ঢাকা ১১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহীতে বহুতল ভবনের নির্মাণ ত্রুটি-হোটেলের ক্ষতি গণভোট বাস্তবায়ন-পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যাসহ বিভিন্ন দাবিতে রাজশাহীতে ১১ দলের সমাবেশ  ১৬ মে আরডিএ’র সহকারী প্রকৌশলী শেখ কামরুজ্জামানের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল শুক্রবার রংপুর সফরে যাচ্ছেন বিরোধীদলীয় নেতা ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ঝালকাঠিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৫৫,৬৯৩ বাংলাদেশি হজযাত্রী বেইজিংয়ে ট্রাম্প-সি বৈঠক, ইরান ও তাইওয়ান ইস্যুতে আলোচনা খুবির ১৫ শিক্ষার্থীর ডিন’স অ্যাওয়ার্ড লাভ তারেক রহমান ঢাবির আইন বিভাগের ছাত্র ছিলেন : আসিফ নজরুল প্রতারণা এড়াতে নির্ধারিত অ্যাপ থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট কাটার পরামর্শ

নভেম্বর থেকে খাদ্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হবে : খাদ্য উপদেষ্টা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫ ৮৯ বার পড়া হয়েছে

দেশের খাদ্য ভান্ডার হিসেবে রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলকে উল্লেখ করে খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, চলতি মৌসুমে আমনের ফলন ভালো হবে এবং মধ্য নভেম্বর থেকে খাদ্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হবে।

সোমবার রাজশাহী সার্কিট হাউজে বিভাগের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি এবং আসন্ন মৌসুমে আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।

খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, “চাল সংগ্রহে এবার মানকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। কৃষকের উৎপাদন খরচ ও লাভ বিবেচনা করে আমন ক্রয়ের মূল্য নির্ধারণ করা হবে। কৃষকদের স্বার্থে সরকার কৃষিতে নিয়মিত ভর্তুকি দিয়ে আসছে। এই আমন সংগ্রহ অভিযান কিভাবে সফল করা যায়, তা নিয়ে স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সুবিধা-অসুবিধা চিহ্নিত করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সরকার খাদ্যশস্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে, ভবিষ্যতেও এই ধারা বজায় থাকবে।”

সরকারের খাদ্য মজুদ সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ক্ষমতায় আছে। এ সময় পর্যন্ত প্রয়োজনীয় খাদ্য মজুত অতীতের তুলনায় বেশি থাকবে। কিছু চাল আমদানি করতে হতে পারে, তবে আগের বছরের তুলনায় তা অনেক কম। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে সর্বোচ্চ ৪ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানি করা লাগবে।”

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার, বিভাগের আট জেলা প্রশাসক, আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকবৃন্দ। সভায় আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ, তা বাস্তবায়ন এবং খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি সফলভাবে পরিচালনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্য উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নভেম্বর থেকে খাদ্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হবে : খাদ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ১১:০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

দেশের খাদ্য ভান্ডার হিসেবে রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলকে উল্লেখ করে খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, চলতি মৌসুমে আমনের ফলন ভালো হবে এবং মধ্য নভেম্বর থেকে খাদ্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হবে।

সোমবার রাজশাহী সার্কিট হাউজে বিভাগের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি এবং আসন্ন মৌসুমে আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।

খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, “চাল সংগ্রহে এবার মানকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। কৃষকের উৎপাদন খরচ ও লাভ বিবেচনা করে আমন ক্রয়ের মূল্য নির্ধারণ করা হবে। কৃষকদের স্বার্থে সরকার কৃষিতে নিয়মিত ভর্তুকি দিয়ে আসছে। এই আমন সংগ্রহ অভিযান কিভাবে সফল করা যায়, তা নিয়ে স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সুবিধা-অসুবিধা চিহ্নিত করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সরকার খাদ্যশস্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে, ভবিষ্যতেও এই ধারা বজায় থাকবে।”

সরকারের খাদ্য মজুদ সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ক্ষমতায় আছে। এ সময় পর্যন্ত প্রয়োজনীয় খাদ্য মজুত অতীতের তুলনায় বেশি থাকবে। কিছু চাল আমদানি করতে হতে পারে, তবে আগের বছরের তুলনায় তা অনেক কম। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে সর্বোচ্চ ৪ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানি করা লাগবে।”

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার, বিভাগের আট জেলা প্রশাসক, আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকবৃন্দ। সভায় আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ, তা বাস্তবায়ন এবং খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি সফলভাবে পরিচালনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্য উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।