ঢাকা ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াত আমীরের কার্টুন ছবি পোস্ট করলেন ড. ফয়জুল হক: নেট দুনিয়ায় মুহুর্তেই ভাইরাল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৩:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৬৭ বার পড়া হয়েছে
প্রসঙ্গ অনলাইন: বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী’র আমীর ডাক্তার শফিকুর রহমানের একটি কার্টুন ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন ড. ফয়জুল হক। তাঁর এই পোস্টটি মুহুর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। তিনি তাঁর ফেসবুক আইডিতে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমীর সম্পর্কে  যা লিখেছিলেন পাঠকের সুবিধার্থে তা হুবহু তুলেধরা হলো।
ডাক্তার শফিকুর রহমান সাহেবের এই ছবিটাকে আমি পজিটিভলি নিচ্ছি। যেভাবে তাকে এখানে উপস্থাপিত করা হয়েছে, তার মাধ্যমে তারা প্রকাশ করতে চাচ্ছেন যে ডাক্তার শফিকুর রহমান সাহেবের পররাষ্ট্রনীতি ও কূটনৈতিক জ্ঞান আজ বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছে।
তিনি যেভাবে দুর্দান্ত গতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে আনতে সক্ষম হয়েছেন, তা গত ৫৪ বছরের ইতিহাসে কোনো সময়ের জন্যই সম্ভব হয়নি। ৫৪ বছরের জামায়াতে ইসলামীর ত্যাগ এবং জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের অবদানকে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য যে মানুষটি নিরলসভাবে কাজ করছেন, তিনি হচ্ছেন ডাক্তার শফিকুর রহমান।
জাতীয় মহাসমাবেশে কয়েক সেকেন্ডের জন্য হার্ট ফেল করা লোকটিও যখন উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে দৃঢ়চিত্তে বক্তব্য রেখে দেশবাসীকে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের বার্তা দিয়েছিলেন, তখনই বোঝা গিয়েছিল—ডাক্তার শফিকুর রহমান সত্যিই সকলের চেয়ে ভিন্ন একজন মানুষ।
একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে—একটি দেশকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিতে হলে শুধুমাত্র নিজেদের লোকজন দিয়েই সম্ভব নয়; বরং উন্মুক্ত চিন্তা করে যত বেশি বহির্বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করা যাবে, ততই এই দেশের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। আমরা অনেক কিছুর জন্য বিভিন্ন দেশের ওপর নির্ভরশীল। কোনো অবস্থাতেই অস্বীকার করার উপায় নেই যে, বিদেশি শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতা ছাড়া আমরা এগিয়ে যেতে পারব না। বরং সকল দেশের মানুষ ও রাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক থাকতে হবে আত্মমর্যাদার ভিত্তিতে—’গিভ অ্যান্ড টেক’ এই মানসিকতার ভিত্তিতে।
গত ৫ই আগস্টের পর থেকে আমরা একটি বিষয় খুব লক্ষ্য করে দেখছি, আর তা হলো—পৃথিবীর বিভিন্ন শক্তিধর রাষ্ট্র বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে জানতে চায়, শিখতে চায়, দেখতে চায় এবং বুঝতে চায়। বাংলাদেশে এমন কোনো রাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত নেই, যারা ডাক্তার শফিকুর রহমান সাহেবের সঙ্গে অন্তত একবার হলেও সাক্ষাৎ করেননি। বিভিন্ন দেশের উচ্চপদস্থ রাষ্ট্রীয় মেহমানগণ ডাক্তার শফিকুর রহমান সাহেবকে কাছে টেনে নিয়েছেন, তাকে জানার চেষ্টা করেছেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে দেশে-বিদেশে বিভিন্ন সময়ে হওয়া মিথ্যাচারের খুব সুকৌশলে জবাব দিয়েছেন ডাক্তার শফিকুর রহমান। জামায়াত যে একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র কায়েম করতে চায়, সকল ধর্ম ও পেশার মানুষকে নিয়ে দুর্নীতি ও দুষ্কৃতিমুক্ত একটি সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়—তা গত কয়েক মাসে ডাক্তার শফিকুর রহমানের কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে আমার বিশ্বাস।
দিন দিন বিভিন্ন দেশ-বিদেশের শক্তিধর মানুষগুলো ডাক্তার শফিকুর রহমানের ওপর আস্থা রাখতে শুরু করেছে। বাংলাদেশের বর্তমান সময়ে তিনি বিরোধী দলের নেতার আসনে থাকলেও, আমার কাছে মনে হয় তিনি ইরানের সর্বোচ্চ সুপ্রিম লিডারের মতো একটি প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছেন। তাকে বাইপাস করে এমনকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও চলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না।
রাজনীতিতে বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা থাকলেও, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানও বিশ্বাস করেন যে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি। তাই যেকোনো বিষয়ে তার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করতেও তিনি দ্বিধাবোধ করেন না।
