ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সংবর্ধনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির ৩ মনোনয়নপ্রত্যাশী, জামায়াতপ্রার্থী চূড়ান্ত বন্যার্তদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন রাসিক প্রশাসক রিটন সরকার একটা দেশের ভয়ে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে : এটিএম আজহারুল ঢাকার দুই সিটিতে বিএনপির কঠিন সমীকরণ, আলোচনায় যেসব প্রার্থী ব্যক্তিগত বরাদ্দের টাকা বাঁচিয়ে হলগুলোতে ১১ ডিপ ফ্রিজ দিলেন চাকসু ভিপি পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মালয়েশিয়া গেলেন মির্জা আব্বাস জাবিতে র‍্যাগিংয়ের দুই ঘটনায় ২০ শিক্ষার্থীকে ৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আসিফ মাহমুদকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন মামুনুল হক

জালিয়াতি-অনিয়মের অভিযোগের পর ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন পুতুল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জালিয়াতি-অনিয়মের অভিযোগের তদন্তের মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তিনি গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনার মেয়ে। বুধবার ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুসের কাছে পদত্যাগপত্র দেন সায়মা ওয়াজেদ। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ওই পদত্যাগপত্র দেখেছে।

চীন সফরকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়ম এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত করছে ডব্লিউএইচও। এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পুতুল।২০২৩ সালের নভেম্বরে ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সদস্যদেশগুলোর ভোটে আঞ্চলিক পরিচালক নির্বাচিত হন পুতুল। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাঁচ বছরের জন্য তিনি দায়িত্ব নেন।

এরপর ২০২৪ সালের জুলাইয়ে গণ–অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে পুতুলের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির তদন্ত শুরু হয়। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এসব তদন্ত শুরু হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে পুতুলকে প্রথম অবৈতনিক ছুটিতে পাঠায় ডব্লিউএইচও। বুধবার পর্যন্ত তিনি ওই ছুটিতেই ছিলেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর এর যে প্রভাব পড়েছে, পুতুলের পদত্যাগ তার সর্বশেষ দৃষ্টান্ত। শেখ হাসিনার অনেক মিত্রের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ফৌজদারি মামলা হয়েছে। অনেকে আবার শেখ হাসিনার মতো স্বেচ্ছানির্বাসনে আছেন।

চলতি বছরের ৩ জুলাই ডব্লিউএইচওকে দেওয়া এক চিঠিতে পুতুলের আইনজীবীরা জানান, চীন সফরের সঙ্গে সম্পর্কিত আর্থিক প্রতারণা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ এনেছে সংস্থাটি। পুতুলের পদত্যাগপত্রে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে একটি জমির প্লট অবৈধভাবে অধিগ্রহণের অভিযোগও করেছে ডব্লিউএইচও।

তবে পুতুলের দাবি, ডব্লিউএইচওতে যোগ দেওয়ার আগেই তিনি ওই জমি অধিগ্রহণ করেছিলেন। শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য একটি আইনের আওতায় তিনি ওই জমির অধিকারী ছিলেন বলেও উল্লেখ করেছেন।

‘আস্থা ও বিশ্বাস হারিয়ে গেছে’

বুধবার রাতে তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুসের কাছে পাঠানো পদত্যাগপত্রে পুতুল লিখেছেন, ‘আমি আমার অঞ্চলের দেশগুলোর সেবা করার জন্য আঞ্চলিক পরিচালক পদে নির্বাচিত হয়েছিলাম, যা আমি আন্তরিকতার সঙ্গে করে এসেছি।’ তিনি আরো লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনি দায়িত্ব কার্যকরভাবে পালন করতে আমাকে বাধা দিয়ে চলেছেন, তাই ডব্লিউএইচওর নেতৃত্বের ওপর আমার সব আস্থা ও বিশ্বাস হারিয়ে গেছে।’

