ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কৃষ্ণচূড়ায় সেজেছে প্রকৃতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৪ ১৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:


বগুড়ায় কৃষ্ণচূড়া ফুলে মন কাড়ছে পথিকদের। বৈশাখের আকাশে গনগনে সূর্য। কাঠফাটা রোদ্দুরে তপ্ত বাতাস। প্রকৃতি যখন প্রখর রৌদ্রে পুড়ছে কৃষ্ণচূড়া ফুল তখন জানান দিচ্ছে তার সৌন্দর্যের বার্তা। গ্রীষ্মের নিষ্প্রাণ রুক্ষতা ছাপিয়ে প্রকৃতিতে কৃষ্ণচূড়া নিজেকে মেলে ধরছে আপন মহিমায়।

জানা যায়, বগুড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গাছে গাছে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে কৃষ্ণচূড়া। যেন লাল রঙে কৃষ্ণচূড়ার পসরা সাজিয়ে বসে আছে প্রকৃতি। চোখ ধাঁধানো টুকটুকে লাল কৃষ্ণচূড়া ফুলে সেজেছে গ্রীষ্মের প্রকৃতি। গ্রীষ্মের ছোঁয়া লাগার পর থেকেই প্রকৃতির শোভা বর্ধনকারী কৃষ্ণচূড়া ফুল অপরূপ সাজে সাজিয়ে রঙিন করে তুলেছে।

পথচারীদের দৃষ্টি কাড়ছে কৃষ্ণচূড়া। দূর থেকে দেখলে মনে হয়-যেন লাল রঙের পাহাড় দাঁড়িয়ে আছে মাথা উঁচু করে। কৃষ্ণচূড়া তার রক্তিম আভা ছড়ানোর মাধ্যমে প্রকৃতিকে সাজিয়ে তুলেছে অপরূপ করে। প্রকৃতিকে রক্তিমতায় মাতিয়ে রাখা এই বৃক্ষের উচ্চতা তেমন একটা বেশি হয় না। সর্বোচ্চ ১২ মিটার পর্যন্ত উপরে উঠলেও তার শাখা প্রশাখা বিশাল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত থাকে। পাপড়িগুলো প্রায় ৮ সেন্টিমিটারের মতো লম্বা হতে পারে।

প্রতিটি পাতা ৩০ থেকে ৫০ সেন্টিমিটার লম্বা এবং ২০ থেকে ৪০ টি উপপত্র বিশিষ্ট। গ্রীষ্মজুড়ে প্রকৃতিকে মাতিয়ে রাখলেও অন্যান্য সময়গুলোতে এ বৃক্ষের উপস্থিতি খুব একটা চোখে পড়ে না। অনেকটা আড়ালেই থেকে যায় বাকিটা সময়। এপ্রিলে গ্রীষ্মের শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই প্রকৃতির সবুজ পেছনে ফেলে বেরিয়ে আসতে থাকে লাল রঙের কৃষ্ণচূড়া ফুল। মানুষের দৃষ্টিগোচর হতে থাকে তার সৌন্দর্য। তখন আর আলাদা করে তার খোঁজ নেওয়ার দরকার হয় না।

বগুড়ায় একসময় কৃষ্ণচূড়া ফুল গাছের প্রচুর দেখা মিলতো। প্রতিবছর এই গ্রীস্মে ফুলফুটে প্রকৃতিতে শোভা বর্ধন করতো। কালের আবর্তে সেই কৃষ্ণচূড়ার গাছ এখন অনেকটাই কমে গেছে। তারপরও বগুড়া শহরের সাতমাথা (প্রধান ডাকঘরের সামনে), সরকারি আজিজুল হক কলেজ ক্যাম্পাস, ফুলবাড়ি, কলোনী, বনানী, মালতীনগর, চেলোপাড়া, সেউজগাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় কৃষ্ণচূড়া শোভা পাচ্ছে।

কবি শাহীনুর রহমান জানান, বগুড়ায় বিভিন্ন সড়কে এখন কৃষ্ণচূড়া ফুটে আছে। প্রকৃতিতে এখন ভিন্ন রঙ ধরেছে। দূর থেকে দেখতে ঠিক লাল পাহাড়ের মতো মনে হয়। অপরূপ শোভায় শোভিত হয়েছে কৃষ্ণচূড়া। যে কাউকে আকৃষ্ট করছে সড়কগুলো। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় বগুড়ায় আরও বেশি কৃষ্ণচূড়া রোপণ করতে হবে।

জেলা কৃষি কর্মকর্তরা জানান, কৃষ্ণচূড়া অতিপরিচিত বৃক্ষ। জেলার বিভিন্ন এলাকায় মিলছে কৃষ্ণচূড়া। এসব গাছের যত্ন নেওয়া হলে গ্রীষ্মকালে প্রকৃতির সৌন্দর্য আরও বাড়বে।


প্রসঙ্গনিউজ২৪/জে.সি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কৃষ্ণচূড়ায় সেজেছে প্রকৃতি

