ঢাকা ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রচণ্ড গরমে জেগে উঠল ৩০০ বছরের পুরাতন শহর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৭:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ মে ২০২৪ ২৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:


ফিলিপাইনের একটি বড় বাঁধের পানির অনেকটাই শুকিয়ে গেছে। আশ্চর্যজনকভাবে সেখানে জেগে উঠেছে একটি পুরনো শহর। এটাকে সেখানে পানিতে তলিয়ে যাওয়া একটি শহরের ধ্বংসাবশেষ বলে মনে করা হচ্ছে ।

বিবিসির খবরে বলা হয়, পান্তাবাঙ্গান নামের ওই শহর ৩০০ বছরের পুরনো। ১৯৭০-এর দশকে পানি সংরক্ষণের জন্য কৃত্রিম জলাধার তৈরির সময় শহরটি পানিতে তলিয়ে যায়। আবহাওয়া যখন অনেক শুষ্ক ও গরম থাকে, তখন বাঁধের পানি শুকিয়ে শহরটি কখনো কখনো দৃশ্যমান হয়ে ওঠে, যা বিরল ঘটনা।

বাঁধগুলো দেখভালকারী রাষ্ট্রীয় সংস্থার প্রকৌশলী মারলন পালাদিন বলেন, তলিয়ে যাওয়া শহরটি আগে দৃশ্যমান হলেও এবারের মতো এতটা দৃশ্যমান হয়নি। ফিলিপাইনে এখন গরম ও শুষ্ক মৌসুম চলছে। এল নিনোর (প্রশান্ত মহাসাগরের পানি অস্বাভাবিক রকমের উষ্ণ হয়ে ওঠা) প্রভাবে সেখানে গরমের তীব্রতা বেড়েছে।

এতে জলাধারের পানিও শুকিয়ে যাচ্ছে। ফিলিপাইনের প্রায় অর্ধেক জায়গায় এখন খরা।


প্রসঙ্গনিউজ২৪/জে.সি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রচণ্ড গরমে জেগে উঠল ৩০০ বছরের পুরাতন শহর

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ মে ২০২৪

নিউজ ডেস্ক:


ফিলিপাইনের একটি বড় বাঁধের পানির অনেকটাই শুকিয়ে গেছে। আশ্চর্যজনকভাবে সেখানে জেগে উঠেছে একটি পুরনো শহর। এটাকে সেখানে পানিতে তলিয়ে যাওয়া একটি শহরের ধ্বংসাবশেষ বলে মনে করা হচ্ছে ।

বিবিসির খবরে বলা হয়, পান্তাবাঙ্গান নামের ওই শহর ৩০০ বছরের পুরনো। ১৯৭০-এর দশকে পানি সংরক্ষণের জন্য কৃত্রিম জলাধার তৈরির সময় শহরটি পানিতে তলিয়ে যায়। আবহাওয়া যখন অনেক শুষ্ক ও গরম থাকে, তখন বাঁধের পানি শুকিয়ে শহরটি কখনো কখনো দৃশ্যমান হয়ে ওঠে, যা বিরল ঘটনা।

বাঁধগুলো দেখভালকারী রাষ্ট্রীয় সংস্থার প্রকৌশলী মারলন পালাদিন বলেন, তলিয়ে যাওয়া শহরটি আগে দৃশ্যমান হলেও এবারের মতো এতটা দৃশ্যমান হয়নি। ফিলিপাইনে এখন গরম ও শুষ্ক মৌসুম চলছে। এল নিনোর (প্রশান্ত মহাসাগরের পানি অস্বাভাবিক রকমের উষ্ণ হয়ে ওঠা) প্রভাবে সেখানে গরমের তীব্রতা বেড়েছে।

এতে জলাধারের পানিও শুকিয়ে যাচ্ছে। ফিলিপাইনের প্রায় অর্ধেক জায়গায় এখন খরা।


প্রসঙ্গনিউজ২৪/জে.সি