চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ফলাফল জালিয়াতির তদন্তে দুদক
- আপডেট সময় : ১১:০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৭১ বার পড়া হয়েছে
বিষয়টি নিশ্চিত করে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ইলিয়াছ উদ্দিন আহাম্মদ জানান, দুপুরে দুদকের একটি টিম আমাদের অফিসে আসে। এরপর আমার কাছে জানতে চেয়েছেন ফলাফল জালিয়াতির ঘটনা কবে জানতে পেরেছি এবং কখন কমিটি করেছি। এরপর আমি বললাম ৩১ আগস্ট জানতে পারি এবং একদিন সময় নিয়ে ২ সেপ্টেম্বর তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। কমিটি সাত দিন সময় নিলেও প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হয়েছে। পরে তারা সময়ের আবেদন করে এবং আরও ১৫ দিন সময় চেয়েছে। আমি ১৫ দিন সময় দিয়েছি।
জানা গেছে, চেয়ারম্যানের দপ্তর থেকে দুদক টিম পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও প্রোগ্রামারের দপ্তরে যান। এসময় তারা বেশ কিছু আলামত সংগ্রহ করে দুপুর দুইটার দিকে শিক্ষাবোর্ড থেকে বেরিয়ে যান।
দুদকের সহকারী পরিচালক সাদ ইমরান জানান, অভিযোগ ছিল বেশকিছু শিক্ষার্থী এসএসসি ২০২৫ সালের পরীক্ষার ফলাফল পুন:নিরীক্ষণের আবেদন করে। কিন্তু ৩৪টি খাতায় ফলাফল জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমরা যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তাদের সাথে কথা বলেছি। বিশেষ করে প্রোগ্রামার আব্দুল মালেক, সহকারী প্রোগ্রামার আবুল হাসনাত মোহাম্মদ রাজু আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল। তাদের দুজনের মাধ্যমে প্রোগ্রামারের রুম থেকেই ফলাফল অনলাইনে ইনফুট করা হয়। আমরা জানতে পেরেছি ১৯ জন শিক্ষার্থীর ৩৪টি উত্তরপত্রে জালিয়াতি হয়েছে। খাতায় ও টপ শিটে নম্বর ঠিক থাকলেও ইনফুট দেওয়ার সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, চট্টগ্রাম বোর্ডে সিস্টেম এনালিস্ট না থাকায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড থেকে বিকাশ নামে একজন সিস্টেম এনালিস্ট আনা হয় গত ৭ সেপ্টেম্বর। তিনি প্রথমে অনিয়মটি ধরতে পারেন। এরপর চেয়ারম্যানকে পত্র দিয়ে জানান। ১৮ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয়নি।
তিনি জানান, একটি চক্র দীর্ঘ দিন ধরে বোর্ডের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে জালিয়াতিসহ নান অনিয়মে জড়িত। আমরা অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। আমরা যা পেয়েছি তা প্রতিবেদন আকারে কমিশনে পাঠাব। এরপর কমিশনের নির্দেশ অনুসারে ব্যবস্থা নেব।




















