ঢাকা ০১:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ৫০ বার পড়া হয়েছে
স্পোর্টস ডেস্ক: চলমান ফিফা বিশ্বকাপে হার দিয়ে শুরু করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় ম্যাচে চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে ড্রয়ের পর কিছুটা স্বস্তি ফেরে দলটিতে। তবে নকআউটে জায়গা করে নিতে শেষ ম্যাচে শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে জয়ের বিকল্প ছিল না তাদের। তবে শেষ পর্যন্ত সব হিসেব-নিকেশ আর পরিসংখ্যানকে পাত্তা দেয়নি দলটি। দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিল বাফানা বাফানা।

মেক্সিকোর গুয়াদালুপেতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে জয় এনে দেয় থাপেলো মাসেকোর একমাত্র গোল। ৬৩তম মিনিটে শেপাং মোরেমির নিখুঁত ক্রসে বল জালে পাঠান তিনি। সেই এক গোলই বদলে দেয় গ্রুপ ‘এ’-এর চিত্র।

ম্যাচ শেষে ৩ ম্যাচে এক জয়, এক ড্র ও এক হারের পর ৪ পয়েন্ট নিয়ে মেক্সিকোর পেছনে থেকে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে দক্ষিণ আফ্রিকা। গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে পরবর্তী রাউন্ডে ওঠে মেক্সিকো। আগামী রোববার ক্যালিফোর্নিয়ার ইঙ্গেলউডে নকআউট পর্বে মাঠে নামবে দক্ষিণ আফ্রিকা। বি গ্রুপের রানার্সআপ কানাডার বিপক্ষে তাদের সামনে এবার নতুন চ্যালেঞ্জ।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে আগে তিনবার (১৯৯৮, ২০০২ ও ২০১০) খেললেও কখনোই গ্রুপ পর্বের বাধা পেরোতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার প্রথমবারের মতো সেই গণ্ডি ভেঙে তারা পা রাখল শেষ ষোলোয়।

অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল উল্টো পথে। চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও ২-১ ব্যবধানে জয়ের মাধ্যমে দারুণভাবে টুর্নামেন্ট শুরু করে তারা। তবে পরের ম্যাচে মেক্সিকোর কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরে যায়।

২০০২ সালের ঐতিহাসিক আসরে সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়া—যা এখনো কোনো এশিয়ান দলের সেরা সাফল্য। এরপর ২০০২ ও ২০১০ বিশ্বকাপে তারা শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
স্পোর্টস ডেস্ক: চলমান ফিফা বিশ্বকাপে হার দিয়ে শুরু করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় ম্যাচে চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে ড্রয়ের পর কিছুটা স্বস্তি ফেরে দলটিতে। তবে নকআউটে জায়গা করে নিতে শেষ ম্যাচে শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে জয়ের বিকল্প ছিল না তাদের। তবে শেষ পর্যন্ত সব হিসেব-নিকেশ আর পরিসংখ্যানকে পাত্তা দেয়নি দলটি। দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিল বাফানা বাফানা।

মেক্সিকোর গুয়াদালুপেতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে জয় এনে দেয় থাপেলো মাসেকোর একমাত্র গোল। ৬৩তম মিনিটে শেপাং মোরেমির নিখুঁত ক্রসে বল জালে পাঠান তিনি। সেই এক গোলই বদলে দেয় গ্রুপ ‘এ’-এর চিত্র।

ম্যাচ শেষে ৩ ম্যাচে এক জয়, এক ড্র ও এক হারের পর ৪ পয়েন্ট নিয়ে মেক্সিকোর পেছনে থেকে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে দক্ষিণ আফ্রিকা। গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে পরবর্তী রাউন্ডে ওঠে মেক্সিকো। আগামী রোববার ক্যালিফোর্নিয়ার ইঙ্গেলউডে নকআউট পর্বে মাঠে নামবে দক্ষিণ আফ্রিকা। বি গ্রুপের রানার্সআপ কানাডার বিপক্ষে তাদের সামনে এবার নতুন চ্যালেঞ্জ।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে আগে তিনবার (১৯৯৮, ২০০২ ও ২০১০) খেললেও কখনোই গ্রুপ পর্বের বাধা পেরোতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার প্রথমবারের মতো সেই গণ্ডি ভেঙে তারা পা রাখল শেষ ষোলোয়।

অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল উল্টো পথে। চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও ২-১ ব্যবধানে জয়ের মাধ্যমে দারুণভাবে টুর্নামেন্ট শুরু করে তারা। তবে পরের ম্যাচে মেক্সিকোর কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরে যায়।

২০০২ সালের ঐতিহাসিক আসরে সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়া—যা এখনো কোনো এশিয়ান দলের সেরা সাফল্য। এরপর ২০০২ ও ২০১০ বিশ্বকাপে তারা শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেয়।