ঢাকা ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিজেদের কলঙ্ক ঢাকতে ছাত্রদল শিবিরকে জড়িয়ে নোংরামি করছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৩:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় ডেস্ক: একজন নারী শিক্ষার্থীকে নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যকারী শিক্ষার্থীর সাথে ছাত্রশিবিরের সংশ্লিষ্টতার মিথ্যা তথ্য অপপ্রচারে তীব্র নিন্দা ও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

মঙ্গলবার ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম আজ এক যৌথ বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানান।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের নেতারা বিভিন্ন সময়ে নারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সাইবার বুলিং, স্লাটশেমিং, ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানির মতো জঘন্য অপরাধে জড়িত। নারী শিক্ষার্থীদের মানসম্মান ধ্বংস করার নোংরা রাজনীতিতে ছাত্রদল ফ্যাসিস্ট ছাত্রলীগের মতই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। তাদের হাতেই ২০০২ সালে বুয়েটের মেধাবী নারী শিক্ষার্থী সাবেকুন্নাহার সনির রক্ত লেগে আছে। ছাত্রদলের হাতেই ঢাবির শামসুন্নাহার হলে ২০০২ সালে শতশত নারী শিক্ষার্থী নির্যাতন ও ধর্ষণের শিকার হয়। অথচ আজ তারাই উল্টো ছাত্রশিবিরকে অভিযুক্ত করছে—যা ধৃষ্টতা ও মিথ্যাচারের সীমা অতিক্রম করে।

আমরা স্পষ্ট করে জানাচ্ছি—অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনোভাবেই ছাত্রশিবিরের সাথে যুক্ত নয়। বরং তার অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে, যাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে শাস্তির আওতায় আনে। অপরাধীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকেই।”

নেতৃবৃন্দ বলেন, “ছাত্রশিবির নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সম্মানের প্রশ্নে কখনোই আপস করে না। কিন্তু নারী নির্যাতনের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে ব্যবহার করে সস্তা রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে থাকা ছাত্রদলের আসল চেহারা আজ সবাই চিনতে পেরেছে।”

আমরা ছাত্রদলকে হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, “ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে মিথ্যা প্রচারণা থেকে বিরত থাকুন। কোনো কিছু হলেই শিবিরকে দায় দিয়ে দাও—এর মতো জঘন্য দেউলিয়াপনার রাজনীতি বন্ধ করুন। ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া ও ওপেন ইনফরমেশনের এই যুগে শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করে দেবে, নারী নির্যাতনের মতো সংবেদনশীল ইস্যুতে অপপ্রচারের জবাব কিভাবে দিতে হয়।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নিজেদের কলঙ্ক ঢাকতে ছাত্রদল শিবিরকে জড়িয়ে নোংরামি করছে

আপডেট সময় : ১১:৩৩:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
জাতীয় ডেস্ক: একজন নারী শিক্ষার্থীকে নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যকারী শিক্ষার্থীর সাথে ছাত্রশিবিরের সংশ্লিষ্টতার মিথ্যা তথ্য অপপ্রচারে তীব্র নিন্দা ও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

মঙ্গলবার ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম আজ এক যৌথ বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানান।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের নেতারা বিভিন্ন সময়ে নারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সাইবার বুলিং, স্লাটশেমিং, ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানির মতো জঘন্য অপরাধে জড়িত। নারী শিক্ষার্থীদের মানসম্মান ধ্বংস করার নোংরা রাজনীতিতে ছাত্রদল ফ্যাসিস্ট ছাত্রলীগের মতই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। তাদের হাতেই ২০০২ সালে বুয়েটের মেধাবী নারী শিক্ষার্থী সাবেকুন্নাহার সনির রক্ত লেগে আছে। ছাত্রদলের হাতেই ঢাবির শামসুন্নাহার হলে ২০০২ সালে শতশত নারী শিক্ষার্থী নির্যাতন ও ধর্ষণের শিকার হয়। অথচ আজ তারাই উল্টো ছাত্রশিবিরকে অভিযুক্ত করছে—যা ধৃষ্টতা ও মিথ্যাচারের সীমা অতিক্রম করে।

আমরা স্পষ্ট করে জানাচ্ছি—অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনোভাবেই ছাত্রশিবিরের সাথে যুক্ত নয়। বরং তার অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে, যাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে শাস্তির আওতায় আনে। অপরাধীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকেই।”

নেতৃবৃন্দ বলেন, “ছাত্রশিবির নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সম্মানের প্রশ্নে কখনোই আপস করে না। কিন্তু নারী নির্যাতনের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে ব্যবহার করে সস্তা রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে থাকা ছাত্রদলের আসল চেহারা আজ সবাই চিনতে পেরেছে।”

আমরা ছাত্রদলকে হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, “ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে মিথ্যা প্রচারণা থেকে বিরত থাকুন। কোনো কিছু হলেই শিবিরকে দায় দিয়ে দাও—এর মতো জঘন্য দেউলিয়াপনার রাজনীতি বন্ধ করুন। ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া ও ওপেন ইনফরমেশনের এই যুগে শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করে দেবে, নারী নির্যাতনের মতো সংবেদনশীল ইস্যুতে অপপ্রচারের জবাব কিভাবে দিতে হয়।”