সমঝোতায় হচ্ছে রুয়া নির্বাচন: আওয়ামীপন্থিদের পদ পাওয়ার গুঞ্জন
- আপডেট সময় : ০৪:৫৮:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫ ৪৮ বার পড়া হয়েছে
নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র বলছে, কয়েক দিনের মিটিংয়ে দরকষাকষির পর এখন পর্যন্ত সভাপতিসহ বিএনপিপন্থিদের ভাগে রয়েছে ১৭টি পদ। কোষাধ্যক্ষসহ সমসংখ্যক পদ পেতে পারেন জামায়াতপন্থিরা। অন্যদিকে জাসদ-মৈত্রী ভাগে পেতে পারে সাধারণ সম্পাদকসহ ১১টি পদ। এতসব ভাগাভাগির মধ্যেও বাদ যায়নি আওয়ামীপন্থিদের নাম। সহসভাপতিসহ ছয়টি পদ পেতে পারেন তারা।
জামায়াতপন্থি শিক্ষক অধ্যাপক ড. নিজাম উদ্দিন বলেন, আমাদের কোষাধ্যক্ষসহ ১৭টি পদ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে আমরা এখনো এ বিষয়ে কোনো কথা বলিনি। আমরা সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ পদ চেয়েছি। বিস্তারিত পরে বলা যাবে।
আওয়ামীপন্থিদের ভাগ দেওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, আলোচনায় আওয়ামীপন্থি সাবেক উপউপাচার্যের নেতৃত্বে ছয়টি পদ দেওয়ার বিষয়ে কথা উঠেছে কিন্তু এখনো চূড়ান্ত কিছু হয়নি। তবে তাদের ভাগ দেওয়া হলে কিংবা আমাদের দাবি মানা না হলে কী সিদ্ধান্ত নেব, আমরা তা পরবর্তীতে বলতে পারব।
এ বিষয়ে জাসদ-মৈত্রীর পক্ষ থেকে আইয়ুব আলী খান সমঝোতার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমাদের ১১টি পদ দিতে চাইলেও আমরা আরো বেশি পদ চেয়েছি। এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়নি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামীপন্থি এক শিক্ষক বলেন, আমরা দল-মত দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে ভাগ করতে চাই না। এ ধরনের ট্যাগিং ভালো কালচার নয়। দেশে মবের জন্য থাকা যাচ্ছে না। রুয়া একটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। আমরা দল হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেব না। যে কেউ আমাদের মধ্যে থাকতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রুয়ার অ্যাডহক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. একরামুল হামিদ বলেন, সবার অংশীদারত্ব নিশ্চিতে দলগুলো পরস্পর আলোচনা করছে। তবে ভাগাভাগি বা সমঝোতার বিষয়ে আমি কিছু জানি না।
রুয়া নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. এফ নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা নির্বাচনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। ভোটাররা আসবেন, ভোট দেবেন। আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের ব্যবস্থা করব। এর বাইরের কোনো বিষয় নিয়ে আমরা জানিও না, ভাবছিও না।





















