ঢাকা ০১:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দূর্নীতি রোধকল্পে জুলাই বিপ্লবের আবশ্যিকতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৫:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫ ৯৯ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: পাঠক, একটি মুসলিম রিয়াসাতকে পরাধীন হওয়ার জন্য দূর্নীতি হল অন্যতম কারণ। শুধু একটি মুসলিম রিয়াসাত নয় , বরং দূর্নীতি হল মানব সভ্যতার অন্যতম অভিশাপ। দূর্নীতি মানুষের স্বাভাবিক চিন্তা চেতনা ঊম্মেষ তথা বিকশিত হবার ক্ষেত্রে অন্যতম বাধা, কারণ দূর্নীতিতে নিমজ্জিত হলে কোন ইলম বা নতুনত্ব বিকশিত হবার সম্ভাবনা নেই।

মানুষ যদি কোন কিছু দূর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করতে পারে, তাহলে এর জন্য জনগন কখনো চিন্তা শক্তি ব্যয় করবে না। প্রতিটি উদ্ভাবন বা নতুনত্বের পিছনে রয়েছে চিন্তা শক্তি। যদি দূর্নীতির কারনে চিন্তা শক্তি রোধ হয়ে যায়, তাহলে উদ্ভাবন বা নতুনত্ব আসার কোন সম্ভাবনা নেই। দূর্নীতির আরো কু প্রভাব রয়েছে। যেমন দূর্নীতির মাধ্যমে ন্যায় বিচারকে প্রভাবিত করে, মানুষের হক নষ্ট হয়ে থাকে।

পাঠক, আওয়ামী লীগ আপাদমস্তক একটি দূর্নীতি বাজ দল। এই দলটি হিন্দুত্ববাদ প্রতিষ্টার নিমিত্তে আত্ম নিবেদিত যে দল সব সময় দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত থাকে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ দুর্নীতির এমন উচ্চ শিখরে পৌঁছে যায় যা ভারতবর্ষের ইতিহাসে ইতিপূর্বে নজির নেই ‌।

১৯৭২ সালে রেড ক্রিসেন্ট করতে সাড়ে ৭ কোটি কম্বল তারা গায়েব করে ফেলেছে এবং গাজী গোলাম মোস্তফা নামক এক দুর্নীতিবাজ লোক এই সমস্ত টাকা ভারতে পাচার করেছিল । আওয়ামী লীগ সব সময় বাংলাদেশে এসে তারা দুর্নীতি টাকা ভারতে পাচার করে এবং এসব দুর্নীতির টাকা দিয়ে তারা ভারতের সাথে দক্ষতা না

২০০৯ সালে হাসিনা ক্ষমতায় এসে দুর্নীতিতে যারা ভালো এবং দক্ষ তাদেরকে তার সহযোগিতা হিসেবে মনোনয়ন দান করে, কারণ দুর্নীতিবাজ লোকগুলি কোন অপরাধের প্রতিবাদ করতে সাহস পাই না এবং দুর্নীতিবাজ লোকগুলি গোলামের পিঞ্জিরা আবদ্ধ হতে ভালোবাসে । এই ২০০৯ সালে হাসিনার এদেশে ক্ষমতায় আসার পেছনে কারণ ছিল যে বাংলাদেশকে তারা অর্থাৎ ভারতের হিন্দুত্ববাদে শক্তি দখল করে ফেলবে এজন্য দুর্নীতিতে বারবার বারবার তারা সহায়তা করেছে ।

এই হাসিনার আমলে সরকারি অফিসে দূর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হত , এমনকি শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ও দূর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হত । অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দূর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করে ।

হাসিনার অফিসের একজন পিয়ন ও শতকোটি টাকার মালিক ছিল। দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেয়া হত । এমনকি নিজ দলের লোকজনকে দূর্নীতির সুযোগ করে দিত ।

এই আমলটি বাংলাদেশের সর্বকালের সবচেয়ে বেশি দূর্নীতি হয়েছে। নিজেরা দূর্নীতি করেছে অথচ একজন সৎ প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সাজানো দূর্নীতির মামলায় জেলে পুরানো হয়েছিল। এই দূর্নীতিবাজদের উৎখাত করতে জুলাই বিপ্লব আবশ্যক ছিল।

হাসিনার শাসন আমলটি ছিল মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ দূর্নীতিবাজ শাসন ব্যবস্থার একটি । প্রধানমন্ত্রীর অফিসের একজন পিয়ন যদি শত কোটি টাকার মালিক হয় , তাহলে বুঝেন দূর্নীতি কোন পর্যায়ে উপনীত হয়েছিল । সারা দেশ দূর্নীতির কবলে নিপতিত হয়েছিল। তাই একটি মুসলিম রিয়াসাতকে দূর্নীতির করাল গ্রাস হতে বাঁচানোর জন্য জুলাই বিপ্লব ছিল অপরিহার্য।

