ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুসলমানদের অধিকারের জন্য জুলাই বিপ্লবের আবশ্যিকতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২২:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫ ৬২ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: পাঠক, মুসলমানদের অধিকার বলতে বুঝায় অন্যান্য নাগরিকদের ন্যায় মুসলমানদের কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ অধিকার যা আইন দ্বারা সৃষ্ট এবং স্বীকৃত। একজন মুসলমানের বিভিন্ন ধরনের অধিকার থাকে, যেমন চাকরি পাবার অধিকার, আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠা করার আওয়াজ বুলন্দ করার অধিকার, নিজ ধর্মের প্রয়োজনীয় বিধান শিক্ষা গ্রহণের অধিকার ইত্যাদি।

আমি পূর্ববর্তী পর্বে আলোচনা করেছি যে, হাসিনা ছিল হিন্দুত্ববাদীদের সহযোগী শক্তি যার উদ্দেশ্য ছিল হিন্দুত্ববাদীদের প্রতিষ্ঠা করা। এজন্য মুসলমানদের অধিকারকে ছিনতাই করে এই হাসিনা সরকার হিন্দুত্ববাদীদেরকে প্রমোট করেছিল।

একটি মুসলিম রিয়াসাত অবশ্যই অমুসলিমদের নায্য অধিকার বাস্তবায়নে গ্যারান্টার। কিন্তু হাসিনা ছিল মুসলিম অধিকার ছিনতাই করে হিন্দুত্ববাদীদের ক্ষমতায় আরোহণ করার গ্যারান্টার।

২০০৯ সাল হতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যদি আপনি সরকারী চাকুরীর খতিয়ান দেখেন, তাহলে লক্ষ্য করবেন যে, মুসলিম কর্মচারী ও কর্মকর্তারা ছিল কোন ঠাসা । মুসলিম জাতিসত্তার চেতনায় বিশ্বাসী অনেক অফিসারদের বরখাস্ত করা হয়েছে। মুসলিম জাতিসত্তার বিশ্বাসী লোকদের চাকুরীতে নিয়োগ দেয়া ছিল অঘোষিত ভাবে নিষিদ্ধ।

সব জায়গায় হিন্দুত্ববাদীদের নিয়োগ দেয়া হয়েছিল, হিন্দু না পেলে মুসলিম নামধারী হিন্দুদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে। হিন্দুত্ববাদী হাসিনার শাসনামলে মুসলমানদের জন্য কোন রাষ্ট্রীয় অধিকার ছিল না।

একটি মুসলিম রিয়াসাত মুসলমানদের করের টাকায় পরিচালিত হয়, আর মুসলমানদের করের টাকায় হাসিনা হিন্দুত্ববাদীদের হয়ে কাজ করছে। মুসলমানদের অধিকার ভূলুণ্ঠিত করেছে।

পাঠক, মুসলমানদের অধিকার রক্ষার জন্য জুলাই বিপ্লব ছিল অপরিহার্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মুসলমানদের অধিকারের জন্য জুলাই বিপ্লবের আবশ্যিকতা

আপডেট সময় : ০৩:২২:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: পাঠক, মুসলমানদের অধিকার বলতে বুঝায় অন্যান্য নাগরিকদের ন্যায় মুসলমানদের কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ অধিকার যা আইন দ্বারা সৃষ্ট এবং স্বীকৃত। একজন মুসলমানের বিভিন্ন ধরনের অধিকার থাকে, যেমন চাকরি পাবার অধিকার, আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠা করার আওয়াজ বুলন্দ করার অধিকার, নিজ ধর্মের প্রয়োজনীয় বিধান শিক্ষা গ্রহণের অধিকার ইত্যাদি।

আমি পূর্ববর্তী পর্বে আলোচনা করেছি যে, হাসিনা ছিল হিন্দুত্ববাদীদের সহযোগী শক্তি যার উদ্দেশ্য ছিল হিন্দুত্ববাদীদের প্রতিষ্ঠা করা। এজন্য মুসলমানদের অধিকারকে ছিনতাই করে এই হাসিনা সরকার হিন্দুত্ববাদীদেরকে প্রমোট করেছিল।

একটি মুসলিম রিয়াসাত অবশ্যই অমুসলিমদের নায্য অধিকার বাস্তবায়নে গ্যারান্টার। কিন্তু হাসিনা ছিল মুসলিম অধিকার ছিনতাই করে হিন্দুত্ববাদীদের ক্ষমতায় আরোহণ করার গ্যারান্টার।

২০০৯ সাল হতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যদি আপনি সরকারী চাকুরীর খতিয়ান দেখেন, তাহলে লক্ষ্য করবেন যে, মুসলিম কর্মচারী ও কর্মকর্তারা ছিল কোন ঠাসা । মুসলিম জাতিসত্তার চেতনায় বিশ্বাসী অনেক অফিসারদের বরখাস্ত করা হয়েছে। মুসলিম জাতিসত্তার বিশ্বাসী লোকদের চাকুরীতে নিয়োগ দেয়া ছিল অঘোষিত ভাবে নিষিদ্ধ।

সব জায়গায় হিন্দুত্ববাদীদের নিয়োগ দেয়া হয়েছিল, হিন্দু না পেলে মুসলিম নামধারী হিন্দুদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে। হিন্দুত্ববাদী হাসিনার শাসনামলে মুসলমানদের জন্য কোন রাষ্ট্রীয় অধিকার ছিল না।

একটি মুসলিম রিয়াসাত মুসলমানদের করের টাকায় পরিচালিত হয়, আর মুসলমানদের করের টাকায় হাসিনা হিন্দুত্ববাদীদের হয়ে কাজ করছে। মুসলমানদের অধিকার ভূলুণ্ঠিত করেছে।

পাঠক, মুসলমানদের অধিকার রক্ষার জন্য জুলাই বিপ্লব ছিল অপরিহার্য।