বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন ইসলামী সভ্যতা বিরোধী
- আপডেট সময় : ০৩:৪৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে
মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: পাঠক, আমি সব সময় বলে আসতেছি যে, এদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামো হল সূদ, ঘুষ, মিথ্যা ও জুলুমের উপর প্রতিষ্ঠিত। এদেশের অনেক আইন ইসলামী সভ্যতার সাথে সা্ঘর্ষিক । যে সব আইন ইসলামী সভ্যতার সাথে সা্ঘর্ষিক এর মধ্যে একটি হল বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ আইন।
এটি পারিবারিক কাঠামো ধ্বংস করে একটি ব্যাভিচারী সমাজ গঠনের জন্য এক মহা ষড়যন্ত্র। ইসলামের দৃষ্টিতে সাবালক অথবা সাবালিকা হবার একটি নির্দিষ্ট বয়স ও সময় নির্ধারিত। এই সাবালক ও সাবালিকা হবার পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবার অধিকার প্রতিটি মুসলিম নর নারীর রয়েছে।
বাংলাদেশের আইনে নির্ধারিত বিবাহের বয়স সীমা শরীয়ত সম্মত নয়। এই আইন ইসলামের পারিবারিক আইনে হস্তক্ষেপের শামিল। একটি মুসলিম রিয়াসাতে যদি পারিবারিক আইনে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ থাকে তাহলে একে মুসলিম রিয়াসাত হিসেবে গণ্য করা যায় না।
আইনের বিধান মোতাবেক যদি কোন মেয়ে শরীয়তের দৃষ্টিতে বিবাহ যোগ্য হয় এবং রাষ্ট্রীয় আইনে বিবাহযোগ্য বয়স না হয় , তাহলে সেই মেয়েটি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চাইলে অনেক সময় প্রশাসনের লোকজন এই বিবাহে বাধা সৃষ্টি করে। তাহলে প্রশ্ন দাঁড়ায়, একজন মুসলিম কি পারিবারিক ভাবে শরীয়তের আইন অনুসরণ করতে পারবে না, আবার করলে আইনে বাধা রয়েছে।
পাঠক, শরীয়তের দৃষ্টিতে সাবালক ও সাবালিকা কিন্তু আইনের দৃষ্টিতে অপ্রাপ্তবয়স্ক ও বিবাহযোগ্য নয় , যদি প্রাকৃতিক প্রয়োজনে মিলিত হয় তাহলে আইনে বৈধ কিন্তু শরীয়তের দৃষ্টিতে অবৈধ। রাষ্ট্রীয় আইন এই ক্ষেত্রে ব্যাভিচারকে উৎসাহিত করে।
বাল্যবিবাহ বন্ধ আইনের প্রধান উদ্দেশ্য হল ব্যাভিচারকে উৎসাহিত করা এবং মুসলিম পারিবারিক ব্যাবস্থা ভে্গে দেয়া। এই আইন বাতিল না করলে ধীরে ধীরে ব্যাভিচার বেড়ে যাবে এবং ইসলামী সভ্যতা হুমকির সম্মুখীন হবে।
বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন একটি ফেরাউনী আইন। ফেরাউন যেমন আইনের মাধ্যমে বনি ইসরাইলের শিশুদের হত্যা করত, তেমনিভাবে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন দ্বারা বিবাহে বাধা প্রাপ্ত হয়ে কখনো কখনো এবরশন দ্বারা ভ্রন হত্যা করা হয়।
ইসলামী দলগুলো এই ব্যাপারে নীরব ভূমিকায় অবতীর্ণ। এই ব্যাপারে মুসলমানদের সচেতন হতে হবে।



