আমার ধারণা, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে চান না। বরং তিনি মনে করেন, রাজনীতির পালাবদলে জামায়াত ক্ষমতায় এলেও বিএনপি তাদের কাছে নিরাপদ থাকবে। সে কারণেই আমার কাছে মনে হচ্ছে—সম্পর্কটা যাচ্ছে একটু শীতলতার দিকে, এবং এই শীতল সম্পর্ক ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে।
এই শীতলতম সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে যার অবদান স্বীকার করতে হবে, তিনি হচ্ছেন ডাক্তার শফিকুর রহমান। তিনি যেন একজন অভিভাবকের মতো পুরো রাজনৈতিক পরিবেশকে আগলে রেখে বিষয়গুলো সুন্দরভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
এই ছবিতে তার সারা গায়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানচিত্রের প্রতীকী উপস্থাপন প্রমাণ করে—ডাক্তার শফিকুর রহমান দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে সমগ্র পৃথিবীময় তার কর্ম ও আদর্শ ছড়িয়ে দিয়েছেন। তার এই ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বই আজ জামায়াতে ইসলামীকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে।
যারা এই ধরনের নেতৃত্বের সমালোচনা করেন, আমার মনে হয় তারা রাজনীতি সম্পর্কে ভুল ধারণা পোষণ করেন। বাংলাদেশের বহুমাত্রিক রাজনীতিতে টিকে থাকতে হলে ডাক্তার শফিকুর রহমান যা করছেন, তা আরও বহু বছর আগ থেকেই চর্চা করা দরকার ছিল। কিন্তু এখন যে চর্চা শুরু হয়েছে, এটি যদি ধারাবাহিকভাবে ধরে রেখে সামনের পথ অতিক্রম করা যায়, তাহলে জামায়াত বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিধর রাজনৈতিক দলে পরিণত হবে এবং ক্ষমতায় আসবে—এ ব্যাপারে আমার কোনো সন্দেহ নেই।
জামায়াতকে যেভাবে জামায়াতবিরোধীরা অনুধাবন করতে পারছে, ততটুকু যদি আমরা নিজেরাও অনুধাবন করে বিশ্বাস স্থাপন করতে পারি, তাহলেই জামায়াত আরও এগিয়ে যেতে পারবে।
ডাক্তার শফিকুর রহমান এখন আর শুধু একজন জাতীয় নেতা নন; বরং তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের পর্যায়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন—এটাই আমার মূল্যায়ন। তার তুলনা তিনি নিজেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জামায়াত আমীরের কার্টুন ছবি পোস্ট করলেন ড. ফয়জুল হক: নেট দুনিয়ায় মুহুর্তেই ভাইরাল

আপডেট সময় : ১১:৪৩:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
প্রসঙ্গ অনলাইন: বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী’র আমীর ডাক্তার শফিকুর রহমানের একটি কার্টুন ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন ড. ফয়জুল হক। তাঁর এই পোস্টটি মুহুর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। তিনি তাঁর ফেসবুক আইডিতে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমীর সম্পর্কে  যা লিখেছিলেন পাঠকের সুবিধার্থে তা হুবহু তুলেধরা হলো।
ডাক্তার শফিকুর রহমান সাহেবের এই ছবিটাকে আমি পজিটিভলি নিচ্ছি। যেভাবে তাকে এখানে উপস্থাপিত করা হয়েছে, তার মাধ্যমে তারা প্রকাশ করতে চাচ্ছেন যে ডাক্তার শফিকুর রহমান সাহেবের পররাষ্ট্রনীতি ও কূটনৈতিক জ্ঞান আজ বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছে।
তিনি যেভাবে দুর্দান্ত গতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে আনতে সক্ষম হয়েছেন, তা গত ৫৪ বছরের ইতিহাসে কোনো সময়ের জন্যই সম্ভব হয়নি। ৫৪ বছরের জামায়াতে ইসলামীর ত্যাগ এবং জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের অবদানকে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য যে মানুষটি নিরলসভাবে কাজ করছেন, তিনি হচ্ছেন ডাক্তার শফিকুর রহমান।
জাতীয় মহাসমাবেশে কয়েক সেকেন্ডের জন্য হার্ট ফেল করা লোকটিও যখন উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে দৃঢ়চিত্তে বক্তব্য রেখে দেশবাসীকে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের বার্তা দিয়েছিলেন, তখনই বোঝা গিয়েছিল—ডাক্তার শফিকুর রহমান সত্যিই সকলের চেয়ে ভিন্ন একজন মানুষ।
একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে—একটি দেশকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিতে হলে শুধুমাত্র নিজেদের লোকজন দিয়েই সম্ভব নয়; বরং উন্মুক্ত চিন্তা করে যত বেশি বহির্বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করা যাবে, ততই এই দেশের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। আমরা অনেক কিছুর জন্য বিভিন্ন দেশের ওপর নির্ভরশীল। কোনো অবস্থাতেই অস্বীকার করার উপায় নেই যে, বিদেশি শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতা ছাড়া আমরা এগিয়ে যেতে পারব না। বরং সকল দেশের মানুষ ও রাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক থাকতে হবে আত্মমর্যাদার ভিত্তিতে—’গিভ অ্যান্ড টেক’ এই মানসিকতার ভিত্তিতে।
গত ৫ই আগস্টের পর থেকে আমরা একটি বিষয় খুব লক্ষ্য করে দেখছি, আর তা হলো—পৃথিবীর বিভিন্ন শক্তিধর রাষ্ট্র বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে জানতে চায়, শিখতে চায়, দেখতে চায় এবং বুঝতে চায়। বাংলাদেশে এমন কোনো রাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত নেই, যারা ডাক্তার শফিকুর রহমান সাহেবের সঙ্গে অন্তত একবার হলেও সাক্ষাৎ করেননি। বিভিন্ন দেশের উচ্চপদস্থ রাষ্ট্রীয় মেহমানগণ ডাক্তার শফিকুর রহমান সাহেবকে কাছে টেনে নিয়েছেন, তাকে জানার চেষ্টা করেছেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে দেশে-বিদেশে বিভিন্ন সময়ে হওয়া মিথ্যাচারের খুব সুকৌশলে জবাব দিয়েছেন ডাক্তার শফিকুর রহমান। জামায়াত যে একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র কায়েম করতে চায়, সকল ধর্ম ও পেশার মানুষকে নিয়ে দুর্নীতি ও দুষ্কৃতিমুক্ত একটি সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়—তা গত কয়েক মাসে ডাক্তার শফিকুর রহমানের কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে আমার বিশ্বাস।
দিন দিন বিভিন্ন দেশ-বিদেশের শক্তিধর মানুষগুলো ডাক্তার শফিকুর রহমানের ওপর আস্থা রাখতে শুরু করেছে। বাংলাদেশের বর্তমান সময়ে তিনি বিরোধী দলের নেতার আসনে থাকলেও, আমার কাছে মনে হয় তিনি ইরানের সর্বোচ্চ সুপ্রিম লিডারের মতো একটি প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছেন। তাকে বাইপাস করে এমনকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও চলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না।
রাজনীতিতে বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা থাকলেও, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানও বিশ্বাস করেন যে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি। তাই যেকোনো বিষয়ে তার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করতেও তিনি দ্বিধাবোধ করেন না।
আমার ধারণা, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে চান না। বরং তিনি মনে করেন, রাজনীতির পালাবদলে জামায়াত ক্ষমতায় এলেও বিএনপি তাদের কাছে নিরাপদ থাকবে। সে কারণেই আমার কাছে মনে হচ্ছে—সম্পর্কটা যাচ্ছে একটু শীতলতার দিকে, এবং এই শীতল সম্পর্ক ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে।
এই শীতলতম সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে যার অবদান স্বীকার করতে হবে, তিনি হচ্ছেন ডাক্তার শফিকুর রহমান। তিনি যেন একজন অভিভাবকের মতো পুরো রাজনৈতিক পরিবেশকে আগলে রেখে বিষয়গুলো সুন্দরভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
এই ছবিতে তার সারা গায়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানচিত্রের প্রতীকী উপস্থাপন প্রমাণ করে—ডাক্তার শফিকুর রহমান দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে সমগ্র পৃথিবীময় তার কর্ম ও আদর্শ ছড়িয়ে দিয়েছেন। তার এই ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বই আজ জামায়াতে ইসলামীকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে।
যারা এই ধরনের নেতৃত্বের সমালোচনা করেন, আমার মনে হয় তারা রাজনীতি সম্পর্কে ভুল ধারণা পোষণ করেন। বাংলাদেশের বহুমাত্রিক রাজনীতিতে টিকে থাকতে হলে ডাক্তার শফিকুর রহমান যা করছেন, তা আরও বহু বছর আগ থেকেই চর্চা করা দরকার ছিল। কিন্তু এখন যে চর্চা শুরু হয়েছে, এটি যদি ধারাবাহিকভাবে ধরে রেখে সামনের পথ অতিক্রম করা যায়, তাহলে জামায়াত বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিধর রাজনৈতিক দলে পরিণত হবে এবং ক্ষমতায় আসবে—এ ব্যাপারে আমার কোনো সন্দেহ নেই।
জামায়াতকে যেভাবে জামায়াতবিরোধীরা অনুধাবন করতে পারছে, ততটুকু যদি আমরা নিজেরাও অনুধাবন করে বিশ্বাস স্থাপন করতে পারি, তাহলেই জামায়াত আরও এগিয়ে যেতে পারবে।
ডাক্তার শফিকুর রহমান এখন আর শুধু একজন জাতীয় নেতা নন; বরং তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের পর্যায়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন—এটাই আমার মূল্যায়ন। তার তুলনা তিনি নিজেই।