮ সাল থেকে দিল্লির তিহার কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে। নতুন করে তাঁকে আবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। তাঁর স্বামী কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী রাজনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ কাশিমকেও দীর্ঘ ২৯ বছর যাবত বন্দি করে রাখা হয়েছে। ভারতের এ অন্যায় ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিশ্বের স্বাধীনতাকামী ও নারী সংগঠনগুলোকে সোচ্চার হতে হবে।

বিবৃতিতে মহিলা মজলিসের নেত্রীদ্বয় অবিলম্বে আছিয়া আন্দ্রাবি ও তাঁর দুই সহকর্মীকে মুক্তির দাবি জানান ও ভারত সরকার কর্তৃক কাশ্মীরী জনগণের উপর নিপীড়ন বন্ধ করতে চাপ প্রয়োগ করার জন্য বিশ্ববাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী নেত্রী আছিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি মহিলা মজলিসের

আপডেট সময় : ১১:৩০:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সম্প্রতি দিল্লির একটি আদালত কর্তৃক কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী নারী নেত্রী ও নারী অধিকার সংগঠন দুখতারান-ই-মিল্লাতের প্রধান সৈয়দা আছিয়া আন্দ্রাবি এবং তাঁর দুই সহকর্মীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদানের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে তাঁদের নি:শর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী মহিলা মজলিস।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ ইসলামী মহিলা মজলিসের সভানেত্রী নাসরিন কাদের ও সাধারণ সম্পাদিকা রায়হানা লোপা এ দাবি জানিয়ে বলেন, কাশ্মীরী জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার হরণকারী আধিপত্যবাদী ভারত সরকার কর্তৃক যুগ যুগ ধরে সেখানকার জনগণের উপর অত্যাচার নির্যাতনের স্টিমরোলার চলানো হচ্ছে। ভারতের নির্মম নির্যাতন থেকে নারী-শিশুরাও রেহাই পাচ্ছে না। এর সর্বশেষ নজির হচ্ছে কাশ্মীরি স্বাধীনতাকামী নারী নেত্রী দুখতারান-ই-মিল্লাতের প্রধান সৈয়দা আছিয়া আন্দ্রাবিকে নিবর্তনমূলক ইউএপিএ আইনের মামলায় দিল্লির একটি বিশেষ আদালত যাবজ্জীবন ও তাঁর দুই সহকর্মী সেফি ফাহমিদা ও নাহিদা নাসরিনকে ৩০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছে।

কাশ্মীরি নারীদের ওপর ভারতীয় নির্যাতনের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর আছিয়া আন্দ্রাবিকে ২০০৮ সাল থেকে দিল্লির তিহার কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে। নতুন করে তাঁকে আবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। তাঁর স্বামী কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী রাজনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ কাশিমকেও দীর্ঘ ২৯ বছর যাবত বন্দি করে রাখা হয়েছে। ভারতের এ অন্যায় ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিশ্বের স্বাধীনতাকামী ও নারী সংগঠনগুলোকে সোচ্চার হতে হবে।

বিবৃতিতে মহিলা মজলিসের নেত্রীদ্বয় অবিলম্বে আছিয়া আন্দ্রাবি ও তাঁর দুই সহকর্মীকে মুক্তির দাবি জানান ও ভারত সরকার কর্তৃক কাশ্মীরী জনগণের উপর নিপীড়ন বন্ধ করতে চাপ প্রয়োগ করার জন্য বিশ্ববাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।