ঢাকা ১২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারী নির্যাতন বন্ধে বিচারব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো দরকার: নূরুন্নিসা সিদ্দীকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৮:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬ ১১৮ বার পড়া হয়েছে

প্রসঙ্গ অনলাইন: নারী নির্যাতন বন্ধে বিচার ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো দরকার বলে মনে করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা। তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধে দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যাল গঠনের জোর দাবি জানান। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রোববার বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সমাজ কল্যাণ বিভাগীয় সেক্রেটারি খন্দোকার আয়শা খাতুন। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য তালিমুল কুরআন বিভাগীয় সেক্রেটারি ইরানী আক্তার। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইন ও মানবসম্পদ বিভাগীয় সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য উম্মে খালেদা জাহান ও শিক্ষিকা ফাতিমা আক্তার হ্যাপি। এছাড়াও শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন হলি ফ্যামিলি মেডিকেল কলেজ হসপিটালের ফিজিয়োলোজি ডিপার্টমেন্টের হেড ডা. নাজনীন আক্তার, সাবেক কাউন্সিলর আমেনা বেগম।

জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগীয় সেক্রেটারি তার বক্তব্যে কিছু নারীবাদী সংগঠনের সমালোচনা করে বলেন, বোরকা পরা মুসলিম নারী সহিংসতার শিকার হলে তারা প্রতিবাদী হন না বরং নির্দিষ্ট শ্রেণির নারীদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেন। তিনি নারী ইস্যুতে সব নারীদের ঐক্যবদ্ধভাবে আওয়াজ তোলার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় মুখ্য বক্তা তার বক্তব্যে বলেন, নারীর ক্ষমতায়নের ভারসাম্য আনতে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন জরুরি। তিনি নারী নির্যাতনের তথ্য উল্লেখ করে আরো বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষাব্যবস্থাসহ সমাজের সকল ক্ষেত্রে অনৈতিক পরিবেশ নারীর প্রতি সহিংসতা বাড়াচ্ছে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি খন্দকার আয়শা সিদ্দীকা নারী অধিকার রক্ষায় সকল শ্রেণি-পেশার নারীদের সচেতনতা জরুরি বলে মন্তব্য করেন। আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদসহ রাজধানীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনার মাঝে আবৃত্তি করেন কাজী তাবাসসুম, সবশেষে দোয়া পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য রোজিনা আক্তার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মারজান হীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নারী নির্যাতন বন্ধে বিচারব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো দরকার: নূরুন্নিসা সিদ্দীকা

আপডেট সময় : ০৩:১৮:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

প্রসঙ্গ অনলাইন: নারী নির্যাতন বন্ধে বিচার ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো দরকার বলে মনে করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা। তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধে দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যাল গঠনের জোর দাবি জানান। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রোববার বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সমাজ কল্যাণ বিভাগীয় সেক্রেটারি খন্দোকার আয়শা খাতুন। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য তালিমুল কুরআন বিভাগীয় সেক্রেটারি ইরানী আক্তার। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইন ও মানবসম্পদ বিভাগীয় সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য উম্মে খালেদা জাহান ও শিক্ষিকা ফাতিমা আক্তার হ্যাপি। এছাড়াও শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন হলি ফ্যামিলি মেডিকেল কলেজ হসপিটালের ফিজিয়োলোজি ডিপার্টমেন্টের হেড ডা. নাজনীন আক্তার, সাবেক কাউন্সিলর আমেনা বেগম।

জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগীয় সেক্রেটারি তার বক্তব্যে কিছু নারীবাদী সংগঠনের সমালোচনা করে বলেন, বোরকা পরা মুসলিম নারী সহিংসতার শিকার হলে তারা প্রতিবাদী হন না বরং নির্দিষ্ট শ্রেণির নারীদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেন। তিনি নারী ইস্যুতে সব নারীদের ঐক্যবদ্ধভাবে আওয়াজ তোলার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় মুখ্য বক্তা তার বক্তব্যে বলেন, নারীর ক্ষমতায়নের ভারসাম্য আনতে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন জরুরি। তিনি নারী নির্যাতনের তথ্য উল্লেখ করে আরো বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষাব্যবস্থাসহ সমাজের সকল ক্ষেত্রে অনৈতিক পরিবেশ নারীর প্রতি সহিংসতা বাড়াচ্ছে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি খন্দকার আয়শা সিদ্দীকা নারী অধিকার রক্ষায় সকল শ্রেণি-পেশার নারীদের সচেতনতা জরুরি বলে মন্তব্য করেন। আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদসহ রাজধানীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনার মাঝে আবৃত্তি করেন কাজী তাবাসসুম, সবশেষে দোয়া পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য রোজিনা আক্তার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মারজান হীরা।