ঢাকা ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেন্টমার্টিনে তলিয়ে গেছে শতাধিক বাড়ি, দ্বীপের চারপাশে ভাঙন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫ ৮৬ বার পড়া হয়েছে

সেন্টমার্টিন ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম জানান, বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টির পর বৈরী আবহাওয়ায় স্বাভাবিকের চেয়ে জোয়ারের পানি চার-পাঁচ ফুট বেড়ে যাওয়ায় দ্বীপের গলাচিপা, কোনাপাড়া, দক্ষিণপাড়া পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে অন্তত শতাধিক ঘরবাড়ি পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, রাতে বাতাস একটু কমলেও হোটেল-মোটেলসহ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়। এছাড়া বিএন স্কুলকে আশ্রয়কেন্দ্র করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ মে) ভোররাতে আবারও ঝড়ো বাতাস বয়ে গেছে। অব্যাহত রয়েছে ভারী বর্ষণ।

অপরদিকে, গত চারদিন ধরে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে দ্বীপের মানুষের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। দ্বীপের মানুষের খারাপ সময় যাচ্ছে। তার ওপর ঝোড়ো বাতাস ও সাগরের পানির উচ্চতা বাড়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুণ।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের বাসিন্দা আবদুল মালেক বলেন, বঙ্গোপসাগরে পানির উচ্চতা বেড়েছে। ফলে সাগরের তীরে থাকা কয়েকটি এলাকায় পানি ঢুকেছে। এতে দ্বীপের চারদিকে ভাঙন ধরেছে। এখনো অনেক বাড়িঘর পানিবন্দি হয়ে আছে।

জাগোনিউজের খবর পেতে ফলো করুন

ইউএনও আরও বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে গত চারদিন সেন্টমার্টিনে পণ্যবাহী ট্রলারগুলো যেতে পারেনি। ফলে, খাদ্য সংকটের দিকে যাচ্ছে সময়। আবহাওয়া স্বাভাবিকের দিকে গেলেই দ্রুত পণ্যবাহী ট্রলারগুলো সেন্টমার্টিনে পