ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তানোরে আ’লীগের মাঠ গোছাতে ময়নার কোন বিকল্প নাই

সারোয়ার হোসেন
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩ ৫৭ বার পড়া হয়েছে

তানোর প্রতিনিধি:


রাজশাহীর তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের মাঠ গোছাতে ও শক্তিশালী করে তুলতে উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশীদ ময়নার কোন বিকল্প নাই। বর্তমান তানোরে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের যে হযবরল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, তাতে করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক বেগ পেতে হবে এমপিকে।

একদিকে এমপি বিরোধীদের তান্ডব’অন্যদিকে এমপির পক্ষের নেতাকর্মীদের মনদ্বন্দ্ব। নেতাকর্মীদের অভিযোগ,বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপনের নিজস্ব বলয় তৈরি করতে নেতৃত্বের অপব্যবহার করে দলের সক্রিয় নেতাদের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি করায় দলের মধ্যে এমন হযবরল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। নেই নেতাকর্মীদের মধ্যে চেইন অব কমান্ড।

তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছেন, এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীকে বগলদাবা করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন নিজের ইচ্ছে মতো নিজের বলয় তৈরি করতে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বিবাদ সৃষ্টি করে দলের নেতাকর্মীদের দু’ভাগে ভাগ করে দল পরিচালনা করেছেন। স্বপন এমপির চোখে ধুলো দিয়ে নিজের আখের গুছিয়ে নিচ্ছেন।

আর লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হয়ে শুধু এমপির হাতকে শক্তিশালী করতে দিনরাত মাঠে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। যখন রাব্বানী মামুন এমপির সাথে বেঈমানী করে এমপির কাছে থেকে সটকে পড়েন তখন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের মধ্যে নেমে আসে চরম দুর্দিন। তবুও হতাশা না হয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে মাঠ গোছাতে আরো সক্রিয় হয়ে পড়েন চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার ময়না। তিনি হাটি হাটি পা পা করে শুরু করেন উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভার ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কর্মীসভা,বর্ধিতসভা,মাসিক সভাসহ নেতাকর্মীদের নিয়ে আলোচনা সভা।

ফলে নতুন করে সুসংগঠিত হয়ে উঠেন তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। দলের মধ্যে ফিরতে শুরু করে প্রাণচাঞ্চল্য। শুধু তাই না, এমপির কাছে থেকে সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করে রাব্বানী মামুন মাঠে এমপি বিরোধী কর্মকান্ড শুরু করলেও ময়নার নেতৃত্বে ২০১৮সালে ব্যাপক নেতাকর্মী সমর্থকদের প্রচেষ্টায় বিপুল ভোটে বিজয়ী হন এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী।

অথচ বর্তমানে দল থেকে তাকে ছিটকে ফেলতে শুরু হয়েছে নানান ষড়যন্ত্র। তার পরেও প্রতিনিয়ত এমপির দিকনির্দেশনায় ছুটে চলেছেন দলের নেতাকর্মীদের সক্রিয় করে তুলতে চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না। উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না বলেন,আমি এমপির দিকনির্দেশনা অনুযায়ী দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি, দলের সুদিনে অনেক নেতা এমপির কাছে থেকে সুযোগ সুবিধা ভোগ করেছে।

আবার তারা এমপির দূর্দিনে সটকে পড়েছেন। কিন্তু আমি এখনো এমপির নির্দেশনা ছাড়া গাছের একটা পাতাও ছিঁড়ি নি। বাকিটা সময়ও আমি এমপির সাথে থেকে তার জন্য সর্বোচ্চ পরিশ্রম করে দলের জন্য কাজ করবো।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে.সি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তানোরে আ’লীগের মাঠ গোছাতে ময়নার কোন বিকল্প নাই

আপডেট সময় : ০৫:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩

তানোর প্রতিনিধি:


রাজশাহীর তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের মাঠ গোছাতে ও শক্তিশালী করে তুলতে উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশীদ ময়নার কোন বিকল্প নাই। বর্তমান তানোরে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের যে হযবরল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, তাতে করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক বেগ পেতে হবে এমপিকে।

একদিকে এমপি বিরোধীদের তান্ডব’অন্যদিকে এমপির পক্ষের নেতাকর্মীদের মনদ্বন্দ্ব। নেতাকর্মীদের অভিযোগ,বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপনের নিজস্ব বলয় তৈরি করতে নেতৃত্বের অপব্যবহার করে দলের সক্রিয় নেতাদের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি করায় দলের মধ্যে এমন হযবরল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। নেই নেতাকর্মীদের মধ্যে চেইন অব কমান্ড।

তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছেন, এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীকে বগলদাবা করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন নিজের ইচ্ছে মতো নিজের বলয় তৈরি করতে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বিবাদ সৃষ্টি করে দলের নেতাকর্মীদের দু’ভাগে ভাগ করে দল পরিচালনা করেছেন। স্বপন এমপির চোখে ধুলো দিয়ে নিজের আখের গুছিয়ে নিচ্ছেন।

আর লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হয়ে শুধু এমপির হাতকে শক্তিশালী করতে দিনরাত মাঠে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। যখন রাব্বানী মামুন এমপির সাথে বেঈমানী করে এমপির কাছে থেকে সটকে পড়েন তখন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের মধ্যে নেমে আসে চরম দুর্দিন। তবুও হতাশা না হয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে মাঠ গোছাতে আরো সক্রিয় হয়ে পড়েন চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার ময়না। তিনি হাটি হাটি পা পা করে শুরু করেন উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভার ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কর্মীসভা,বর্ধিতসভা,মাসিক সভাসহ নেতাকর্মীদের নিয়ে আলোচনা সভা।

ফলে নতুন করে সুসংগঠিত হয়ে উঠেন তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। দলের মধ্যে ফিরতে শুরু করে প্রাণচাঞ্চল্য। শুধু তাই না, এমপির কাছে থেকে সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করে রাব্বানী মামুন মাঠে এমপি বিরোধী কর্মকান্ড শুরু করলেও ময়নার নেতৃত্বে ২০১৮সালে ব্যাপক নেতাকর্মী সমর্থকদের প্রচেষ্টায় বিপুল ভোটে বিজয়ী হন এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী।

অথচ বর্তমানে দল থেকে তাকে ছিটকে ফেলতে শুরু হয়েছে নানান ষড়যন্ত্র। তার পরেও প্রতিনিয়ত এমপির দিকনির্দেশনায় ছুটে চলেছেন দলের নেতাকর্মীদের সক্রিয় করে তুলতে চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না। উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না বলেন,আমি এমপির দিকনির্দেশনা অনুযায়ী দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি, দলের সুদিনে অনেক নেতা এমপির কাছে থেকে সুযোগ সুবিধা ভোগ করেছে।

আবার তারা এমপির দূর্দিনে সটকে পড়েছেন। কিন্তু আমি এখনো এমপির নির্দেশনা ছাড়া গাছের একটা পাতাও ছিঁড়ি নি। বাকিটা সময়ও আমি এমপির সাথে থেকে তার জন্য সর্বোচ্চ পরিশ্রম করে দলের জন্য কাজ করবো।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে.সি