ঢাকা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

প্রায় ৬ কোটি টাকায় ৪টি বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতি

বিসিএসআইআরে যন্ত্রপাতি ক্রয় প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির আলামত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫ ৮৯ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদে (বিসিএসআইআর) প্রায় ৬ কোটি টাকায় ৪টি বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এনফোর্সমেন্ট অভিযানে ওই প্রমাণ মিলেছে বলে জানা গেছে। দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ শিহাব সালামের নেতৃত্বে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

দুদক জানায়, অভিযানকালে টেন্ডার ডকুমেন্ট পর্যালোচনায় প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, ৪টি সাইন্টিফিক ইকুইপমেন্ট ক্রয়ে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়ার অসাধু উদ্দেশ্যে বিশেষ শর্ত আরোপ করে টেন্ডার স্পেসিফিকেশন প্রস্তুত করা হয়েছে। যার ফলে টেকনিক্যাল ইভাল্যুয়েশনে মাত্র একটি করে দরদাতা রেস্পন্সিভ হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টতা যাচাইয়ের নিমিত্ত রেকর্ডপত্র পূর্ণাঙ্গরূপে পর্যালোচনা করে কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রায় ৬ কোটি টাকায় ৪টি বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতি

বিসিএসআইআরে যন্ত্রপাতি ক্রয় প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির আলামত

আপডেট সময় : ০৫:০৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫

বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদে (বিসিএসআইআর) প্রায় ৬ কোটি টাকায় ৪টি বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এনফোর্সমেন্ট অভিযানে ওই প্রমাণ মিলেছে বলে জানা গেছে। দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ শিহাব সালামের নেতৃত্বে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

দুদক জানায়, অভিযানকালে টেন্ডার ডকুমেন্ট পর্যালোচনায় প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, ৪টি সাইন্টিফিক ইকুইপমেন্ট ক্রয়ে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়ার অসাধু উদ্দেশ্যে বিশেষ শর্ত আরোপ করে টেন্ডার স্পেসিফিকেশন প্রস্তুত করা হয়েছে। যার ফলে টেকনিক্যাল ইভাল্যুয়েশনে মাত্র একটি করে দরদাতা রেস্পন্সিভ হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টতা যাচাইয়ের নিমিত্ত রেকর্ডপত্র পূর্ণাঙ্গরূপে পর্যালোচনা করে কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে জানা গেছে।