ঢাকা ০৫:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অপেক্ষা শেষে বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনাক সাকিব: পাপন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৯:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অগাস্ট ২০২৩ ৯৯ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:


অবশেষে বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়কের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শুক্রবার (১১ আগস্ট) দুপুরে এক বিবৃতিতে সাকিবকে অধিনায়ক হিসেবে ঘোষণা করে।

আশন্ন এশিয়া কাপ দিয়ে নেতৃত্বের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন সাকিব।  ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপেও তার নেতৃত্বে খেলবে বাংলাদেশ দল। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন গণমাধ্যমকে আজ (শুক্রবার) নিশ্চিত করেছেন এ খবর।

এর আগে, গত ৩ আগস্ট বিসিবির সঙ্গে বৈঠক শেষে পাপনের বাসভবনের গ্যারেজে সংবাদ সম্মেলন করেন তামিম ইকবাল।সেখানেই স্বেচ্ছায় অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন এই ওপেনার। বিশ্বকাপ আর এশিয়া কাপের আগ-মুহূর্তে এসে তামিমের এমন সিদ্ধান্তে কিছুটা হলেও বিপাকে পড়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেই সংকট নিরসনে অবশ্য খুব একটা সময় নেয়নি নাজমুল হাসান পাপনের নেতৃত্বাধীন বোর্ড।

তামিম নেতৃত্ব ছাড়ার সপ্তাহ খানেক পরেই নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা করল বিসিবি। এই সময়ে একাধিক নাম ঘিরে গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত সাকিবের অভিজ্ঞতায়ই আস্থা রেখেছে বোর্ড। ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে মাশরাফি বিন মর্তুজার সহ-অধিনায়ক ছিলেন সাকিব। প্রথম টেস্টে মাশরাফি ইনজুরিতে পড়ায় সাকিবকে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক করা হয়। সেটাই ছিল নেতা সাকিবের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। সেখানে নিজেকে প্রমাণ করায় পরের সিরিজেই তাকে ভারমুক্ত করে আনুষ্ঠানিকভাবে নেতৃত্ব দেয় বিসিবি।

প্রথম দফায় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রায় দুই বছর। ২০১১ সালে জিম্বাবুয়ে সফরের পর অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয় এই অলরাউন্ডারকে। এর ৬ বছর পর ২০১৭ সালে মাশরাফি বিন মর্তুজা টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরে গেলে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট দিয়ে আবারও নেতৃত্বে ফেরেন সাকিব।

একই বছরে মুশফিকুর রহিমের কাছ থেকে দ্বিতীয়বারের মতো সাদা পোশাকের অধিনায়কের দায়িত্বও পান তিনি। এরপর ২০১৯ সালে আইসিসি কতৃক একই বছরের নিষেধাজ্ঞায় পড়ে দ্বিতীয় দফায় নেতৃত্ব হারান তিনি।এরপর ২০২২ সালের জুনে টেস্ট ক্রিকেট দিয়ে আবারও দলের নেতৃত্বে ফেরেন সাকিব। মাস কয়কে পরেই টি-টোয়েন্টির নেতৃত্বও পান তিনি। এবার পেলেন ওয়ানডের অধিনায়কত্ব। তাতে প্রায় এক যুগ পর আবারও তিন ফরম্যাটে সাকিবের নেতৃত্বে খেলবে বাংলাদেশ।

সাদা পোশাকে তিন দফায় ১৯ ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাকিব। যেখানে ৪ জয়ের বিপরীতে ১৫ টেস্টে হেরেছে টাইগাররা। ওয়ানডেতে দুই দফায় ৫০ ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে অধিনায়কত্ব করেছেন সাকিব। যেখানে ২৩ জয়ের বিপরীতে ২৬ হার। বাকি একটি ম্যাচে কোনো ফলাফল আসেনি। আর টি-টোয়েন্টিতে তিন দফায় সাকিবের নেতৃত্বে ৩৯ বার মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। যেখানে ২৩ হারের বিপরীতে ১৬ বার হাসি মুখে মাঠ ছেড়েছে টাইগাররা।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে.সি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অপেক্ষা শেষে বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনাক সাকিব: পাপন

