ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনে বাংলাদেশের আম রপ্তানিতে উভয় দেশের লাভ হবে: চীনা রাষ্ট্রদূত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫ ৯৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতীক ডেস্ক: ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, চীনের বাজারে বাংলাদেশের আম রপ্তানিতে উভয় দেশেরই লাভ হবে। এর মধ্যে দিয়ে উভয় দেশের বাণিজ্যে ভারসাম্য আসবে।

বুধবার (২৮ মে) চীনে আম রপ্তানি উপলক্ষে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ যোগ দেন।

অনুষ্ঠানে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, চীনের বাজারে বাংলাদেশি আমের প্রবেশ কেবল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি ও বাণিজ্য ভারসাম্য উন্নত করতে সাহায্য করবে না, বরং আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো— এটি আমাদের অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং উভয়ের লাভ বাড়াবে।

তিনি বলেন, গঙ্গা ব-দ্বীপের উর্বর মাটিতে জন্মানো বাংলাদেশি আম উচ্চ মানের কৃষিপণ্যের প্রতিনিধিত্ব করে। চীনা ভোক্তাদের জন্য এটা আরো বৈচিত্র্যময় পছন্দ এবং এটি অবশ্যই জনগণের মঙ্গল করবে। বাংলাদেশের জন্য চীনা বাজারের বিশাল সম্ভাবনা সরাসরি আম খাতের উন্নয়নকে চালিত করবে, আরো কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে এবং বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চীনে বাংলাদেশের আম রপ্তানিতে উভয় দেশের লাভ হবে: চীনা রাষ্ট্রদূত

আপডেট সময় : ১২:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

আন্তর্জাতীক ডেস্ক: ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, চীনের বাজারে বাংলাদেশের আম রপ্তানিতে উভয় দেশেরই লাভ হবে। এর মধ্যে দিয়ে উভয় দেশের বাণিজ্যে ভারসাম্য আসবে।

বুধবার (২৮ মে) চীনে আম রপ্তানি উপলক্ষে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ যোগ দেন।

অনুষ্ঠানে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, চীনের বাজারে বাংলাদেশি আমের প্রবেশ কেবল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি ও বাণিজ্য ভারসাম্য উন্নত করতে সাহায্য করবে না, বরং আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো— এটি আমাদের অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং উভয়ের লাভ বাড়াবে।

তিনি বলেন, গঙ্গা ব-দ্বীপের উর্বর মাটিতে জন্মানো বাংলাদেশি আম উচ্চ মানের কৃষিপণ্যের প্রতিনিধিত্ব করে। চীনা ভোক্তাদের জন্য এটা আরো বৈচিত্র্যময় পছন্দ এবং এটি অবশ্যই জনগণের মঙ্গল করবে। বাংলাদেশের জন্য চীনা বাজারের বিশাল সম্ভাবনা সরাসরি আম খাতের উন্নয়নকে চালিত করবে, আরো কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে এবং বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবে।