ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সহিংসতার জন্য স্টারলিংক ও পশ্চিমাদের দুষলেন ঢাকায় ইরানি রাষ্ট্রদূত শাকসু নির্বাচন বন্ধ করা আওয়ামী ফ্যাসিবাদী চরিত্রের পুনঃমঞ্চায়ন: সাদিক কায়েমের পোস্ট দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ও ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে আল্টিমেটাম শাকসু নির্বাচন বানচাল হলে লাগাতার কর্মসূচির হুঁশিয়ারি ছাত্রশিবিরের তারেক রহমানের সঙ্গে কানাডা হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ শাকসু নির্বাচন স্থগিত করল হাইকোর্ট বিএনপির পক্ষে ইসি, নির্বাচনে যাবে কিনা পুর্নবিবেচনা করছে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ জোটে না থাকলেও ফয়জুল করীমের আসনে প্রার্থী দেবে না জামায়াত কিছু হলেই মব তৈরি করে জামায়াত-এনসিপি: নাছির উদ্দিন নাছির সমঝোতা না মানলে দুই আসনেই নির্বাচন করবেন মান্না

কেরানীগঞ্জে জাবালে নূর টাওয়ারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১৪ ইউনিট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ২২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: ঢাকার কেরানীগঞ্জের পূর্ব আগানগর দ্বিতীয় বুড়িগঙ্গা সেতু সংলগ্ন জাবালে নূর টাওয়ার নামের ১০ তলা একটি ভবনে ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার ভোর পাঁচটায় ভবনের নিচ তলায় জুট কারখানা থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে বলে ভবনের বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঢাকা ও কেরানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিট কাজ করছে। ভোর পাঁচটা থেকে আগুনের সূত্রপাত হলেও এখনো পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হয়নি। ভবনে আটকে পড়া ৪২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, জাবালে নূর টাওয়ারটির আন্ডারগ্রাউন্ড নিচ তলা ও দোতলা মিলে ৪০ থেকে ৫০টি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির দোকান ও জুট ব্যবসায়ীদের কারখানা রয়েছে। ভবনের তিন তলা থেকে ১০ তলা পর্যন্ত আবাসিক হিসেবে ভাড়া দেয়া হয়েছে । ভবনের সব মিলে ৫ হাজার লোকের বসবাস করছে।

ভবনের তিন তালার বাসিন্দা ইব্রাহিম জানায়, ভোর পাঁচটার দিকে তারা আগুনের তাপ ও দোয়ায় ঘুম ভেঙ্গে যায়। তাড়াহুড়ো করে নিচে নেমে আসেন। নিচতালায় দেখতে পান জুট কারখানায় আগুনে পুড়ে যাচ্ছে জুটের বস্তা। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ভবনের লোকজন তাড়াহুড়ো করে নিচে নেমে দ্বিতীয় বুড়িগঙ্গা সেতুর নিচে ও সেতুর উপরে আশ্রয় নেন। বাসিন্দাদের মধ্যে অনেক আত্মসত্ত্বা গৃহিনী রয়েছে।

এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ফায়ার সার্ভিসে ফোন করা হলে ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে কেরানীগঞ্জ উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও ছয়টার দিকে ঢাকার সদরঘাট এবং ফুলবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ শুরু করেন। সাড়ে ছয়টার দিকে পানির সংকট দেখা দিলে ফায়ার সার্ভিসের পাইপ বুড়িগঙ্গা নদীর সাথে সংযোগ দিয়ে পানি সংগ্রহ করে। এতে পানির সমস্যা না থাকলেও গিঞ্জি পরিবেশ ও একাধিক ভবন থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণ আনতে তাদের বেগ পেতে হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কেরানীগঞ্জে জাবালে নূর টাওয়ারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১৪ ইউনিট

আপডেট সময় : ০৪:৫৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

জাতীয় ডেস্ক: ঢাকার কেরানীগঞ্জের পূর্ব আগানগর দ্বিতীয় বুড়িগঙ্গা সেতু সংলগ্ন জাবালে নূর টাওয়ার নামের ১০ তলা একটি ভবনে ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার ভোর পাঁচটায় ভবনের নিচ তলায় জুট কারখানা থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে বলে ভবনের বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঢাকা ও কেরানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিট কাজ করছে। ভোর পাঁচটা থেকে আগুনের সূত্রপাত হলেও এখনো পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হয়নি। ভবনে আটকে পড়া ৪২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, জাবালে নূর টাওয়ারটির আন্ডারগ্রাউন্ড নিচ তলা ও দোতলা মিলে ৪০ থেকে ৫০টি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির দোকান ও জুট ব্যবসায়ীদের কারখানা রয়েছে। ভবনের তিন তলা থেকে ১০ তলা পর্যন্ত আবাসিক হিসেবে ভাড়া দেয়া হয়েছে । ভবনের সব মিলে ৫ হাজার লোকের বসবাস করছে।

ভবনের তিন তালার বাসিন্দা ইব্রাহিম জানায়, ভোর পাঁচটার দিকে তারা আগুনের তাপ ও দোয়ায় ঘুম ভেঙ্গে যায়। তাড়াহুড়ো করে নিচে নেমে আসেন। নিচতালায় দেখতে পান জুট কারখানায় আগুনে পুড়ে যাচ্ছে জুটের বস্তা। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ভবনের লোকজন তাড়াহুড়ো করে নিচে নেমে দ্বিতীয় বুড়িগঙ্গা সেতুর নিচে ও সেতুর উপরে আশ্রয় নেন। বাসিন্দাদের মধ্যে অনেক আত্মসত্ত্বা গৃহিনী রয়েছে।

এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ফায়ার সার্ভিসে ফোন করা হলে ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে কেরানীগঞ্জ উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও ছয়টার দিকে ঢাকার সদরঘাট এবং ফুলবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ শুরু করেন। সাড়ে ছয়টার দিকে পানির সংকট দেখা দিলে ফায়ার সার্ভিসের পাইপ বুড়িগঙ্গা নদীর সাথে সংযোগ দিয়ে পানি সংগ্রহ করে। এতে পানির সমস্যা না থাকলেও গিঞ্জি পরিবেশ ও একাধিক ভবন থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণ আনতে তাদের বেগ পেতে হয়।