আপডেট সময় : ০২:০৯:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অগাস্ট ২০২৩

নিউজ ডেস্ক:


অবশেষে বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়কের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শুক্রবার (১১ আগস্ট) দুপুরে এক বিবৃতিতে সাকিবকে অধিনায়ক হিসেবে ঘোষণা করে।

আশন্ন এশিয়া কাপ দিয়ে নেতৃত্বের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন সাকিব।  ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপেও তার নেতৃত্বে খেলবে বাংলাদেশ দল। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন গণমাধ্যমকে আজ (শুক্রবার) নিশ্চিত করেছেন এ খবর।

এর আগে, গত ৩ আগস্ট বিসিবির সঙ্গে বৈঠক শেষে পাপনের বাসভবনের গ্যারেজে সংবাদ সম্মেলন করেন তামিম ইকবাল।সেখানেই স্বেচ্ছায় অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন এই ওপেনার। বিশ্বকাপ আর এশিয়া কাপের আগ-মুহূর্তে এসে তামিমের এমন সিদ্ধান্তে কিছুটা হলেও বিপাকে পড়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেই সংকট নিরসনে অবশ্য খুব একটা সময় নেয়নি নাজমুল হাসান পাপনের নেতৃত্বাধীন বোর্ড।

তামিম নেতৃত্ব ছাড়ার সপ্তাহ খানেক পরেই নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা করল বিসিবি। এই সময়ে একাধিক নাম ঘিরে গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত সাকিবের অভিজ্ঞতায়ই আস্থা রেখেছে বোর্ড। ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে মাশরাফি বিন মর্তুজার সহ-অধিনায়ক ছিলেন সাকিব। প্রথম টেস্টে মাশরাফি ইনজুরিতে পড়ায় সাকিবকে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক করা হয়। সেটাই ছিল নেতা সাকিবের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। সেখানে নিজেকে প্রমাণ করায় পরের সিরিজেই তাকে ভারমুক্ত করে আনুষ্ঠানিকভাবে নেতৃত্ব দেয় বিসিবি।

প্রথম দফায় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রায় দুই বছর। ২০১১ সালে জিম্বাবুয়ে সফরের পর অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয় এই অলরাউন্ডারকে। এর ৬ বছর পর ২০১৭ সালে মাশরাফি বিন মর্তুজা টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরে গেলে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট দিয়ে আবারও নেতৃত্বে ফেরেন সাকিব।

একই বছরে মুশফিকুর রহিমের কাছ থেকে দ্বিতীয়বারের মতো সাদা পোশাকের অধিনায়কের দায়িত্বও পান তিনি। এরপর ২০১৯ সালে আইসিসি কতৃক একই বছরের নিষেধাজ্ঞায় পড়ে দ্বিতীয় দফায় নেতৃত্ব হারান তিনি।এরপর ২০২২ সালের জুনে টেস্ট ক্রিকেট দিয়ে আবারও দলের নেতৃত্বে ফেরেন সাকিব। মাস কয়কে পরেই টি-টোয়েন্টির নেতৃত্বও পান তিনি। এবার পেলেন ওয়ানডের অধিনায়কত্ব। তাতে প্রায় এক যুগ পর আবারও তিন ফরম্যাটে সাকিবের নেতৃত্বে খেলবে বাংলাদেশ।

সাদা পোশাকে তিন দফায় ১৯ ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাকিব। যেখানে ৪ জয়ের বিপরীতে ১৫ টেস্টে হেরেছে টাইগাররা। ওয়ানডেতে দুই দফায় ৫০ ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে অধিনায়কত্ব করেছেন সাকিব। যেখানে ২৩ জয়ের বিপরীতে ২৬ হার। বাকি একটি ম্যাচে কোনো ফলাফল আসেনি। আর টি-টোয়েন্টিতে তিন দফায় সাকিবের নেতৃত্বে ৩৯ বার মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। যেখানে ২৩ হারের বিপরীতে ১৬ বার হাসি মুখে মাঠ ছেড়েছে টাইগাররা।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে.সি