ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‌‘বন্ধুর’ ছুরিকাঘাতে বন্ধু নিহত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৪:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪ ১৯ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:


নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নাম ধরে ডাকায় ‘বন্ধুর’ হাতে বন্ধু খুন হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত জাহিদুল ইসলাম নিহত জাহিদুল ইসলাম ওরফে রিয়াজ (২০) উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম কুতুবপুর গ্রামের ওয়ারিশ হাজী বাড়ির হারুনুর রশীদ ওরফে কালামিয়ার ছেলে। তিনি ঢাকার একটি ব্যাগ তৈরীর কারখানায় চাকরি করতেন।

এই ঘটনায় মনির হোসেন (১৮) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাত পৌনে ৮টার দিকে উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের কামলারটেক বাজারের হাশেমের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে একই গ্রামের আলাবক্স বেপারী বাড়ির মহিউদ্দিনের ছেলে হামলাকারী কিশোরগ গ্যাং সদস্য মো. রিয়াজকে (২০) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত জাহিদুল ও আসামি রিয়াজ প্রতিবেশী এবং একসাথে চলাফেরা করত। নিহতের সাথে ৪-৫ দিন আগে আসামি কিশোর গ্যাং সদস্য রিয়াজের খেলাধুলা নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাহিদুল তার বন্ধুদের নিয়ে স্থানীয় কামলারটেক বাজারের হাশেমের চা দোকানের সামনে আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওই সময় রিয়াজ তার সাঙ্গপাঙ্গসহ জাহিদুলের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে জাহিদুলের বুকে ছুরিকাঘাত করলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাকে বাঁচাতে বন্ধু মনির এগিয়ে আসলে তাকেও গুরুত্বর জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহিদুলকে মৃত ঘোষণা করে। আহত মনির ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, তাদের পাশাপাশি বাড়ি। নিহত জাহিদুল আসামি রিয়াজকে নাম ধরে ডাকে। তখন আসামি রিয়াজ ভিকটিমকে বলে আমি কি তোর ছোট নাকি। এরপর কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে ছুরিকাঘাতে করলে ভিকটিম ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আসামি রিয়াজের বাড়ি ও চৌমুহনী এলাকায়

ওসি মো.আনোয়ারুল ইসলাম আরও বলেন, মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পরপরই একজনকে আটক করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগের আলোকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


প্রসঙ্গনিউজ২৪/জে.সি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

‌‘বন্ধুর’ ছুরিকাঘাতে বন্ধু নিহত

আপডেট সময় : ০৭:১৪:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

নিউজ ডেস্ক:


নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নাম ধরে ডাকায় ‘বন্ধুর’ হাতে বন্ধু খুন হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত জাহিদুল ইসলাম নিহত জাহিদুল ইসলাম ওরফে রিয়াজ (২০) উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম কুতুবপুর গ্রামের ওয়ারিশ হাজী বাড়ির হারুনুর রশীদ ওরফে কালামিয়ার ছেলে। তিনি ঢাকার একটি ব্যাগ তৈরীর কারখানায় চাকরি করতেন।

এই ঘটনায় মনির হোসেন (১৮) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাত পৌনে ৮টার দিকে উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের কামলারটেক বাজারের হাশেমের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে একই গ্রামের আলাবক্স বেপারী বাড়ির মহিউদ্দিনের ছেলে হামলাকারী কিশোরগ গ্যাং সদস্য মো. রিয়াজকে (২০) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত জাহিদুল ও আসামি রিয়াজ প্রতিবেশী এবং একসাথে চলাফেরা করত। নিহতের সাথে ৪-৫ দিন আগে আসামি কিশোর গ্যাং সদস্য রিয়াজের খেলাধুলা নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাহিদুল তার বন্ধুদের নিয়ে স্থানীয় কামলারটেক বাজারের হাশেমের চা দোকানের সামনে আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওই সময় রিয়াজ তার সাঙ্গপাঙ্গসহ জাহিদুলের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে জাহিদুলের বুকে ছুরিকাঘাত করলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাকে বাঁচাতে বন্ধু মনির এগিয়ে আসলে তাকেও গুরুত্বর জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহিদুলকে মৃত ঘোষণা করে। আহত মনির ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, তাদের পাশাপাশি বাড়ি। নিহত জাহিদুল আসামি রিয়াজকে নাম ধরে ডাকে। তখন আসামি রিয়াজ ভিকটিমকে বলে আমি কি তোর ছোট নাকি। এরপর কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে ছুরিকাঘাতে করলে ভিকটিম ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আসামি রিয়াজের বাড়ি ও চৌমুহনী এলাকায়

ওসি মো.আনোয়ারুল ইসলাম আরও বলেন, মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পরপরই একজনকে আটক করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগের আলোকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


প্রসঙ্গনিউজ২৪/জে.সি