ঢাকা ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাবি শিক্ষার্থীকে ছাত্রদল নেতার ছুরিকাঘাতের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ হজ ক্যাম্পে চালু হলো লাগেজ র‌্যাপিং সেবা তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর আসামি গ্রেফতার মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ যায় নাকি আসে, প্রশ্ন আসিফের ঢাকায় ১০০ দিনের কাজের হিসাব দিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সংস্কারের পথ থেকে কি বিচ্যুত হচ্ছে বাংলাদেশ?: আল জাজিরার বিশ্লেষণ দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় বিরোধী দলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম সিটি কলেজের ঘটনায় রাজশাহীতে মহানগর শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল মার্কিন অবরোধের মধ্যেই দু’টি জাহাজ জব্দ করলো ইরান হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে বিভাগীয় কমিশনারকে শিবিরের স্মারকলিপি

ঢাকায় ১০০ দিনের কাজের হিসাব দিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হি‌সে‌বে ১০০ দিন পূর্ণ ক‌রেছেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। এ সম‌য়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নিয়েছেন ব‌লে দাবি করেছেন তিনি। আলোচিত বাণিজ্য চুক্তিকেও তিনি ঐতিহাসিক ব‌লে‌ মন্তব্য করেন। ঢাকায় মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ দিন উপলক্ষে গতকাল বুধবার এক ভিডিও বার্তায় এমন মন্তব্য ক‌রে‌ন তিনি।

ভিডিও বার্তায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, মাত্র ১০০ দিনেই তিনি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নিয়েছেন। বাণিজ্য ও স্বাস্থ্য খাতে নতুন অংশীদারত্ব থেকে শুরু করে সাংস্কৃতিক বিনিময় পর্যন্ত বিভিন্ন উদ্যোগ দুই দেশের মানুষকে আরো কাছে এনেছে। যুক্তরাষ্ট্র যখন তার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছে, এমন সময় একসঙ্গে একটি দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে ওয়াশিংটন উৎসাহিত।

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ব‌লেন, বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমার আগমনের আজ ১০০ দিন পূর্ণ হলো। আমি ও আমার স্ত্রী ডিয়ান বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে অভাবনীয় উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছি। আমরা সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থানগুলো ভ্রমণ করছি, পহেলা বৈশাখের উৎসবে আনন্দ করেছি, প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ দেখেছি এবং একজন স্থানীয় ব্লগারের সঙ্গে নতুন সব খাবারের স্বাদ নিচ্ছি। এর চেয়ে বেশি কিছু আমাদের চাওয়ার ছিল না।

নির্বাচনের ঠিক আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এখানে এসেছি মন্তব্য করে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ককে পরবর্তী স্তরে নেওয়ার জন্য একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা নির্ধারণ করেছেন। আমি তা বাস্তবে রূপান্তর করতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি।

বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এটি আমাদের বাণিজ্য ঘাটতির ভারসাম্য রক্ষা করবে এবং উভয় দেশকে আরো সমৃদ্ধ করবে। এ বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করতে আমি বাংলাদেশের সর্বত্র মার্কিন ব্যবসায়ীদের হয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

অভিবাসন নিয়ে তিনি বলেন, আমরা অবৈধ অভিবাসন ও ভিসা জালিয়াতি মোকাবিলায় একত্রে কাজ করছি এবং একটি অবাধ ও মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিকের জন্য ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা অংশীদারত্ব নিশ্চিত করছি। বাংলাদেশের সঙ্গে একটি নতুন স্বাস্থ্য অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমরা যক্ষ্মা ও হামের মতো রোগ মোকাবিলা করছি।

তি‌নি ব‌লেন, এছাড়া আমরা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পাশে থাকা বৃহত্তম দাতা দেশ হিসেবে আমাদের অবস্থান ধরে রেখেছি। সেই সঙ্গে এ সমস্যার একটি রাজনৈতিক সমাধানের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

সামনের দিনগুলো নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ১০০ দিন পর আমি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরো বেশি আশাবাদী। আমরা সামনে আরো কী কী অর্জন করতে পারব, তা দেখার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঢাকায় ১০০ দিনের কাজের হিসাব দিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

আপডেট সময় : ০৩:০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হি‌সে‌বে ১০০ দিন পূর্ণ ক‌রেছেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। এ সম‌য়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নিয়েছেন ব‌লে দাবি করেছেন তিনি। আলোচিত বাণিজ্য চুক্তিকেও তিনি ঐতিহাসিক ব‌লে‌ মন্তব্য করেন। ঢাকায় মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ দিন উপলক্ষে গতকাল বুধবার এক ভিডিও বার্তায় এমন মন্তব্য ক‌রে‌ন তিনি।

ভিডিও বার্তায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, মাত্র ১০০ দিনেই তিনি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নিয়েছেন। বাণিজ্য ও স্বাস্থ্য খাতে নতুন অংশীদারত্ব থেকে শুরু করে সাংস্কৃতিক বিনিময় পর্যন্ত বিভিন্ন উদ্যোগ দুই দেশের মানুষকে আরো কাছে এনেছে। যুক্তরাষ্ট্র যখন তার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছে, এমন সময় একসঙ্গে একটি দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে ওয়াশিংটন উৎসাহিত।

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ব‌লেন, বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমার আগমনের আজ ১০০ দিন পূর্ণ হলো। আমি ও আমার স্ত্রী ডিয়ান বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে অভাবনীয় উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছি। আমরা সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থানগুলো ভ্রমণ করছি, পহেলা বৈশাখের উৎসবে আনন্দ করেছি, প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ দেখেছি এবং একজন স্থানীয় ব্লগারের সঙ্গে নতুন সব খাবারের স্বাদ নিচ্ছি। এর চেয়ে বেশি কিছু আমাদের চাওয়ার ছিল না।

নির্বাচনের ঠিক আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এখানে এসেছি মন্তব্য করে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ককে পরবর্তী স্তরে নেওয়ার জন্য একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা নির্ধারণ করেছেন। আমি তা বাস্তবে রূপান্তর করতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি।

বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এটি আমাদের বাণিজ্য ঘাটতির ভারসাম্য রক্ষা করবে এবং উভয় দেশকে আরো সমৃদ্ধ করবে। এ বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করতে আমি বাংলাদেশের সর্বত্র মার্কিন ব্যবসায়ীদের হয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

অভিবাসন নিয়ে তিনি বলেন, আমরা অবৈধ অভিবাসন ও ভিসা জালিয়াতি মোকাবিলায় একত্রে কাজ করছি এবং একটি অবাধ ও মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিকের জন্য ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা অংশীদারত্ব নিশ্চিত করছি। বাংলাদেশের সঙ্গে একটি নতুন স্বাস্থ্য অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমরা যক্ষ্মা ও হামের মতো রোগ মোকাবিলা করছি।

তি‌নি ব‌লেন, এছাড়া আমরা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পাশে থাকা বৃহত্তম দাতা দেশ হিসেবে আমাদের অবস্থান ধরে রেখেছি। সেই সঙ্গে এ সমস্যার একটি রাজনৈতিক সমাধানের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

সামনের দিনগুলো নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ১০০ দিন পর আমি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরো বেশি আশাবাদী। আমরা সামনে আরো কী কী অর্জন করতে পারব, তা দেখার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।