ঢাকা ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পুঠিয়ায় গরু চুরির হিরিক ! খামারিদের ঘুম হারাম

মেহেদী
  • আপডেট সময় : ০৪:২৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ মে ২০২৩ ৬৯ বার পড়া হয়েছে

গরু চুরির হিরিক

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ


রাজশাহীর পুঠিয়ায় গরু চুরির হিরিক চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে গরু খামারিদের ঘুম হারাম হয়ে পরেছে। এসব গরু চরির ঘটনায় গরু খামারিরা চুরি আতঙ্কে রাত্রি যাপন করছেন।

গরু চুরি ঠেকাতে তারা রাত্রি ঘুম হারাম করে গরু পাহারা দিচ্ছেন এতে করে গরু চুরির ঠেকানো যাচ্ছেনা বলে অভিযোগ উঠেছে। গত এক সপ্তাহে ১১ টির মত গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের চুরি ঘটনাও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে
অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত সপ্তাহে উপজেলার ভালুকগাছি ইউনিয়নেরধো কড়াকুল গ্রামে নজুরুল ইসলামের প্রায় ১ লক্ষ টাকা মূল্যের একটিষা ড় গরু চুরি হয়, একই গ্রামের মহসিন আলী প্রায় ৪ লক্ষ টাকা মূল্যের ৩টি গরু ও নাসির মন্ডল নামের এক খামারির ৩ লক্ষ টাকা মূল্যের একটিষাড় গরু চুরি হয়। গত শুক্রবার (২৬ মে) দিবগত রাত্রিতে পুঠিয়া পৌরসভার গন্ডগোহালি ওয়ার্ডের (আগিনাদহ) এলাকার কাবিল উদ্দিনের প্রায় দেড় লক্ষ টাকা মূল্যের একটি গাই গুরু ও একই এলাকার আরিফ হোসেন ১ লক্ষ টাকা মূল্যের একটি ষাড় চুরি হয়।

মইপাড়া গ্রামের রেজাউল করিমের প্রায় চার লক্ষ্য টাকা মূল্যের দুইটা ষাড় গরু ও আদিবাসি পল্লীর লিপি টুডুর প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ২ টা গরু চুরি হয়। এছাড়াও গত বুধবার দুপুরে পুঠিয়া সদরের কাঁঠালবাড়িয়া স্টেডিয়াম পাড়ার মিন্টুর একটি খাসি চুরির হয়।

এছাড়াও মাঝে মধ্যে মোটরসাইকেল চুরি ও দোকান চুরির মত ঘটনাও ঘটছে।
খোঁজনিয়ে জানাগেছে, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে কয়েক হাজার পরিবার কুরবানির ইদকে সামনে রেখে গরু মোটাতাজা করণের খামার গড়ে তুলেছেন। এসব খামারের রেশির ভাগই নিন্ম আয়ের কৃষক শ্রেণী মানুষের।

আলী হোসেন নামের এক কৃষক খামারি বলেন, আমরা গ্রামের গরিব মানুষ। গরু লালন পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকি। অনেকের একমাত্র সম্বল বলতে গরু।

এগুলো চুরি হয়ে গেলে আমরা নিঃস্ব হয়ে যাই। কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে পুঠিয়ার খামারিরা গরু মোটতাজা করণ কাজে ব্যস্ত সময় পার করেন। এসময় গরু চোরেরা সংঘবদ্ধ হয়ে গরু চুরি করে থাকে। এসব চোরদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন একধিক খামারিরা।

এব্যাপারে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ফারুক হোসেন বলেন, গরু চুরি রোধে রাতের বেলা আমাদের পুলিশের টহল বৃদ্ধি করা হচ্ছে। সংঘবদ্ধ চোরদের ধরতে গোয়েন্দা তৎপরতা চলছে যাতে তাদের আটক করা যায় বলে এ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে.সি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পুঠিয়ায় গরু চুরির হিরিক ! খামারিদের ঘুম হারাম

আপডেট সময় : ০৪:২৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ মে ২০২৩

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ


রাজশাহীর পুঠিয়ায় গরু চুরির হিরিক চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে গরু খামারিদের ঘুম হারাম হয়ে পরেছে। এসব গরু চরির ঘটনায় গরু খামারিরা চুরি আতঙ্কে রাত্রি যাপন করছেন।

গরু চুরি ঠেকাতে তারা রাত্রি ঘুম হারাম করে গরু পাহারা দিচ্ছেন এতে করে গরু চুরির ঠেকানো যাচ্ছেনা বলে অভিযোগ উঠেছে। গত এক সপ্তাহে ১১ টির মত গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের চুরি ঘটনাও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে
অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত সপ্তাহে উপজেলার ভালুকগাছি ইউনিয়নেরধো কড়াকুল গ্রামে নজুরুল ইসলামের প্রায় ১ লক্ষ টাকা মূল্যের একটিষা ড় গরু চুরি হয়, একই গ্রামের মহসিন আলী প্রায় ৪ লক্ষ টাকা মূল্যের ৩টি গরু ও নাসির মন্ডল নামের এক খামারির ৩ লক্ষ টাকা মূল্যের একটিষাড় গরু চুরি হয়। গত শুক্রবার (২৬ মে) দিবগত রাত্রিতে পুঠিয়া পৌরসভার গন্ডগোহালি ওয়ার্ডের (আগিনাদহ) এলাকার কাবিল উদ্দিনের প্রায় দেড় লক্ষ টাকা মূল্যের একটি গাই গুরু ও একই এলাকার আরিফ হোসেন ১ লক্ষ টাকা মূল্যের একটি ষাড় চুরি হয়।

মইপাড়া গ্রামের রেজাউল করিমের প্রায় চার লক্ষ্য টাকা মূল্যের দুইটা ষাড় গরু ও আদিবাসি পল্লীর লিপি টুডুর প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ২ টা গরু চুরি হয়। এছাড়াও গত বুধবার দুপুরে পুঠিয়া সদরের কাঁঠালবাড়িয়া স্টেডিয়াম পাড়ার মিন্টুর একটি খাসি চুরির হয়।

এছাড়াও মাঝে মধ্যে মোটরসাইকেল চুরি ও দোকান চুরির মত ঘটনাও ঘটছে।
খোঁজনিয়ে জানাগেছে, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে কয়েক হাজার পরিবার কুরবানির ইদকে সামনে রেখে গরু মোটাতাজা করণের খামার গড়ে তুলেছেন। এসব খামারের রেশির ভাগই নিন্ম আয়ের কৃষক শ্রেণী মানুষের।

আলী হোসেন নামের এক কৃষক খামারি বলেন, আমরা গ্রামের গরিব মানুষ। গরু লালন পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকি। অনেকের একমাত্র সম্বল বলতে গরু।

এগুলো চুরি হয়ে গেলে আমরা নিঃস্ব হয়ে যাই। কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে পুঠিয়ার খামারিরা গরু মোটতাজা করণ কাজে ব্যস্ত সময় পার করেন। এসময় গরু চোরেরা সংঘবদ্ধ হয়ে গরু চুরি করে থাকে। এসব চোরদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন একধিক খামারিরা।

এব্যাপারে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ফারুক হোসেন বলেন, গরু চুরি রোধে রাতের বেলা আমাদের পুলিশের টহল বৃদ্ধি করা হচ্ছে। সংঘবদ্ধ চোরদের ধরতে গোয়েন্দা তৎপরতা চলছে যাতে তাদের আটক করা যায় বলে এ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে.সি