আল্লাহ জুলাই বিপ্লবের শহীদদের জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দূর্নীতি রোধকল্পে জুলাই বিপ্লবের আবশ্যিকতা

আপডেট সময় : ০৩:৩৫:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫

মোঃ মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া: পাঠক, একটি মুসলিম রিয়াসাতকে পরাধীন হওয়ার জন্য দূর্নীতি হল অন্যতম কারণ। শুধু একটি মুসলিম রিয়াসাত নয় , বরং দূর্নীতি হল মানব সভ্যতার অন্যতম অভিশাপ। দূর্নীতি মানুষের স্বাভাবিক চিন্তা চেতনা ঊম্মেষ তথা বিকশিত হবার ক্ষেত্রে অন্যতম বাধা, কারণ দূর্নীতিতে নিমজ্জিত হলে কোন ইলম বা নতুনত্ব বিকশিত হবার সম্ভাবনা নেই।

মানুষ যদি কোন কিছু দূর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করতে পারে, তাহলে এর জন্য জনগন কখনো চিন্তা শক্তি ব্যয় করবে না। প্রতিটি উদ্ভাবন বা নতুনত্বের পিছনে রয়েছে চিন্তা শক্তি। যদি দূর্নীতির কারনে চিন্তা শক্তি রোধ হয়ে যায়, তাহলে উদ্ভাবন বা নতুনত্ব আসার কোন সম্ভাবনা নেই। দূর্নীতির আরো কু প্রভাব রয়েছে। যেমন দূর্নীতির মাধ্যমে ন্যায় বিচারকে প্রভাবিত করে, মানুষের হক নষ্ট হয়ে থাকে।

পাঠক, আওয়ামী লীগ আপাদমস্তক একটি দূর্নীতি বাজ দল। এই দলটি হিন্দুত্ববাদ প্রতিষ্টার নিমিত্তে আত্ম নিবেদিত যে দল সব সময় দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত থাকে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ দুর্নীতির এমন উচ্চ শিখরে পৌঁছে যায় যা ভারতবর্ষের ইতিহাসে ইতিপূর্বে নজির নেই ‌।

১৯৭২ সালে রেড ক্রিসেন্ট করতে সাড়ে ৭ কোটি কম্বল তারা গায়েব করে ফেলেছে এবং গাজী গোলাম মোস্তফা নামক এক দুর্নীতিবাজ লোক এই সমস্ত টাকা ভারতে পাচার করেছিল । আওয়ামী লীগ সব সময় বাংলাদেশে এসে তারা দুর্নীতি টাকা ভারতে পাচার করে এবং এসব দুর্নীতির টাকা দিয়ে তারা ভারতের সাথে দক্ষতা না

২০০৯ সালে হাসিনা ক্ষমতায় এসে দুর্নীতিতে যারা ভালো এবং দক্ষ তাদেরকে তার সহযোগিতা হিসেবে মনোনয়ন দান করে, কারণ দুর্নীতিবাজ লোকগুলি কোন অপরাধের প্রতিবাদ করতে সাহস পাই না এবং দুর্নীতিবাজ লোকগুলি গোলামের পিঞ্জিরা আবদ্ধ হতে ভালোবাসে । এই ২০০৯ সালে হাসিনার এদেশে ক্ষমতায় আসার পেছনে কারণ ছিল যে বাংলাদেশকে তারা অর্থাৎ ভারতের হিন্দুত্ববাদে শক্তি দখল করে ফেলবে এজন্য দুর্নীতিতে বারবার বারবার তারা সহায়তা করেছে ।

এই হাসিনার আমলে সরকারি অফিসে দূর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হত , এমনকি শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ও দূর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হত । অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দূর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করে ।

হাসিনার অফিসের একজন পিয়ন ও শতকোটি টাকার মালিক ছিল। দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেয়া হত । এমনকি নিজ দলের লোকজনকে দূর্নীতির সুযোগ করে দিত ।

এই আমলটি বাংলাদেশের সর্বকালের সবচেয়ে বেশি দূর্নীতি হয়েছে। নিজেরা দূর্নীতি করেছে অথচ একজন সৎ প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সাজানো দূর্নীতির মামলায় জেলে পুরানো হয়েছিল। এই দূর্নীতিবাজদের উৎখাত করতে জুলাই বিপ্লব আবশ্যক ছিল।

হাসিনার শাসন আমলটি ছিল মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ দূর্নীতিবাজ শাসন ব্যবস্থার একটি । প্রধানমন্ত্রীর অফিসের একজন পিয়ন যদি শত কোটি টাকার মালিক হয় , তাহলে বুঝেন দূর্নীতি কোন পর্যায়ে উপনীত হয়েছিল । সারা দেশ দূর্নীতির কবলে নিপতিত হয়েছিল। তাই একটি মুসলিম রিয়াসাতকে দূর্নীতির করাল গ্রাস হতে বাঁচানোর জন্য জুলাই বিপ্লব ছিল অপরিহার্য।

আল্লাহ জুলাই বিপ্লবের শহীদদের জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।