ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কারো গাড়ি কি তেলের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে: জ্বালানিমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬ ৯৯ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় ডেস্ক: দেশে তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, হঠাৎ করে তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল না নিলে সরবরাহ ঠিক থাকবে। দেশে তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। হঠাৎ করে বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ডিমান্ড অ্যান্ড সাপ্লাইয়ের মধ্যে একটা গ্যাপ তৈরি হয়েছে। ডিমান্ড বেড়ে গেছে। আমরা একইভাবে সাপ্লাই করতাম সে সাপ্লাই চলছে। ডিমান্ড বেড়ে গেল তো সেখানে তো একটু ক্রাইসিস হবে। ক্রাইসিস হচ্ছে, এটা তো এটা তো সাধারণ জ্ঞান।

কারো গাড়ি কি তেলের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে প্রশ্ন রেখে মন্ত্রী বলেন, সেটাও হয় নাই। ঈদের মধ্যে যে সবাই বাড়িতে গেল, কোনো বাস কি তেলের অভাবে বন্ধ হয়েছে? ঈদটা গেল কোনো তো অসুবিধা হয় নাই, তেলের জন্য কোনো অসুবিধা হইছে? তাহলে আমার মনে হয় যে, এখন কোনো অসুবিধা নাই। কিন্তু মানুষকে বোঝতে হবে। অকারণে মজুত করার কোনো দরকার নাই।

মন্ত্রী বলেন, সংকট তো আমরা তৈরি করি নাই। আমরা ইমপোর্ট করি। পৃথিবীতে একটা গোলমাল লেগেছে, সেজন্য সবাইকে তো সাশ্রয়ী হতে হবে। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়টি মন্ত্রণালয় দেখে না। সেটি এনার্জি কমিশন দেখে। আমরা এখনো দাম বাড়াইনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কারো গাড়ি কি তেলের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে: জ্বালানিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
জাতীয় ডেস্ক: দেশে তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, হঠাৎ করে তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল না নিলে সরবরাহ ঠিক থাকবে। দেশে তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। হঠাৎ করে বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ডিমান্ড অ্যান্ড সাপ্লাইয়ের মধ্যে একটা গ্যাপ তৈরি হয়েছে। ডিমান্ড বেড়ে গেছে। আমরা একইভাবে সাপ্লাই করতাম সে সাপ্লাই চলছে। ডিমান্ড বেড়ে গেল তো সেখানে তো একটু ক্রাইসিস হবে। ক্রাইসিস হচ্ছে, এটা তো এটা তো সাধারণ জ্ঞান।

কারো গাড়ি কি তেলের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে প্রশ্ন রেখে মন্ত্রী বলেন, সেটাও হয় নাই। ঈদের মধ্যে যে সবাই বাড়িতে গেল, কোনো বাস কি তেলের অভাবে বন্ধ হয়েছে? ঈদটা গেল কোনো তো অসুবিধা হয় নাই, তেলের জন্য কোনো অসুবিধা হইছে? তাহলে আমার মনে হয় যে, এখন কোনো অসুবিধা নাই। কিন্তু মানুষকে বোঝতে হবে। অকারণে মজুত করার কোনো দরকার নাই।

মন্ত্রী বলেন, সংকট তো আমরা তৈরি করি নাই। আমরা ইমপোর্ট করি। পৃথিবীতে একটা গোলমাল লেগেছে, সেজন্য সবাইকে তো সাশ্রয়ী হতে হবে। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়টি মন্ত্রণালয় দেখে না। সেটি এনার্জি কমিশন দেখে। আমরা এখনো দাম বাড়াইনি।