ঢাকা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা তালপুকুর এলাকায়  মোহাম্মদ রিজন নামে এক অটোচালকের  অর্ধকলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ

রাজশাহীতে রিজন নামে এক অটোচালকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৭:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫ ১৮৭ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা তালপুকুর এলাকায়  মোহাম্মদ রিজন নামে এক অটোচালকের  অর্ধকলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গেল ২৩ মার্চ  ঠাকুরমারা এলাকা থেকে পূর্ব পরিচিত পাপ্পুসহ পাঁচজন  অটো  নিয়ে কাকনহাটে যায়। এরপর থেকেই লাপাত্তা অটোচালক রিজন। পরদিন পরিবারের পক্ষ থেকে দামকুড়া থানায় পাপ্পু কে প্রধান আসামি করে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ের  করা হয়। এরপর  পুলিশের জিজ্ঞাসা বাদে  আসামিরা জানায়, অটোরিকশা ও অটো রিক্সার ব্যাটারির জন্য হত্যা করা হয় রিজন কে ।   প্রধান আসামি পাপ্পু  দেখিয়ে রিজন এর লাশ কোথায় রাখা হয়েছে।  আসামিরা জানায়, প্রথমে রিজনকে কোমল পানির সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাইয়ে দেয়া হয়। এরপর অচেতন অবস্থায় তালপুকুর এলাকায় নির্মানাধীন ঘরে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়। ঘটনার ১৫দিন পর  পরে পাপ্পু দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে  পুলিশ এসে রিজনের অর্ধকৃত লাশ উদ্ধার করে। পরিবার, পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে এটি পূর্ব পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। নিখোঁজের পর থেকে পুলিশের তৎপরতা বৃদ্ধি পেলে হয়তো তাকে জীবিত উদ্ধার করা যেত বলে দাবি নিহতের স্বজনদের।  পুলিশ বলছে, অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই তারা তৎপর ছিলেন মাঠে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা তালপুকুর এলাকায়  মোহাম্মদ রিজন নামে এক অটোচালকের  অর্ধকলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ

রাজশাহীতে রিজন নামে এক অটোচালকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৪:০৭:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫

রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা তালপুকুর এলাকায়  মোহাম্মদ রিজন নামে এক অটোচালকের  অর্ধকলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গেল ২৩ মার্চ  ঠাকুরমারা এলাকা থেকে পূর্ব পরিচিত পাপ্পুসহ পাঁচজন  অটো  নিয়ে কাকনহাটে যায়। এরপর থেকেই লাপাত্তা অটোচালক রিজন। পরদিন পরিবারের পক্ষ থেকে দামকুড়া থানায় পাপ্পু কে প্রধান আসামি করে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ের  করা হয়। এরপর  পুলিশের জিজ্ঞাসা বাদে  আসামিরা জানায়, অটোরিকশা ও অটো রিক্সার ব্যাটারির জন্য হত্যা করা হয় রিজন কে ।   প্রধান আসামি পাপ্পু  দেখিয়ে রিজন এর লাশ কোথায় রাখা হয়েছে।  আসামিরা জানায়, প্রথমে রিজনকে কোমল পানির সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাইয়ে দেয়া হয়। এরপর অচেতন অবস্থায় তালপুকুর এলাকায় নির্মানাধীন ঘরে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়। ঘটনার ১৫দিন পর  পরে পাপ্পু দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে  পুলিশ এসে রিজনের অর্ধকৃত লাশ উদ্ধার করে। পরিবার, পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে এটি পূর্ব পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। নিখোঁজের পর থেকে পুলিশের তৎপরতা বৃদ্ধি পেলে হয়তো তাকে জীবিত উদ্ধার করা যেত বলে দাবি নিহতের স্বজনদের।  পুলিশ বলছে, অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই তারা তৎপর ছিলেন মাঠে।