বাঘা: ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের প্রথম থেকে নবম-দশম শ্রেণির সব পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের হাতে এখনো সরবরাহ করতে পারেনি সরকার।
বাঘায় নতুন বই সংকটে শিক্ষার্থীদের হাহাকার, পুরাতন বইয়ের খোঁজে ছুটছে শিক্ষার্থীরা
- আপডেট সময় : ১২:২৬:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
বাঘা: ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের প্রথম থেকে নবম-দশম শ্রেণির সব পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের হাতে এখনো সরবরাহ করতে পারেনি সরকার। এ বছরের প্রথম দিন দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দেওয়া হয়েছে নামমাত্র কিছু বই। পরে আরও কিছু বই সরবরাহ করা হলেও বেশির ভাগ শিক্ষার্থী এখনো বই পায়নি। এর ফলে রাজশাহীর বাঘায় এই সংকট থেকে পরিত্রাণ পেতে বেশ কিছু শিক্ষার্থীকে পাঠ্যবই নিতে পুরাতন শিক্ষার্থীদের দ্বারস্থ হতে দেখা গেছে।
বাঘার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, দেশের প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শ্রেণির নতুন বছরের পাঠ্যবইয়ের সংকট রয়েছে। কবে নাগাদ এ সংকট কাটবে, সে বিষয়ে কোনো সুখবর দিতে পারছে না জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডসহ জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যের পাঠ্যবই দুষ্প্রাপ্য হলেও অনেকটা সহজলভ্য এখন দোকানে বলেও মন্তব্য করেন তাঁরা।
সরেজমিন বাঘার আমোদপুর গ্রামে লক্ষ্য করা গেছে, এ বছর নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ এক শিক্ষার্থী গত বছর পাস করা এক পুরাতন শিক্ষার্থীর কাছে গেছে পুরাতন পাঠ্যবই কিনতে। এর প্রধান কারণ যাতে করে তারা পড়াশোনায় পিছিয়ে না যায়। এ দিক থেকে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অসংখ্য অভিভাবক। তবে যাদের সামর্থ্য রয়েছে, এ রকম অভিভাবকরা দোকান থেকে কিনছেন বেশি টাকা দিয়ে বই।
উপজেলার চন্ডিপুর এলাকার আরিফুল ইসলাম নামে একজন অভিভাবক বলেন, স্কুল থেকে যত সামান্য কিছু বই পাওয়া গেছে, তাও সব শ্রেণিতে নয়। তবে বাজারে খুব সহজেই যে কোনো ক্লাসের সব রকম বই পাওয়া যাচ্ছে। আমার কাছ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন কারিকুলামের একটি ইংলিশ ফর টুডে বই ৩২০ টাকা রেখেছেন এক লাইব্রেরিয়ান। যা অন্য সময় ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হয়।
এ বিষয়ে বাঘা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আ.ফ.ম. মাহমুদুল হাসান ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মীর মো. মামুনুর রহমান বলেন, এ বছর সকল ক্লাসের বই সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি। এ নিয়ে অনেক লেখালেখি হচ্ছে। আমরা শুনেছি, বিভিন্ন বইয়ের দোকানে অধিক মূল্যে একটি সিন্ডিকেট সরকারি বই বিক্রি করছে। তবে সিন্ডিকেট করে খোলা বাজারে বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করতে সরকারের একাধিক সংস্থা মাঠে নেমেছেন বলেও মন্তব্য করেন তাঁরা।























