ঢাকা ১০:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহী ওয়াসাকে জনমুখী করতে পরিকল্পনা এবং নাগরিক সচেতনতা সভা

খ্রীষ্টফার জয়
  • আপডেট সময় : ০৪:৪২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:


বিশুদ্ধ পানি মানবাধিকারের ভিত্তি হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু অধিকার হিসেবে স্বীকৃত হলেও এখনো এ অধিকার থেকে বিশ্বের ৭৬ কোটিরও বেশি মানুষ বঞ্চিত। দেশের ৪১% মানুষ নিরাপদ পানি সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এ প্রেক্ষিতে সুপেয় পানির অধিকার রক্ষা করা জরুরি।

এ লক্ষ্যে ওয়েভ ফাউন্ডেশন জানুয়ারি ২০২৪ থেকে ‘পানি, পয়ঃনিষ্কাশন এবং স্বাস্থ্যবিধি এর ঝুঁকি মোকাবেলায় পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন খাতে জবাবদিহিতা বৃদ্ধির জন্য সহায়তা’ শীর্ষক প্রকল্পটি রাজশাহী ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনে বাস্তবায়ন করছে।

আজ বুধবার  ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ দুপুরে নগরীর  হোটেল ওয়ারিশানে ওয়েভ ফাউন্ডেশন পরিচালিত ‘পানি ও পয়ঃনিস্কাশন খাতে শুদ্ধাচার ও সুশাসন বাস্তবায়নের অবস্থা, চ্যালেঞ্জ, সুযোগ ও করণীয় শীর্ষক গবেষণার আলোকে প্রাপ্ত মৌলিক সুপারিশসমূহ এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ২৫টি সচেতনতামূলক সেশন থেকে প্রাপ্ত সুপারিশসমূহ নিয়ে রাজশাহী ওয়াসা কর্তৃপক্ষের সাথে এক অ্যাডভোকেসি সভার আয়োজন করা হয়। অ্যাডভাকেসি সভায় উপস্থিত ছিলেন মো.জাকীর হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ওয়াসার অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

উক্ত আয়োজনে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: জাকীর হোসেন বলেন, পরিবেশগত কারণে রাজশাহীর পানিতে আয়রণের পরিমান বেশি হওয়াতে নিরাপাদ পানি সরবরাহ করা এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। এজন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। আমরা আশা করছি ২০২৭ সাল নাগাদ এই সমস্যা দূর হবে এবং নগরবাসী নিরাপদ পানি পান করতে পারবে। এজন্য আমরা একটি নতুন পানি শোধানাগারের প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করেছি। ওয়াসার পানি সিটির জনগণ ওয়াসাকে জনমুখী করতে নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ওয়েব সাইটের মাধ্যমে একজন গ্রাহক তার বিল সম্পর্কে জানতে পারছেন এবং ব্যাংক এর মাধ্যমে পানির বিল প্রদান করছে।

গ্রাহকসেবা নিশ্চিতে রাজশাহী ওয়াসা নিয়মিত গণশুনানীর আয়োজন করে। তিনি আরও বলেন, ওয়াসার সেবার মূল্য তালিকাসহ সিটিজেন চাটার্ড সকল ওয়ার্ডের কমিশনাদের কার্যালয়ে প্রেরণ করা হবে যাতে করে সকল গ্রাহকরা ওয়াসার সেবা সম্পর্কে জানতে পারেন। এছাড়া ওয়াসার বিল গ্রাহকের ঠিকানায় সময়মত পৌছানোর লক্ষ্যে এক বছরের পরিবর্তে এখন থেকে দীর্ঘসময়ের জন্য টেন্ডার দিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হবে।

সভার শুরুতে আয়োজকের পক্ষে ওয়েভ ফাউন্ডেশনের পরিচিতি এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক কানিজ ফাতেমা। সভায় প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে উপস্থাপনা করেন লিপি আমেনা, প্রকল্প সমন্বয়কারী, উইন ওয়াস প্রকল্প, ওয়েভ ফাউন্ডেশন। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আকবারুল হাসান মিল্লাত, সম্পাদক, দৈনিক সোনার দেশ, সেলিম রেজা রঞ্জু, উপ-প্রধান পরিছন্ন কর্মকর্তা, সুলতানা আহমেদ সাগরিকা, সংরক্ষিত নারী আসনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর, জাহাঙ্গীর আলম খান, পরিচালক, ডাসকো এবং মিডিয়া, স্থানীয় লোকমোর্চার সদস্য এ্বং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ। সভাটি সঞ্চলনা করেন ফয়জুল্লাহ চৌধুরী, নির্বাহী পরিচালক বরেন্দ্র উন্নয়ন প্রচেষ্টা (বিউপি)।