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৪

নিউজ ডেস্ক:


বগুড়ায় কৃষ্ণচূড়া ফুলে মন কাড়ছে পথিকদের। বৈশাখের আকাশে গনগনে সূর্য। কাঠফাটা রোদ্দুরে তপ্ত বাতাস। প্রকৃতি যখন প্রখর রৌদ্রে পুড়ছে কৃষ্ণচূড়া ফুল তখন জানান দিচ্ছে তার সৌন্দর্যের বার্তা। গ্রীষ্মের নিষ্প্রাণ রুক্ষতা ছাপিয়ে প্রকৃতিতে কৃষ্ণচূড়া নিজেকে মেলে ধরছে আপন মহিমায়।

জানা যায়, বগুড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গাছে গাছে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে কৃষ্ণচূড়া। যেন লাল রঙে কৃষ্ণচূড়ার পসরা সাজিয়ে বসে আছে প্রকৃতি। চোখ ধাঁধানো টুকটুকে লাল কৃষ্ণচূড়া ফুলে সেজেছে গ্রীষ্মের প্রকৃতি। গ্রীষ্মের ছোঁয়া লাগার পর থেকেই প্রকৃতির শোভা বর্ধনকারী কৃষ্ণচূড়া ফুল অপরূপ সাজে সাজিয়ে রঙিন করে তুলেছে।

পথচারীদের দৃষ্টি কাড়ছে কৃষ্ণচূড়া। দূর থেকে দেখলে মনে হয়-যেন লাল রঙের পাহাড় দাঁড়িয়ে আছে মাথা উঁচু করে। কৃষ্ণচূড়া তার রক্তিম আভা ছড়ানোর মাধ্যমে প্রকৃতিকে সাজিয়ে তুলেছে অপরূপ করে। প্রকৃতিকে রক্তিমতায় মাতিয়ে রাখা এই বৃক্ষের উচ্চতা তেমন একটা বেশি হয় না। সর্বোচ্চ ১২ মিটার পর্যন্ত উপরে উঠলেও তার শাখা প্রশাখা বিশাল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত থাকে। পাপড়িগুলো প্রায় ৮ সেন্টিমিটারের মতো লম্বা হতে পারে।

প্রতিটি পাতা ৩০ থেকে ৫০ সেন্টিমিটার লম্বা এবং ২০ থেকে ৪০ টি উপপত্র বিশিষ্ট। গ্রীষ্মজুড়ে প্রকৃতিকে মাতিয়ে রাখলেও অন্যান্য সময়গুলোতে এ বৃক্ষের উপস্থিতি খুব একটা চোখে পড়ে না। অনেকটা আড়ালেই থেকে যায় বাকিটা সময়। এপ্রিলে গ্রীষ্মের শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই প্রকৃতির সবুজ পেছনে ফেলে বেরিয়ে আসতে থাকে লাল রঙের কৃষ্ণচূড়া ফুল। মানুষের দৃষ্টিগোচর হতে থাকে তার সৌন্দর্য। তখন আর আলাদা করে তার খোঁজ নেওয়ার দরকার হয় না।

বগুড়ায় একসময় কৃষ্ণচূড়া ফুল গাছের প্রচুর দেখা মিলতো। প্রতিবছর এই গ্রীস্মে ফুলফুটে প্রকৃতিতে শোভা বর্ধন করতো। কালের আবর্তে সেই কৃষ্ণচূড়ার গাছ এখন অনেকটাই কমে গেছে। তারপরও বগুড়া শহরের সাতমাথা (প্রধান ডাকঘরের সামনে), সরকারি আজিজুল হক কলেজ ক্যাম্পাস, ফুলবাড়ি, কলোনী, বনানী, মালতীনগর, চেলোপাড়া, সেউজগাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় কৃষ্ণচূড়া শোভা পাচ্ছে।

কবি শাহীনুর রহমান জানান, বগুড়ায় বিভিন্ন সড়কে এখন কৃষ্ণচূড়া ফুটে আছে। প্রকৃতিতে এখন ভিন্ন রঙ ধরেছে। দূর থেকে দেখতে ঠিক লাল পাহাড়ের মতো মনে হয়। অপরূপ শোভায় শোভিত হয়েছে কৃষ্ণচূড়া। যে কাউকে আকৃষ্ট করছে সড়কগুলো। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় বগুড়ায় আরও বেশি কৃষ্ণচূড়া রোপণ করতে হবে।

জেলা কৃষি কর্মকর্তরা জানান, কৃষ্ণচূড়া অতিপরিচিত বৃক্ষ। জেলার বিভিন্ন এলাকায় মিলছে কৃষ্ণচূড়া। এসব গাছের যত্ন নেওয়া হলে গ্রীষ্মকালে প্রকৃতির সৌন্দর্য আরও বাড়বে।


প্রসঙ্গনিউজ২৪/জে.সি