ইরানি প্রযুক্তিতে ধরাশায়ী ইসরাইল
- আপডেট সময় : ০৮:১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫ ৭১ বার পড়া হয়েছে
কিন্তু ইসরাইলি সামরিক কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে হামলায় ১৮৫টি ড্রোন, ১১০টি ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩৬টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের দিকে নিক্ষেপ করেছিল ইরান। নানা সময় ইসরাইলের সঙ্গে ইরান ছায়া যুদ্ধ করলেও ‘True Promise’ অপারেশনে সরাসরি হামলার শিকার হওয়ার পর ইসরাইলের দুঃস্বপ্নে পরিণত হয় ইরান। তাই এক বছরের বেশি সময় ধরে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয় হামলা করার। ব্যাপক প্রস্তুতি এবং আমেরিকার ভরসায় ১৩ জুন ২০২৫ সালে আবার হামলা চালায় ইসরাইল। কিন্তু এবার ইরান জয়ের ইসরাইল-আমেরিকা স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল। ইসরাইল-আমেরিকা নিজেদের বিজয়ী হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করলেও বাস্তবতা হচ্ছে জয় তো দূরে থাক, উল্টো পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে বর্বর ইসরাইল এবং আমেরিকা।
বিশ্বের অন্যতম সেরা সামরিক শক্তিধর ইসরাইল এবং বিশ্বমোড়ল আমেরিকার যৌথ হামলার পরও কেন ইরানকে নত করা গেল না? কারণ, ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তি। সৌদি আরব, কাতার, জর্ডান, বাহরাইনের মতো দেশগুলো সামরিক অস্ত্রের জন্য আমেরিকার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু নানা রকম অর্থনৈতিক অবরোধের বাধা সত্ত্বেও ইরান নিজেদের মেধা প্রযুক্তির সমন্বয়ে পূর্ণ সামরিক শক্তি দিয়েই ইসরাইল, আমেরিকাকে পাল্টা জবাব দিয়েছে।
ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে বানানো কম খরচের মাত্র ৫০ কেজি ওজনের শাহেদ-১৩৬ এবং উচ্চগতিসম্পন্ন শাহেদ ২৩৮ মডেলের সুইসাইড ড্রোনগুলো ইরানের অন্যতম সামরিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। এবারের যুদ্ধের শুরুতে ইরানের আকাশ পথ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছিল ইসরাইল এবং আমেরিকা। কিন্তু বেলা শেষে দেখা গেছে ইরানের মাটি থেকে উড়ে ইরান, জর্ডানের আকাশ পেরিয়ে ঠিকই ইসরাইলের আকাশে রাজত্ব করেছে ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তির ড্রোন ও মিসাইল। ইরানের পাঠানো বেশির ভাগ ড্রোন, মিসাইল নিজেদের আকাশে প্রতিরোধ করলেও অনেকগুলো ড্রোন, মিসাইল আঘাত হেনেছে ইসরাইলের বিভিন্ন স্থাপনায়।




