এসডিজি লক্ষ্য ৬ অনুসারে ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ মানুষের কাছে নিরাপদ পানি পৌঁছে দিতে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জসমূহ দূরীকরণে প্রত্যেক মানুষের কাছে নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন পৌঁছাতে সরকার অনেক নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে। তা সত্বেও এখনও পানি পরিষেবা ও ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার অনেক ঘাটতি রয়েছে। তাই সকলের জন্য মানসম্মত সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে পানি ও পয়ঃনিস্কাশন খাতে জবাবদিহিতা নিশ্চিতে গুশুনানী, অভিযোগ ব্যবস্থা, ওয়াসার কার্যক্রম সম্পর্কে নাগরিকদের জানানো এবং অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যথাযথ সমন্বয় দরকার বলে এই অ্যাডভোকেসি সভায় অংশগ্রহণকারীরা মতামত তুলে ধরেন।

পানি ও পয়ঃনিস্কাশন খাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিতে ওয়েভ ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত গবেষণার আলোকে এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ২৫টি সচেতনতামূলক সেশন থেকে বেশ কিছু সুপারিশ প্রদান করে। যার মধ্যে সুপেয় পানি ও পয়ঃনিস্কাশন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা; সেবার মূল্য তালিকা সকল ওয়ার্ডে প্রেরণ করা; নাগরিকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করতে ব্যাপকভাবে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা; প্রয়োজনে সিটিজেন চার্টার হালনাগাদ, সচেতনতামূলক তথ্য সম্বলিত বিলবোর্ড স্থাপন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা; পানি ও পয়ঃনিস্কাশন খাতে জবাবদিহিতা নিশ্চিতে বিভিন্ন সামাজিক জবাবদিহিতার পদ্ধতি অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনা, বাজেট মনিটরিং এবং গণশুনানীতে নাগরিকদের জানানো এবং অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা; ব্যবহারযোগ্য সহজে অভিযোগ দায়ের এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রিড্রেস ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে হবে। সাধারণ মানুষের জন্য অনলাইনে অভিযোগ করার পাশাপাশি বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযোগ বক্স স্থাপন করা ইত্যাদি।


প্রসঙ্গনিউজ২৪/জে.সি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহী ওয়াসাকে জনমুখী করতে পরিকল্পনা এবং নাগরিক সচেতনতা সভা

আপডেট সময় : ০৪:৪২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক:


বিশুদ্ধ পানি মানবাধিকারের ভিত্তি হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু অধিকার হিসেবে স্বীকৃত হলেও এখনো এ অধিকার থেকে বিশ্বের ৭৬ কোটিরও বেশি মানুষ বঞ্চিত। দেশের ৪১% মানুষ নিরাপদ পানি সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এ প্রেক্ষিতে সুপেয় পানির অধিকার রক্ষা করা জরুরি।

এ লক্ষ্যে ওয়েভ ফাউন্ডেশন জানুয়ারি ২০২৪ থেকে ‘পানি, পয়ঃনিষ্কাশন এবং স্বাস্থ্যবিধি এর ঝুঁকি মোকাবেলায় পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন খাতে জবাবদিহিতা বৃদ্ধির জন্য সহায়তা’ শীর্ষক প্রকল্পটি রাজশাহী ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনে বাস্তবায়ন করছে।

আজ বুধবার  ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ দুপুরে নগরীর  হোটেল ওয়ারিশানে ওয়েভ ফাউন্ডেশন পরিচালিত ‘পানি ও পয়ঃনিস্কাশন খাতে শুদ্ধাচার ও সুশাসন বাস্তবায়নের অবস্থা, চ্যালেঞ্জ, সুযোগ ও করণীয় শীর্ষক গবেষণার আলোকে প্রাপ্ত মৌলিক সুপারিশসমূহ এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ২৫টি সচেতনতামূলক সেশন থেকে প্রাপ্ত সুপারিশসমূহ নিয়ে রাজশাহী ওয়াসা কর্তৃপক্ষের সাথে এক অ্যাডভোকেসি সভার আয়োজন করা হয়। অ্যাডভাকেসি সভায় উপস্থিত ছিলেন মো.জাকীর হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ওয়াসার অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