পুতুল বলেন, তাকে বেতন ছাড়া ছুটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্তের পর প্রায় এক বছর কোনো পারিশ্রমিক পাননি। এতে তার আর্থিক পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ বিষয়ে পুতুল আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ডব্লিউএইচওও তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি। গত মাসে সংস্থাটি জানিয়েছিল, পুতুল ছুটিতে আছেন। তবে গোপনীয়তা বজায় রাখার স্বার্থে তার বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল ডব্লিউএইচও।

অভিযোগ অস্বীকার

জুলাইয়ে ডব্লিউএইচওকে দেওয়া চিঠিতে ভ্রমণসংক্রান্ত আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেন পুতুল। তার আইনজীবীদের মাধ্যমে দেওয়া ওই চিঠিতে বলা হয়, নিয়মিত ভ্রমণ খরচ ফেরত পাওয়ার আবেদন প্রক্রিয়া করতে গিয়ে একজন সহকারীর প্রশাসনিক ভুলের কারণে বিষয়টি ঘটেছে। অর্থের পরিমাণ ছিল ৯০১ ডলার।

শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে অভিযোগের বিষয়েও নিজের অবস্থান জানান পুতুল। তিনি বলেন, বাংলাদেশে অটিজম নিয়ে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি একটি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন। এই যোগ্যতার বিষয়টি তিনি ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুসকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন।

জানুয়ারিতে নতুন নির্বাচন

এর আগে দুটি সূত্র জানিয়েছিল, পুতুলকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদ থেকে সরানোর পরিকল্পনা করছিল ডব্লিউএইচও। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাদের একজন জানিয়েছেন, আগামী ১২ অক্টোবর ওই পদের জন্য মনোনয়ন ঘোষণা করা হবে। এরপর ডিসেম্বরে আবেদন যাচাই–বাছাই করা হবে। আগামী ২৪ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক পরিচালকেরা বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী স্বাস্থ্যনীতি নির্ধারক হিসেবে বিবেচিত হন। রোগের প্রাদুর্ভাব ও জরুরি পরিস্থিতিতে সাড়া দেওয়া তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। স্থানীয় পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডব্লিউএইচওর নীতি বাস্তবায়নও তাদের দায়িত্বের অংশ।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সদস্যদেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ও ভারত রয়েছে। সদস্যদেশগুলো প্রতি পাঁচ বছর পর আঞ্চলিক পরিচালক নির্বাচন করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জালিয়াতি-অনিয়মের অভিযোগের পর ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন পুতুল

আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জালিয়াতি-অনিয়মের অভিযোগের তদন্তের মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তিনি গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনার মেয়ে। বুধবার ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুসের কাছে পদত্যাগপত্র দেন সায়মা ওয়াজেদ। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ওই পদত্যাগপত্র দেখেছে।

চীন সফরকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়ম এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত করছে ডব্লিউএইচও। এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পুতুল।২০২৩ সালের নভেম্বরে ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সদস্যদেশগুলোর ভোটে আঞ্চলিক পরিচালক নির্বাচিত হন পুতুল। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাঁচ বছরের জন্য তিনি দায়িত্ব নেন।

এরপর ২০২৪ সালের জুলাইয়ে গণ–অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে পুতুলের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির তদন্ত শুরু হয়। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এসব তদন্ত শুরু হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে পুতুলকে প্রথম অবৈতনিক ছুটিতে পাঠায় ডব্লিউএইচও। বুধবার পর্যন্ত তিনি ওই ছুটিতেই ছিলেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর এর যে প্রভাব পড়েছে, পুতুলের পদত্যাগ তার সর্বশেষ দৃষ্টান্ত। শেখ হাসিনার অনেক মিত্রের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ফৌজদারি মামলা হয়েছে। অনেকে আবার শেখ হাসিনার মতো স্বেচ্ছানির্বাসনে আছেন।

