প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টিউলিপের বাংলাদেশী পাসপোর্ট ও পরিচয়পত্র রয়েছে। তিনি বাংলাদেশে ভোটার হিসেবেও নিবন্ধিত হয়েছেন। বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ সুলতান মাহমুদ চলতি সপ্তাহে আদালতের কার্যক্রমের ফাঁকে ফিনান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, সেখানে সিদ্দিকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জমি অবৈধভাবে অধিগ্রহণের অভিযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘তার ঠিকানা, একাধিক পাসপোর্ট ও ভোটার রেজিস্ট্রিতে নাম- এই সবই পাওয়া গেছে। আমরা যথাসময়ে সেগুলো জমা দেব।’ তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন সরকারি সংস্থার কাছেও এসব নথিপত্রের কপি রয়েছে।
তবে টিউলিপের আইনজীবী স্টিফেনসন হারউড এসব নথিপত্রের কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ‘যেসব নথিপত্রের কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো জাল।’ তিনি আরো বলেন, ‘টিউলিপের কখনোই বাংলাদেশী কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র কিংবা ভোটার আইডি ছিল না। তার কোনো পাসপোর্টও ছিল না।’
উল্লেখ্য, টিউলিপের বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগ, তিনি তার খালা শেখ হাসিনার শাসনামলে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে অবৈধভাবে ঢাকার পূর্বাচল নিউ টাউন প্রকল্পে সরকারি প্লট অধিগ্রহণ করেছেন। এক্ষেত্রে তিনি যোগ্যতাবিষয়ক নিয়মগুলো উপেক্ষা করেছেন।
সূত্র : ফিন্যান্সিয়াল টাইমস




