উক্ত আয়োজনে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: জাকীর হোসেন বলেন, পরিবেশগত কারণে রাজশাহীর পানিতে আয়রণের পরিমান বেশি হওয়াতে নিরাপাদ পানি সরবরাহ করা এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। এজন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। আমরা আশা করছি ২০২৭ সাল নাগাদ এই সমস্যা দূর হবে এবং নগরবাসী নিরাপদ পানি পান করতে পারবে। এজন্য আমরা একটি নতুন পানি শোধানাগারের প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করেছি। ওয়াসার পানি সিটির জনগণ ওয়াসাকে জনমুখী করতে নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ওয়েব সাইটের মাধ্যমে একজন গ্রাহক তার বিল সম্পর্কে জানতে পারছেন এবং ব্যাংক এর মাধ্যমে পানির বিল প্রদান করছে।

গ্রাহকসেবা নিশ্চিতে রাজশাহী ওয়াসা নিয়মিত গণশুনানীর আয়োজন করে। তিনি আরও বলেন, ওয়াসার সেবার মূল্য তালিকাসহ সিটিজেন চাটার্ড সকল ওয়ার্ডের কমিশনাদের কার্যালয়ে প্রেরণ করা হবে যাতে করে সকল গ্রাহকরা ওয়াসার সেবা সম্পর্কে জানতে পারেন। এছাড়া ওয়াসার বিল গ্রাহকের ঠিকানায় সময়মত পৌছানোর লক্ষ্যে এক বছরের পরিবর্তে এখন থেকে দীর্ঘসময়ের জন্য টেন্ডার দিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হবে।

সভার শুরুতে আয়োজকের পক্ষে ওয়েভ ফাউন্ডেশনের পরিচিতি এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক কানিজ ফাতেমা। সভায় প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে উপস্থাপনা করেন লিপি আমেনা, প্রকল্প সমন্বয়কারী, উইন ওয়াস প্রকল্প, ওয়েভ ফাউন্ডেশন। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আকবারুল হাসান মিল্লাত, সম্পাদক, দৈনিক সোনার দেশ, সেলিম রেজা রঞ্জু, উপ-প্রধান পরিছন্ন কর্মকর্তা, সুলতানা আহমেদ সাগরিকা, সংরক্ষিত নারী আসনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর, জাহাঙ্গীর আলম খান, পরিচালক, ডাসকো এবং মিডিয়া, স্থানীয় লোকমোর্চার সদস্য এ্বং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ। সভাটি সঞ্চলনা করেন ফয়জুল্লাহ চৌধুরী, নির্বাহী পরিচালক বরেন্দ্র উন্নয়ন প্রচেষ্টা (বিউপি)।

এসডিজি লক্ষ্য ৬ অনুসারে ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ মানুষের কাছে নিরাপদ পানি পৌঁছে দিতে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জসমূহ দূরীকরণে প্রত্যেক মানুষের কাছে নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন পৌঁছাতে সরকার অনেক নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে। তা সত্বেও এখনও পানি পরিষেবা ও ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার অনেক ঘাটতি রয়েছে। তাই সকলের জন্য মানসম্মত সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে পানি ও পয়ঃনিস্কাশন খাতে জবাবদিহিতা নিশ্চিতে গুশুনানী, অভিযোগ ব্যবস্থা, ওয়াসার কার্যক্রম সম্পর্কে নাগরিকদের জানানো এবং অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যথাযথ সমন্বয় দরকার বলে এই অ্যাডভোকেসি সভায় অংশগ্রহণকারীরা মতামত তুলে ধরেন।

পানি ও পয়ঃনিস্কাশন খাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিতে ওয়েভ ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত গবেষণার আলোকে এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ২৫টি সচেতনতামূলক সেশন থেকে বেশ কিছু সুপারিশ প্রদান করে। যার মধ্যে সুপেয় পানি ও পয়ঃনিস্কাশন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা; সেবার মূল্য তালিকা সকল ওয়ার্ডে প্রেরণ করা; নাগরিকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করতে ব্যাপকভাবে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা; প্রয়োজনে সিটিজেন চার্টার হালনাগাদ, সচেতনতামূলক তথ্য সম্বলিত বিলবোর্ড স্থাপন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা; পানি ও পয়ঃনিস্কাশন খাতে জবাবদিহিতা নিশ্চিতে বিভিন্ন সামাজিক জবাবদিহিতার পদ্ধতি অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনা, বাজেট মনিটরিং এবং গণশুনানীতে নাগরিকদের জানানো এবং অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা; ব্যবহারযোগ্য সহজে অভিযোগ দায়ের এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রিড্রেস ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে হবে। সাধারণ মানুষের জন্য অনলাইনে অভিযোগ করার পাশাপাশি বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযোগ বক্স স্থাপন করা ইত্যাদি।


প্রসঙ্গনিউজ২৪/জে.সি