রাজশাহীর বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে ঈদুল ফিতরের দিন দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে
ঈদে রাজশাহীর বিনোদন কেন্দ্রে ভিড়
- আপডেট সময় : ১০:০৭:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ এপ্রিল ২০২৫ ১৮৭ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহীর বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে ঈদুল ফিতরের দিন দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। গত সোমবার (৩১ মার্চ) ঈদের দিন সকালে ভিড় তুলনামূলক কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে নগরের দর্শনীয় স্থানগুলো। ঈদের দুইদিন পরও বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
রাজশাহীর শহীদ জিয়া শিশুপার্ক, বড়কুঠি পদ্মার পাড়, সীমান্ত নোঙর, ভদ্রা শিশুপার্ক, রাজশাহী চিড়িয়াখানা ও কেন্দ্রীয় উদ্যানসহ বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে দর্শনার্থীদের প্রচণ্ড ভিড় দেখা গেছে। বিশেষ করে পদ্মাপাড়ে ছোট-বড় সব বয়সী মানুষের সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো।
পদ্মাপাড়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘুরতে এসেছেন লিমান ও তানভীর। লিমান জানান, ঈদের নামাজ শেষে বাসায় মিষ্টান্ন খেয়েই তারা এখানে ঘুরতে এসেছেন। তাদের বাবা আব্দুর রহমান বলেন, “নিজেদের ব্যস্ততার কারণে বাচ্চাদের তেমন সময় দেওয়া হয় না, তাই ঈদের দিনে তাদের নিয়ে বের হয়েছি।”
নগরীর টিকাপাড়া থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসেছেন লাবনী ইসলাম। তিনি বলেন, “এবারের ঈদটা একটু অন্যরকম। চাকরির সুবাদে ঢাকায় থাকি, তবে এবার পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারছি। দুপুরে সবাইকে নিয়ে বের হয়েছি, বাচ্চারা খুব আনন্দ করছে। ঈদের আনন্দটা সবাই মিলে উপভোগ করছি।”
এদিকে, ঈদ উপলক্ষে নগরীতে চলাচল করা ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশার চালকরা যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন, যা যাত্রীদের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করছে।
রিকশাচালক সফিকুল ইসলাম বলেন, “ঈদের দিন একটু বেশি ভাড়া চাইছি, তাই যাত্রীরা রেগে যাচ্ছেন। বছরে তো একদিনই এমন সুযোগ পাই, একটু সেলামি চাইলে দোষ কী!”
এনামুল হক নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন, “এবার ঈদে গ্রামের বাড়িতে যাওয়া হয়নি। রাজশাহীতেই আছি, ঈদের দিন বিনোদনকেন্দ্রে সময় কাটাচ্ছি। তবে রিকশা ও অটোরিকশা চালকরা বেশি ভাড়া চাচ্ছেন, যা ভোগান্তির কারণ হচ্ছে।”
























