ঢাকা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতে ৪ টিভির সম্প্রচার বন্ধের ব্যাখ্যা চাইবে বাংলাদেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৮:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫ ১০৩ বার পড়া হয়েছে
প্রসঙ্গ ডেস্ক: ভারতে বাংলাদেশের চারটি টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে ইউটিউবের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। শুক্রবার (৯ মে) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

ফয়েজ আহমেদ জানান, ইউটিউব কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের অন্তত চারটি টিভি স্টেশনকে ভারতের জন্য ‘জিও ব্লক’ করেছে। ফলে ভারতে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকরা চ্যানেলগুলো দেখতে পারছেন না, যা তাদের ভোগদখলের অধিকার ক্ষুণ্ন করছে।

তিনি লিখেছেন, ব্রডকাস্ট মিডিয়ামের ভৌগোলিক অবস্থান হিসেবে বাংলাদেশকে ব্লক করা আন্তর্জাতিক কনজিউমার রাইটস রীতির পরিপন্থী বলে প্রতীয়মান। আমরা ইউটিউবের কাছে এর সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা চাইব। যদি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পাই, তাহলে পাল্টা পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবো।

ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি আইনের আওতায়, দেশটির সরকার যদি কোনো কনটেন্টকে জাতীয় নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব কিংবা জনশৃঙ্খলার জন্য হুমকি মনে করে, তবে ইউটিউবকে তা ব্লক করতে নির্দেশ দেওয়ার আইনগত ক্ষমতা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারতে ৪ টিভির সম্প্রচার বন্ধের ব্যাখ্যা চাইবে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৯:১৮:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫
প্রসঙ্গ ডেস্ক: ভারতে বাংলাদেশের চারটি টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে ইউটিউবের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। শুক্রবার (৯ মে) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

ফয়েজ আহমেদ জানান, ইউটিউব কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের অন্তত চারটি টিভি স্টেশনকে ভারতের জন্য ‘জিও ব্লক’ করেছে। ফলে ভারতে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকরা চ্যানেলগুলো দেখতে পারছেন না, যা তাদের ভোগদখলের অধিকার ক্ষুণ্ন করছে।

তিনি লিখেছেন, ব্রডকাস্ট মিডিয়ামের ভৌগোলিক অবস্থান হিসেবে বাংলাদেশকে ব্লক করা আন্তর্জাতিক কনজিউমার রাইটস রীতির পরিপন্থী বলে প্রতীয়মান। আমরা ইউটিউবের কাছে এর সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা চাইব। যদি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পাই, তাহলে পাল্টা পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবো।

ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি আইনের আওতায়, দেশটির সরকার যদি কোনো কনটেন্টকে জাতীয় নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব কিংবা জনশৃঙ্খলার জন্য হুমকি মনে করে, তবে ইউটিউবকে তা ব্লক করতে নির্দেশ দেওয়ার আইনগত ক্ষমতা রয়েছে।