ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের বিদায় সংবর্ধনা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২২:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬ ৪৪ বার পড়া হয়েছে

প্রসঙ্গ অনলাইন: রাজশাহী কলেজ বাংলা বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. শিখা সরকার- এর বিদায় সংবর্ধনা এবং অধ্যাপক আফসার আলী মেধাবৃত্তি প্রদান কৃতী শিক্ষাথী সংবর্ধনা আয়োজিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা রাজশাহী কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইব্রাহীম আলী বলেন, আমাদের শিক্ষক হিসেবে মূল্যায়ন তখনই হয় যখন শিক্ষার্থীরা মূল্যায়ন করে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শিখা ম্যাডামের বিষয়ে যে কথাগুলো শুনলাম শুনে মনে হলো অরণ্য। অরণ্য বললাম এই কারণে কারণ ইনি শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে গেঁথে আছেন। এই বিদায় যেমন আনন্দের তেমনি শিক্ষার্থীদের কাছে কষ্টের শুধু শিক্ষার্থীদের কাছেই নয় শিক্ষকদের কাছেও কষ্টের। ম্যাডাম কখনো কোন শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করেননি। বাংলা বিভাগ কি একটা জিনিস হারিয়েছে সেটা তারা এখন বুঝতে পারবে না সময়ের সাথে সাথে ঠিকই বুঝতে পারবে। ম্যাডামের সাথে আমার অনেক স্মৃতি আছে এবং কথা আছে। উনার নেতৃত অসাধারণ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কলেজ উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আবু মো. ইউনুছ আলী বলেন, প্রফেসর ড. শিখা সরকারের আমি বিদায় বলব না এটা স্মৃতিচারণ কারণ একজনের শিক্ষকের মৃত্যু নেই তাই তাদেরকে বিদায় দেওয়া যায় না।শিখা ম্যামের সম্পর্কে যত বলব ততই কম হবে। আমি একটি প্রোগ্রামে শিখা ম্যামের বক্তব্য শুনছিলাম উনার বক্তব্য আমি তন্ময় হয়ে শুনছিলাম মানুষ এত সুন্দর করে কথা বলতে পারে। উনি একজন পারফেক্ট টিচার। তিনি আলোকিত করেছেন রাজশাহী কলেজ কে, বাংলা বিভাগকে এবং সামনের দিনে আলোকিত করবে রাজশাহী নিউ ডিগ্রী কলেজ কেও। শিখা ম্যাডাম নিজের জীবনের শিক্ষকতা জীবনে সার্থক। উনার ভবিষ্যতের জন্য অনেক শুভকামনা রইল।

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর ড.মো হাবিবুর রহমান,
অনুষ্ঠানটির সভাপতি ও বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মোসা : তাসলিমা খাতুন এবং বাংলা বিভাগের প্রাত্তন বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. শিখা সরকার। এ ছাড়াও এ সময় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী সহ বাংলা বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের বিদায় সংবর্ধনা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

আপডেট সময় : ০৩:২২:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

প্রসঙ্গ অনলাইন: রাজশাহী কলেজ বাংলা বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. শিখা সরকার- এর বিদায় সংবর্ধনা এবং অধ্যাপক আফসার আলী মেধাবৃত্তি প্রদান কৃতী শিক্ষাথী সংবর্ধনা আয়োজিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা রাজশাহী কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইব্রাহীম আলী বলেন, আমাদের শিক্ষক হিসেবে মূল্যায়ন তখনই হয় যখন শিক্ষার্থীরা মূল্যায়ন করে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শিখা ম্যাডামের বিষয়ে যে কথাগুলো শুনলাম শুনে মনে হলো অরণ্য। অরণ্য বললাম এই কারণে কারণ ইনি শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে গেঁথে আছেন। এই বিদায় যেমন আনন্দের তেমনি শিক্ষার্থীদের কাছে কষ্টের শুধু শিক্ষার্থীদের কাছেই নয় শিক্ষকদের কাছেও কষ্টের। ম্যাডাম কখনো কোন শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করেননি। বাংলা বিভাগ কি একটা জিনিস হারিয়েছে সেটা তারা এখন বুঝতে পারবে না সময়ের সাথে সাথে ঠিকই বুঝতে পারবে। ম্যাডামের সাথে আমার অনেক স্মৃতি আছে এবং কথা আছে। উনার নেতৃত অসাধারণ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কলেজ উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আবু মো. ইউনুছ আলী বলেন, প্রফেসর ড. শিখা সরকারের আমি বিদায় বলব না এটা স্মৃতিচারণ কারণ একজনের শিক্ষকের মৃত্যু নেই তাই তাদেরকে বিদায় দেওয়া যায় না।শিখা ম্যামের সম্পর্কে যত বলব ততই কম হবে। আমি একটি প্রোগ্রামে শিখা ম্যামের বক্তব্য শুনছিলাম উনার বক্তব্য আমি তন্ময় হয়ে শুনছিলাম মানুষ এত সুন্দর করে কথা বলতে পারে। উনি একজন পারফেক্ট টিচার। তিনি আলোকিত করেছেন রাজশাহী কলেজ কে, বাংলা বিভাগকে এবং সামনের দিনে আলোকিত করবে রাজশাহী নিউ ডিগ্রী কলেজ কেও। শিখা ম্যাডাম নিজের জীবনের শিক্ষকতা জীবনে সার্থক। উনার ভবিষ্যতের জন্য অনেক শুভকামনা রইল।

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর ড.মো হাবিবুর রহমান,
অনুষ্ঠানটির সভাপতি ও বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মোসা : তাসলিমা খাতুন এবং বাংলা বিভাগের প্রাত্তন বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. শিখা সরকার। এ ছাড়াও এ সময় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী সহ বাংলা বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।