চলতি বছরের ৩ জুলাই ডব্লিউএইচওকে দেওয়া এক চিঠিতে পুতুলের আইনজীবীরা জানান, চীন সফরের সঙ্গে সম্পর্কিত আর্থিক প্রতারণা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ এনেছে সংস্থাটি। পুতুলের পদত্যাগপত্রে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে একটি জমির প্লট অবৈধভাবে অধিগ্রহণের অভিযোগও করেছে ডব্লিউএইচও।

তবে পুতুলের দাবি, ডব্লিউএইচওতে যোগ দেওয়ার আগেই তিনি ওই জমি অধিগ্রহণ করেছিলেন। শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য একটি আইনের আওতায় তিনি ওই জমির অধিকারী ছিলেন বলেও উল্লেখ করেছেন।

‘আস্থা ও বিশ্বাস হারিয়ে গেছে’

বুধবার রাতে তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুসের কাছে পাঠানো পদত্যাগপত্রে পুতুল লিখেছেন, ‘আমি আমার অঞ্চলের দেশগুলোর সেবা করার জন্য আঞ্চলিক পরিচালক পদে নির্বাচিত হয়েছিলাম, যা আমি আন্তরিকতার সঙ্গে করে এসেছি।’ তিনি আরো লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনি দায়িত্ব কার্যকরভাবে পালন করতে আমাকে বাধা দিয়ে চলেছেন, তাই ডব্লিউএইচওর নেতৃত্বের ওপর আমার সব আস্থা ও বিশ্বাস হারিয়ে গেছে।’

পুতুল বলেন, তাকে বেতন ছাড়া ছুটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্তের পর প্রায় এক বছর কোনো পারিশ্রমিক পাননি। এতে তার আর্থিক পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ বিষয়ে পুতুল আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ডব্লিউএইচওও তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি। গত মাসে সংস্থাটি জানিয়েছিল, পুতুল ছুটিতে আছেন। তবে গোপনীয়তা বজায় রাখার স্বার্থে তার বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল ডব্লিউএইচও।

অভিযোগ অস্বীকার

জুলাইয়ে ডব্লিউএইচওকে দেওয়া চিঠিতে ভ্রমণসংক্রান্ত আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেন পুতুল। তার আইনজীবীদের মাধ্যমে দেওয়া ওই চিঠিতে বলা হয়, নিয়মিত ভ্রমণ খরচ ফেরত পাওয়ার আবেদন প্রক্রিয়া করতে গিয়ে একজন সহকারীর প্রশাসনিক ভুলের কারণে বিষয়টি ঘটেছে। অর্থের পরিমাণ ছিল ৯০১ ডলার।

শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে অভিযোগের বিষয়েও নিজের অবস্থান জানান পুতুল। তিনি বলেন, বাংলাদেশে অটিজম নিয়ে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি একটি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন। এই যোগ্যতার বিষয়টি তিনি ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুসকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন।

জানুয়ারিতে নতুন নির্বাচন

এর আগে দুটি সূত্র জানিয়েছিল, পুতুলকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদ থেকে সরানোর পরিকল্পনা করছিল ডব্লিউএইচও। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাদের একজন জানিয়েছেন, আগামী ১২ অক্টোবর ওই পদের জন্য মনোনয়ন ঘোষণা করা হবে। এরপর ডিসেম্বরে আবেদন যাচাই–বাছাই করা হবে। আগামী ২৪ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক পরিচালকেরা বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী স্বাস্থ্যনীতি নির্ধারক হিসেবে বিবেচিত হন। রোগের প্রাদুর্ভাব ও জরুরি পরিস্থিতিতে সাড়া দেওয়া তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। স্থানীয় পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডব্লিউএইচওর নীতি বাস্তবায়নও তাদের দায়িত্বের অংশ।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সদস্যদেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ও ভারত রয়েছে। সদস্যদেশগুলো প্রতি পাঁচ বছর পর আঞ্চলিক পরিচালক নির্বাচন করে।