ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

বাংলাদেশের পাসপোর্টে ‘এক্সসেপ্ট ইসরায়েল’ পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ

বাংলাদেশের পাসপোর্টে ‘এক্সসেপ্ট ইসরায়েল’ পুনর্বহালের দাবি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৫:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫ ১১৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের পাসপোর্টে ‘এক্সসেপ্ট ইসরায়েল’ পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ।

 

আরব বিশ্বকে আমেরিকাসহ পশ্চিমা আগ্রাসী দানবদের তেল সরবরাহ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় এবং ব্যক্তিগত সব পর্যায়ে ইয়াহুদিদের পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করতে হবে।

সোমবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে সাড়ে ৩টায় রাজধানীর মিরপুর-১০ গোল চত্বরে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি গণহত্যা বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মাসউদ বলেন, ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি গণহত্যা বন্ধে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনের জনগণের ওপর অন্যায়ভাবে আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বিচারে চালাচ্ছে গণহত্যা। মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ফিলিস্তিনের অন্তত ৫০ হাজার মানুষকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। যাদের বড় একটি অংশই নারী ও শিশু। এর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কঠোর ভূমিকা নিতে হবে।

এসময় আরও বক্তব্য দেন- মাওলানা নুরুল ইসলাম নাঈম, ইঞ্জিনিয়ার মুরাদ হোসেন, মুফতি ফরিদুল ইসলাম, মুফতী মো. মাছউদুর রহমান, মুফতি নিজামুদ্দিন, ডাক্তার মুজিবুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার গিয়াস উদ্দিন পরশ, মুফতি সিরাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ নাজমুল হাসান, যুবনেতা মুফতি হাফিজুল হক ফাইয়াজ, সোহরাব হোসেন ফজলে প্রমুখ।

 

বক্তারা বলেন, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় মুসলিম বিশ্বের ঐক্য প্রয়োজন। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা আরও বলেন, অবিলম্বে এ বর্বরতা বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

এসময় ইসরায়েলি পণ্য বর্জনের ডাকও দেন তারা। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বর থেকে ৬ নম্বর হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিরপুর-১ নম্বর এসে শেষ হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের পাসপোর্টে ‘এক্সসেপ্ট ইসরায়েল’ পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ

বাংলাদেশের পাসপোর্টে ‘এক্সসেপ্ট ইসরায়েল’ পুনর্বহালের দাবি

আপডেট সময় : ১২:৫৫:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

বাংলাদেশের পাসপোর্টে ‘এক্সসেপ্ট ইসরায়েল’ পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ।

 

আরব বিশ্বকে আমেরিকাসহ পশ্চিমা আগ্রাসী দানবদের তেল সরবরাহ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় এবং ব্যক্তিগত সব পর্যায়ে ইয়াহুদিদের পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করতে হবে।

সোমবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে সাড়ে ৩টায় রাজধানীর মিরপুর-১০ গোল চত্বরে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি গণহত্যা বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মাসউদ বলেন, ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি গণহত্যা বন্ধে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনের জনগণের ওপর অন্যায়ভাবে আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বিচারে চালাচ্ছে গণহত্যা। মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ফিলিস্তিনের অন্তত ৫০ হাজার মানুষকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। যাদের বড় একটি অংশই নারী ও শিশু। এর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কঠোর ভূমিকা নিতে হবে।

এসময় আরও বক্তব্য দেন- মাওলানা নুরুল ইসলাম নাঈম, ইঞ্জিনিয়ার মুরাদ হোসেন, মুফতি ফরিদুল ইসলাম, মুফতী মো. মাছউদুর রহমান, মুফতি নিজামুদ্দিন, ডাক্তার মুজিবুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার গিয়াস উদ্দিন পরশ, মুফতি সিরাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ নাজমুল হাসান, যুবনেতা মুফতি হাফিজুল হক ফাইয়াজ, সোহরাব হোসেন ফজলে প্রমুখ।

 

বক্তারা বলেন, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় মুসলিম বিশ্বের ঐক্য প্রয়োজন। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা আরও বলেন, অবিলম্বে এ বর্বরতা বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

এসময় ইসরায়েলি পণ্য বর্জনের ডাকও দেন তারা। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বর থেকে ৬ নম্বর হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিরপুর-১ নম্বর এসে শেষ হয়।