ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কোরবানির ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে গত ১৪ জুন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৪:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০২৩ ৯৯ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:


ঈদ-উল-ফিতরের মতই ঈদ-উল-আজহাতেও বাংলাদেশের সব ট্রেনের টিকিট বিক্রি করা হবে অনলাইনে। এইজন্য কোন কাউন্টার থেকেই টিকিট পাওয়া যাবে না।

আগামী ২৯ জুন ঈদ-উল-আজহা বা কোরবানির ইদ পালিত হবে ধরা হয়েছে। সেইমতই পরিকল্পনা করেছে রেল। ওই সময়ে আট জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানোর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন জানিয়েছেন, ঈদ-উল-আজহার সময়ের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে গত ১৪ জুন থেকে। তিনি জানান, এখন যে আন্তঃনগর বা ইন্টারসিটি ট্রেন চলে তারসঙ্গেই সেই সময়ে অতিরিক্ত আটটি স্পেশাল ট্রেন চালানো হবে। বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী জানান, সব মিলিয়ে দিনে ২৯ হাজার সিটের টিকিট দেওয়া হবে।

অনলাইনেই এই অগ্রিম টিকিট কাটতে হবে যাত্রীদের। বিক্রিত অগ্রিম টিকিট ফেরত নেওয়া বা বাতিল করা হবে না। বাংলাদেশ রেল জানিয়েছে, ২৯ জুন ঈদ হবে ধরে নিয়ে পরিকল্পনা করা হয়েছে। ওই পরিকল্পনা অনুসারে, ২৪ জুন থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত সব আন্তঃনগর ট্রেন সপ্তাহের প্রতিদিনই চলবে।

এবার পূর্বাঞ্চল এবং পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট আলাদাভাবে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলমন্ত্রক। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পশ্চিমাঞ্চলের সব ইন্টারসিটি ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলির টিকিট দুপুর ১২টা থেকে দেওয়া হবে। রেলের পরিকল্পনা অনুসারে, ট্রেন যাত্রার ১০দিন আগে ওই অগ্রীম টিকিট দেওয়া হবে।

যেমন ২৪ জুনের টিকিট ১৪ তারিখে, ২৮ জুনের টিকিট দেওয়া হবে ১৮ জুন। ইদের সময়ে ফিরতি ট্রেনের অগ্রিম টিকিট দেওয়া হবে ২২ জুন থেকে। সেই হিসাবে ২ জুলাই ট্রেনের টিকিট ২২ জুন দেওয়া হবে।

ঈদের সময়ে ২৬ জুন রাত ১২ টা থেকে ২৯ জুন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে কনটেনার ও জ্বালানি তেলবাহী ট্রেন চলাচল করবে। এইসঙ্গেই যাত্রীদের সুবিধার জন্য ইদের আগের পাঁচদিন জয়দেবপুর ও বিমানবন্দর স্টেশন থেকে ঢাকামুখী (কমলাপুর) টিকিট বিক্রি বন্ধ থাকবে।

এরই সঙ্গে ২৬ জুন থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এবং ঈদের পরদিন থেকে পাঁচদিন চাঁদপুর-চট্টগ্রাম এবং ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ পথে তিন জোড়া ও ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে একজোড়া বিশেষ ট্রেন চালানো হবে। সেইসঙ্গে ঢাকা থেকে পঞ্চগড় এবং লালমনিরহাট রুটেও স্পেশাল ট্রেন চালানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন ট্রেনে অতিরিক্ত কামরাও যোগ করা হবে।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে.সি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কোরবানির ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে গত ১৪ জুন

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০২৩

নিউজ ডেস্ক:


ঈদ-উল-ফিতরের মতই ঈদ-উল-আজহাতেও বাংলাদেশের সব ট্রেনের টিকিট বিক্রি করা হবে অনলাইনে। এইজন্য কোন কাউন্টার থেকেই টিকিট পাওয়া যাবে না।

আগামী ২৯ জুন ঈদ-উল-আজহা বা কোরবানির ইদ পালিত হবে ধরা হয়েছে। সেইমতই পরিকল্পনা করেছে রেল। ওই সময়ে আট জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানোর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন জানিয়েছেন, ঈদ-উল-আজহার সময়ের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে গত ১৪ জুন থেকে। তিনি জানান, এখন যে আন্তঃনগর বা ইন্টারসিটি ট্রেন চলে তারসঙ্গেই সেই সময়ে অতিরিক্ত আটটি স্পেশাল ট্রেন চালানো হবে। বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী জানান, সব মিলিয়ে দিনে ২৯ হাজার সিটের টিকিট দেওয়া হবে।

অনলাইনেই এই অগ্রিম টিকিট কাটতে হবে যাত্রীদের। বিক্রিত অগ্রিম টিকিট ফেরত নেওয়া বা বাতিল করা হবে না। বাংলাদেশ রেল জানিয়েছে, ২৯ জুন ঈদ হবে ধরে নিয়ে পরিকল্পনা করা হয়েছে। ওই পরিকল্পনা অনুসারে, ২৪ জুন থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত সব আন্তঃনগর ট্রেন সপ্তাহের প্রতিদিনই চলবে।

এবার পূর্বাঞ্চল এবং পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট আলাদাভাবে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলমন্ত্রক। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পশ্চিমাঞ্চলের সব ইন্টারসিটি ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলির টিকিট দুপুর ১২টা থেকে দেওয়া হবে। রেলের পরিকল্পনা অনুসারে, ট্রেন যাত্রার ১০দিন আগে ওই অগ্রীম টিকিট দেওয়া হবে।

যেমন ২৪ জুনের টিকিট ১৪ তারিখে, ২৮ জুনের টিকিট দেওয়া হবে ১৮ জুন। ইদের সময়ে ফিরতি ট্রেনের অগ্রিম টিকিট দেওয়া হবে ২২ জুন থেকে। সেই হিসাবে ২ জুলাই ট্রেনের টিকিট ২২ জুন দেওয়া হবে।

ঈদের সময়ে ২৬ জুন রাত ১২ টা থেকে ২৯ জুন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে কনটেনার ও জ্বালানি তেলবাহী ট্রেন চলাচল করবে। এইসঙ্গেই যাত্রীদের সুবিধার জন্য ইদের আগের পাঁচদিন জয়দেবপুর ও বিমানবন্দর স্টেশন থেকে ঢাকামুখী (কমলাপুর) টিকিট বিক্রি বন্ধ থাকবে।

এরই সঙ্গে ২৬ জুন থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এবং ঈদের পরদিন থেকে পাঁচদিন চাঁদপুর-চট্টগ্রাম এবং ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ পথে তিন জোড়া ও ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে একজোড়া বিশেষ ট্রেন চালানো হবে। সেইসঙ্গে ঢাকা থেকে পঞ্চগড় এবং লালমনিরহাট রুটেও স্পেশাল ট্রেন চালানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন ট্রেনে অতিরিক্ত কামরাও যোগ করা হবে।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে.সি