রাজশাহীতে রাতভর বৃষ্টি: জলাবদ্ধতায় নগনর জীবন অতিষ্ঠ
- আপডেট সময় : ১০:৪৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫৩ বার পড়া হয়েছে
আল-ইমরান: বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে রাজশাহী মহানগরী। গত রাতের ভারি বর্ষনে চরম জলাবদ্ধতা তৈরী হয়েছে নগর জুড়ে। তলিয়ে গেছে শহরের গুরুত্বপূর্ন সড়ক ও অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকা। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় নগরীর জিরো পয়েন্ট, বর্নালীর মোড়, উপশহর, রাজশাহী কোর্ট, তেরোখাদিয়া মহিলা ক্রিড়া কমপ্লেক্স থেকে বহরমপুর সবত্রই পানি থই থই করছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজের জরুরী বিভাগ ও বহি: বিভাগের সামনেও জমেছে হাটু পানি। চরম জলাবদ্ধতার মধ্যেই রোগি নিয়ে ছুটতে দেখা যায় স্বজনদের।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে হওয়া বৃষ্টিতে চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ ৯৯ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। টানা বৃষ্টির কারনে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে নগরীর নতনি বিলশিমলা, তেরোখাদিয়া স্টেডিয়াম পশ্চিম পাড়া, খিচড়ি পাড়া, বহরমপুর, দাশপুকুরসহ আশেপাশের মহল্লার মানুষ।
অতি বৃষ্টির কারনে পয়নিষ্কাষন ডেনে ভর্তি হয়ে সড়কের প্রায় দেড় ফুট উচুঁ দিয়ে পানির স্রোত শুরু হয়েছে। এই এলাকার শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে অফিসগামী ও খেটে খাওয়া মানুষদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। এই রাস্তাগুলোতে গাড়ি চলাচল নেই বললেই চলে। অন্যদিকে গুটিকয়েক রিকসা ও অটোর দেখা মিললেও অতিরিক্ত পানির কারনে তা অকেজো হয়ে পড়ছে।
এ দিকে ভারি বৃষ্টির কারনে গ্রাম থেকে রাজশাহীতে কাজের সন্ধানে আসতে পারেনি খেটে খাওয়া মানুষ। প্রতিদিন নগরীর রেলগেট, ভদ্রার মোড় ও তালাইমারী এলাকায় সকাল ৯টাতেও দেখা মেলেনি দিনমজুড়দের। জলাবদ্ধাতার কারনে নগরীর ফুটপাতে ব্যবসা পরিচালনাকারীদের মাথায় হাত পড়েছে। এ ছাড়াও পানিতে আটকে পড়ে উল্লেখযোগ্য মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা অকেজো হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে নগরীর খিচড়ি পাড়ার সিরাজুল ইসলাম বলেন, মাঝ রাত থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। ভোর বেলাতে এতো বর্ষন হয়েছে যে, ড্রেন তলিয়ে রাস্তার উপর দিয়ে স্রোত গড়েছে। একন আমাদের পাড়াতে প্রায় ২০ থেকে ৩০টি বাড়ির মধ্যে পানি ডুকেছে।
রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে আসা রবিউল ইসলাম বলেন, আমাদের সিটি করপোরেশন এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা অনেক সমস্যা আছে। তারা চেষ্টা করছে সমাধানের কিন্তু আরো ভালো করে গুরুত্ব দেয়া দরকার। না হলে আমাদের এভাবেই পানির নিচে ডুবতে হবে।



















