ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী নগরীতে ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে: রাসিক প্রশাসক রাবিতে শহীদ হবিবুর রহমান ও সুখরঞ্জন সমাদ্দারের অন্তর্ধান দিবস পালিত মধ্যপ্রাচ্যে এতো তেল আসলো কোথা থেকে? জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার রাজশাহীর কৃষকদল নেতার ট্রাম্পকে সরাতে জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে কমিশন গঠনের প্রস্তাব পুলিশ গুলি করলে তায়িম মা মা বলে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে: ট্রাইব্যুনালে শহীদ তায়িমের বাবা ময়নাল হোসেন   রাজশাহীতে চিকিৎসকদের অতিরিক্ত ফি নিয়ন্ত্রণে ৬ দফা দাবিতে স্মারকলিপি বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন ইসলামী সভ্যতা বিরোধী রাজশাহীতে ঘুড়ি উৎসবে রাজনৈতিক নেতাদের মিলনমেলা ইরানের সঙ্গে পুনরায় আলোচনা শুরুর ঘোষণা ট্রাম্পের, বিশ্ববাজারে ডলারের দরপতন

আন্দামান সাগরে নৌকাডুবি, বাংলাদেশিসহ নিখোঁজ ২৫০

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৩:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আন্দামান সাগরে একটি নৌকাডুবির ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৫০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি নাগরিকরাও রয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। এই বিপজ্জনক যাত্রাপথে আন্দামান সাগর ক্রমাগত মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে।

মঙ্গলবার ইউএনএইচসিআর ও আইওএমের এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, প্রাথমিক তথ্য থেকে জানা গেছে; ট্রলারটি বিপুল সংখ্যক যাত্রী নিয়ে বাংলাদেশের টেকনাফ থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। অতিরিক্ত যাত্রী, প্রবল বাতাস এবং উত্তাল সমুদ্রের কারণে জাহাজটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়। তবে নিখোঁজদের উদ্ধার প্রচেষ্টা এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্যভাবে শুরু হয়নি।

বিবৃতিকে আরও বলা হয়েছে, এই ঘটনাটি রোহিঙ্গা জনগণের দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতি এবং টেকসই সমাধানের অভাবকেই প্রতিফলিত করে। ইউএনএইচসিআর ও আইওএম উল্লেখ করেছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সহিংসতা তাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে আরও ম্লান করে দিয়েছে। শরণার্থী শিবিরগুলোতে সীমিত মানবিক সহায়তা এবং শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগে প্রতিবন্ধকতা ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

জাতিসংঘের সংস্থাগুলো আরও জানায়, ভুল তথ্য এবং পাচারকারী চক্রগুলো বিদেশে উচ্চ মজুরি ও উন্নত সুযোগের মিথ্যা প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে অনেককে এই বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রায় প্ররোচিত করছে। এতে আন্দামান সাগরে প্রায়ই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

একই সঙ্গে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জীবন রক্ষাকারী সহায়তা নিশ্চিত করতে অর্থায়ন ও সংহতি জোরদার করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইউএনএইচসিআর এবং আইওএম।

সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলেছে, সমন্বিত পদক্ষেপ ছাড়া এ ধরনের প্রাণঘাতী যাত্রা ও প্রাণহানি অব্যাহত থাকার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আন্দামান সাগরে নৌকাডুবি, বাংলাদেশিসহ নিখোঁজ ২৫০

আপডেট সময় : ০৩:১৩:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আন্দামান সাগরে একটি নৌকাডুবির ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৫০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি নাগরিকরাও রয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। এই বিপজ্জনক যাত্রাপথে আন্দামান সাগর ক্রমাগত মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে।

মঙ্গলবার ইউএনএইচসিআর ও আইওএমের এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, প্রাথমিক তথ্য থেকে জানা গেছে; ট্রলারটি বিপুল সংখ্যক যাত্রী নিয়ে বাংলাদেশের টেকনাফ থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। অতিরিক্ত যাত্রী, প্রবল বাতাস এবং উত্তাল সমুদ্রের কারণে জাহাজটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়। তবে নিখোঁজদের উদ্ধার প্রচেষ্টা এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্যভাবে শুরু হয়নি।

বিবৃতিকে আরও বলা হয়েছে, এই ঘটনাটি রোহিঙ্গা জনগণের দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতি এবং টেকসই সমাধানের অভাবকেই প্রতিফলিত করে। ইউএনএইচসিআর ও আইওএম উল্লেখ করেছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সহিংসতা তাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে আরও ম্লান করে দিয়েছে। শরণার্থী শিবিরগুলোতে সীমিত মানবিক সহায়তা এবং শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগে প্রতিবন্ধকতা ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

জাতিসংঘের সংস্থাগুলো আরও জানায়, ভুল তথ্য এবং পাচারকারী চক্রগুলো বিদেশে উচ্চ মজুরি ও উন্নত সুযোগের মিথ্যা প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে অনেককে এই বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রায় প্ররোচিত করছে। এতে আন্দামান সাগরে প্রায়ই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

একই সঙ্গে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জীবন রক্ষাকারী সহায়তা নিশ্চিত করতে অর্থায়ন ও সংহতি জোরদার করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইউএনএইচসিআর এবং আইওএম।

সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলেছে, সমন্বিত পদক্ষেপ ছাড়া এ ধরনের প্রাণঘাতী যাত্রা ও প্রাণহানি অব্যাহত থাকার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।