ঢাকা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিপিসির সাড়ে তিন মাসে লোকসান ১৭ হাজার ৩৯ কোটি টাকা: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ অভিযান সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপির এমপি মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অডিও ভাইরাল: অভিযোগ অস্বীকার গাইবান্ধায় সাইফুল্লাহ হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহীতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সিটি কলেজে নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান: অবাঞ্ছিত ঘোষণা রাজশাহী কলেজে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অত্যন্ত সুকৌশলে ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতার বাইরে রাখা হয়েছে : অলি আহমদ বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নোটিস ছাড়াই সড়ক ও জনপথ বিভাগের উচ্ছেদ

উত্তরবঙ্গের সব পেট্রোল পাম্প অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৮:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১০৮ বার পড়া হয়েছে

 

কোনো রকম নোটিস ছাড়াই সড়ক ও জনপথ বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য উত্তরবঙ্গের সব পেট্রোল পাম্প বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস এন্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, রাজশাহী বিভাগ।

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে নিজেদের স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাপেওএ, রাজশাহী বিভাগের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মিজানুর রহমান রতন এবং বাপেওএ, রাজশাহী বিভাগের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল জলিল।

জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৪ ফেব্রুয়ারি নওগাঁ জেলার সড়ক ও জনপথ বিভাগ কোনো প্রকার পূর্বঘোষণা, নোটিশ বা আনুষ্ঠানিক চিঠি প্রদান না করে আকস্মিক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অযৌক্তিক ও অন্যায় অভিযানের ফলে পেট্রোল পাম্প মালিকগণ চরম হতাশ ও ক্ষুব্ধ। আমরা এই অভিযানের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

এতে আরও বলা হয়, আমরা দীর্ঘদিন ধরে সরকার নির্ধারিত সব নিয়ম-কানুন মেনে ও বৈধ লাইসেন্স অনুসরণ করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। নিয়মিত রাজস্ব প্রদান করে আমরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছি। অথচ, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালিত হয়ে আসলেও অতীতে কখনো এমন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়নি। এতে আমাদের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

কোনো নোটিশ ছাড়া তারা মূলত পাম্পগুলো বন্ধ করে দিতে বাধ্য করেছে বলে অভিযোগ করে মো. আব্দুল জলিল বলেন, হামিম পাম্পে মিটার ফেলে দেওয়া ও অতি উৎসাহিতভাবে ড্রেন খুলে দেওয়া হয়, যেন পাম্পে গাড়ি ঢুকতে না পারে। একইভাবে আনিকা পাম্পেও ভাঙচুর করা হয়।

প্রতিবছর উচ্ছেদ অভিযান চললেও ২৬ বছরে পুরোনো পাম্পে কখনও এই ধরনের অভিযান দেখা যায়নি দাবি করে তিনি বলেন, আমাদেরকে কোনো নোটিশ কিংবা সময় দিয়েছে, এ ধরনের কোনো ডকুমেন্ট যদি দেখাতে পারে তাহলে আমরা মেনে নেব। কিন্তু আমাদেরকে কোনো কিছু না বলে মাইকিং করে। এ ধরনের মাইকিং অনেক শোনা গেলেও পাম্পের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা কোনোদিন ঘটেনি। এই পামগুলো তো একদিনের জন্য না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নোটিস ছাড়াই সড়ক ও জনপথ বিভাগের উচ্ছেদ

উত্তরবঙ্গের সব পেট্রোল পাম্প অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

আপডেট সময় : ০২:৪৮:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

কোনো রকম নোটিস ছাড়াই সড়ক ও জনপথ বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য উত্তরবঙ্গের সব পেট্রোল পাম্প বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস এন্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, রাজশাহী বিভাগ।

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে নিজেদের স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাপেওএ, রাজশাহী বিভাগের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মিজানুর রহমান রতন এবং বাপেওএ, রাজশাহী বিভাগের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল জলিল।

জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৪ ফেব্রুয়ারি নওগাঁ জেলার সড়ক ও জনপথ বিভাগ কোনো প্রকার পূর্বঘোষণা, নোটিশ বা আনুষ্ঠানিক চিঠি প্রদান না করে আকস্মিক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অযৌক্তিক ও অন্যায় অভিযানের ফলে পেট্রোল পাম্প মালিকগণ চরম হতাশ ও ক্ষুব্ধ। আমরা এই অভিযানের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

এতে আরও বলা হয়, আমরা দীর্ঘদিন ধরে সরকার নির্ধারিত সব নিয়ম-কানুন মেনে ও বৈধ লাইসেন্স অনুসরণ করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। নিয়মিত রাজস্ব প্রদান করে আমরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছি। অথচ, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালিত হয়ে আসলেও অতীতে কখনো এমন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়নি। এতে আমাদের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

কোনো নোটিশ ছাড়া তারা মূলত পাম্পগুলো বন্ধ করে দিতে বাধ্য করেছে বলে অভিযোগ করে মো. আব্দুল জলিল বলেন, হামিম পাম্পে মিটার ফেলে দেওয়া ও অতি উৎসাহিতভাবে ড্রেন খুলে দেওয়া হয়, যেন পাম্পে গাড়ি ঢুকতে না পারে। একইভাবে আনিকা পাম্পেও ভাঙচুর করা হয়।

প্রতিবছর উচ্ছেদ অভিযান চললেও ২৬ বছরে পুরোনো পাম্পে কখনও এই ধরনের অভিযান দেখা যায়নি দাবি করে তিনি বলেন, আমাদেরকে কোনো নোটিশ কিংবা সময় দিয়েছে, এ ধরনের কোনো ডকুমেন্ট যদি দেখাতে পারে তাহলে আমরা মেনে নেব। কিন্তু আমাদেরকে কোনো কিছু না বলে মাইকিং করে। এ ধরনের মাইকিং অনেক শোনা গেলেও পাম্পের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা কোনোদিন ঘটেনি। এই পামগুলো তো একদিনের জন্য না।