ঢাকা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিদ্যুতের কোনো লোডশেডিং নেই, যেটা ছিল সাময়িক: বিদ্যুৎমন্ত্রী গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের বিভাগীয় সমাবেশের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত এনসিপিতে যোগ দিলেন নিজামীপুত্র ও হাজী শরীয়তুল্লাহর বংশধর বাম দুর্গে মুসলিম তরুণীর বিজয় শিবগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ উত্তরায় বাবার সামনে থেকে মেয়েকে অপহরণ: এক দিনের রিমান্ডে প্রধান আসামী আজ সাড়ে ৩ ঘণ্টা বিদ্যু থাকবে না যেসব এলাকায় পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভূমিধস জয়, তামিলনাড়ুতে বিজয়ের চমক ঈদে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির সূচি প্রকাশ

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: বেনাপোলে আটকা পড়লো তৈরি পোশাকবাহী শতাধিক ট্রাক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫ ১৮৬ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় ডেস্ক: ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞার পর যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে আটকা পড়েছে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যবাহী শতাধিক ট্রাক। নিষেধাজ্ঞার পরদিন আজ রোববার দুপুরে বেনাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা ট্রাকগুলো আটকা পড়ার কথা জানিয়েছেন।

গতকাল শনিবার ভারত সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অজয় ভদ্র স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, তুলা, সুতির বর্জ্য, কাঠ, প্লাস্টিক ও কাঠের তৈরি আসবাব, ফলজাতীয় পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর (ডিজিএফটি) এক বিবৃতিতে জানায়, ভারতের বন্দর ব্যবহার করে নেপাল ও ভুটানে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে এ বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না। এ ছাড়া ভারতের ব্যবসায়ীরা কেবল কলকাতা ও মুম্বাইয়ের নবসেবা সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানি করতে পারবেন।

এর আগে গত ৮ এপ্রিল এক নিষেধাজ্ঞায় বন্ধ হয়ে যায় সড়কপথে ভারতের বিমানবন্দর ব্যবহার করে তৃতীয় কোনো দেশে তৈরি পোশাক রপ্তানি।

বেনাপোল বন্দরে আটকে থাকা রপ্তানি পণ্যবাহী ট্রাকচালকেরা বলেন, ‘ভারতে রপ্তানির জন্য তৈরি পোশাকবাহী ট্রাক নিয়ে আটকে পড়েছি। শেষ পর্যন্ত কী হবে, জানি না।’

রপ্তানিকারক ইদ্রিস আলী বলেন, ‘কলকাতা ও মুম্বাইয়ের নবসেবা সমুদ্রবন্দর দিয়ে রপ্তানি কঠিন ও ব্যয়বহুল। আটকে পড়া রপ্তানি পণ্য নিয়ে বিপাকে পড়েছি।’

বেনাপোল আমদানি-রপ্তানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক বলেন, ‘ভারত সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অজয় ভদ্র স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বাংলাদেশ থেকে গার্মেন্টস, তুলা, সুতির বর্জ্য, কাঠ, প্লাস্টিক ও কাঠের তৈরি আসবাব, ফলজাতীয় পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এই নিষেধাজ্ঞার পর বেনাপোল বন্দরে শতাধিক রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছে। ভারত সরকারকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে বাণিজ্য সহজ করার দাবি জানাচ্ছি।’

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, হঠাৎ হঠাৎ এমন নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সৌহার্দ্য সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু করেছে। এত উভয় দেশের ব্যবসায়ীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

আজ বেলা ৩টার দিকে বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার সুপার আশরাফ আলী বলেন, ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞার পর সকাল থেকে কোনো তৈরি পোশাকশিল্পের পণ্য ভারতে ঢোকেনি। বেশ কিছু ট্রাক বন্দর ও বন্দরের সড়কে আটকা পড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: বেনাপোলে আটকা পড়লো তৈরি পোশাকবাহী শতাধিক ট্রাক

আপডেট সময় : ০২:১১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫
জাতীয় ডেস্ক: ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞার পর যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে আটকা পড়েছে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যবাহী শতাধিক ট্রাক। নিষেধাজ্ঞার পরদিন আজ রোববার দুপুরে বেনাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা ট্রাকগুলো আটকা পড়ার কথা জানিয়েছেন।

গতকাল শনিবার ভারত সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অজয় ভদ্র স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, তুলা, সুতির বর্জ্য, কাঠ, প্লাস্টিক ও কাঠের তৈরি আসবাব, ফলজাতীয় পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর (ডিজিএফটি) এক বিবৃতিতে জানায়, ভারতের বন্দর ব্যবহার করে নেপাল ও ভুটানে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে এ বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না। এ ছাড়া ভারতের ব্যবসায়ীরা কেবল কলকাতা ও মুম্বাইয়ের নবসেবা সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানি করতে পারবেন।

এর আগে গত ৮ এপ্রিল এক নিষেধাজ্ঞায় বন্ধ হয়ে যায় সড়কপথে ভারতের বিমানবন্দর ব্যবহার করে তৃতীয় কোনো দেশে তৈরি পোশাক রপ্তানি।

বেনাপোল বন্দরে আটকে থাকা রপ্তানি পণ্যবাহী ট্রাকচালকেরা বলেন, ‘ভারতে রপ্তানির জন্য তৈরি পোশাকবাহী ট্রাক নিয়ে আটকে পড়েছি। শেষ পর্যন্ত কী হবে, জানি না।’

রপ্তানিকারক ইদ্রিস আলী বলেন, ‘কলকাতা ও মুম্বাইয়ের নবসেবা সমুদ্রবন্দর দিয়ে রপ্তানি কঠিন ও ব্যয়বহুল। আটকে পড়া রপ্তানি পণ্য নিয়ে বিপাকে পড়েছি।’

বেনাপোল আমদানি-রপ্তানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক বলেন, ‘ভারত সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অজয় ভদ্র স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বাংলাদেশ থেকে গার্মেন্টস, তুলা, সুতির বর্জ্য, কাঠ, প্লাস্টিক ও কাঠের তৈরি আসবাব, ফলজাতীয় পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এই নিষেধাজ্ঞার পর বেনাপোল বন্দরে শতাধিক রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছে। ভারত সরকারকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে বাণিজ্য সহজ করার দাবি জানাচ্ছি।’

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, হঠাৎ হঠাৎ এমন নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সৌহার্দ্য সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু করেছে। এত উভয় দেশের ব্যবসায়ীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

আজ বেলা ৩টার দিকে বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার সুপার আশরাফ আলী বলেন, ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞার পর সকাল থেকে কোনো তৈরি পোশাকশিল্পের পণ্য ভারতে ঢোকেনি। বেশ কিছু ট্রাক বন্দর ও বন্দরের সড়কে আটকা পড়েছে।