চীনের মধ্যস্থতায় কাছাকাছি পাকিস্তান-আফগানিস্তান, সম্পর্ক উন্নয়নে ঐকমত্য
- আপডেট সময় : ০৮:২৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫ ১১৪ বার পড়া হয়েছে
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে এই ঐকমত্য আসে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত চীন-পাকিস্তান-আফগানিস্তানের ত্রিপক্ষীয় এক অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে, যেখানে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন। বৈঠকটি ছিল চীনের বৃহত্তর আঞ্চলিক শান্তি ও সংযোগ নীতির অংশ, যা বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)-এর মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, “আফগানিস্তান ও পাকিস্তান কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে স্পষ্ট আগ্রহ দেখিয়েছে এবং যত দ্রুত সম্ভব রাষ্ট্রদূত বিনিময়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। চীন এটিকে স্বাগত জানায় এবং এ সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়তা অব্যাহত রাখবে।”
এদিকে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। আর তা হচ্ছে—চীন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর (সিপিইসি) প্রকল্পটি আফগানিস্তানে সম্প্রসারণে তিন দেশই সম্মত হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চীনের পশ্চিমাঞ্চল, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য ও অবকাঠামোগত সংযোগ জোরদার হবে।
প্রসঙ্গত, তালেবান ২০২১ সালে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর এখনো কোনো দেশ তাদের সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি। তবে চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও রাশিয়াসহ কয়েকটি দেশ কাবুলে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করেছে এবং তালেবান নিয়োগকৃত রাষ্ট্রদূতদের নিজেদের দেশেও স্বাগত জানিয়েছে।
এর বিপরীতে, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান এখনও একে অপরের রাজধানীতে কেবল ‘চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স’ (অস্থায়ী কূটনীতিক) নিয়োগেই সীমাবদ্ধ ছিল।
এছাড়া বেইজিং বৈঠকে নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় যৌথ পদক্ষেপের অঙ্গীকারও উঠে আসে। বিশেষ করে আফগানিস্তানভিত্তিক নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) নিয়ে পাকিস্তানের উদ্বেগ এই আলোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।
পাকিস্তান বলছে, ২০২৪ সালে দেশটিতে সন্ত্রাসী হামলা ৭০ শতাংশ বেড়েছে, যার জন্য আফগান ভূখণ্ডে গড়ে ওঠা টিটিপি ঘাঁটিকে দায়ী করা হয়।




















