রাজশাহীতে দুই আসনে বিএনপির বাধা বিদ্রোহী, চারটিতে জামায়াত
- আপডেট সময় : ১০:৪০:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে
প্রসঙ্গ অনলািইন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে প্রার্থীরা এখনো আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেনি। এরই মধ্যে যতটুকু আলোচনা হচ্ছে, সেটুকুতে থাকছে বিএনপি-জামায়াতের লড়াই এবং স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থীদের নিয়ে। এর মধ্যে দুটি আসনে বিএনপির বড় বাধা দলের বিদ্রোহী প্রার্থী। বাকি চারটিতে জামায়াত রয়েছে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।
নির্বাচন কমিশন সূত্র মতে, জেলার ৬টি আসনে এখন পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গতকাল শনিবার পর্যন্ত টিকে আছেন ২২ জন প্রার্থী। এর মধ্যে বিএনপি-জামায়াতের রয়েছেন ১৪ জন। বাকিগুলো ইসলামী আন্দোলন, এবি পার্টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী।
রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে এখন পর্যন্ত চারজন প্রার্থী টিকে আছেন। তাঁরা হলেন, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দিন, জামায়াতের নায়েবে আমির মনোনীত অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও এবি পার্টির আব্দুর রহমান, আপিলে প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সুলতানুল ইসলাম তারেক।
গোদাগাড়ীর রিষিকুল এলাকার বাসিন্দা নাজমুল হোসেন বলেন, ‘বিদ্রোহী সুলতানুল তারেক প্রার্থীতা ফিরে পাওয়ায় এখানে বেকায়দায় পড়বেন বিএনপির প্রার্থী শরিফ উদ্দিন। একদিকে জামায়াতের শক্তিশালী প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান অন্যদিকে আরেক শক্তিশালী বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন সুলতানুল ইসলাম তারেক। সে ক্ষেত্রে শরিফ জয় পাওয়া আরও কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।’
রাজশাহী-৫ আসনে (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) চারজন প্রার্থী ছিলেন। তাঁরা হলেন, বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, জামায়াতের প্রার্থী মাও. মুনজুর রহমান এবং স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) ইশফা খায়রুল হক শিমুল ও ব্যারিস্ট্রার রেজাউল ইসলাম। আপিলে প্রার্থীতা ফিরে পাওয়ায় বিএনপির মনোনীত ও স্বতন্ত্র মিলে এখন প্রার্থী দাঁড়ালো তিনজনে। ফলে এখানেও বিএনপির মধ্যেই ত্রিমুখী লড়াইয়ে জামায়াতের অবস্থান শক্ত হয়ে যাবে বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা।
যদিও এ আসনে একেবারে শেষ মুহুর্তে এসে জামায়াত তাঁদের আগের মনোনীন প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটনকে পরিবর্তন করে অপেক্ষাকৃত দুর্বল মুনজুর রহমানকে মনোনয়ন দেয়। কিন্তু বিএনপির তিন প্রার্থী নির্বাচনে থাকলে বিপদে পড়ার সম্ভাবনায় বেশি থাকবে বলে জানিয়েছেন দুর্গাপুরের দাওকান্দি এলাকার আনছার আলী। তিনি বলেন, একই দলের তিনজন প্রার্থী হলে কর্মী-সমর্থকরা কাকে রেখে কাকে ভোট দিবেন? ভোটও ভাগ হয়ে যাবে। এতে ফায়দা হবে জামায়াতের।’ এই দুটি ছাড়া বাকি চারটিতেও বিএনপির সঙ্গে মূল প্রতিদ্বিন্দ্বিতা হবে জামায়াতের। ফলে সেখানেও বিএনপির বাধা হয়ে দাঁড়াবে জামায়াত।





















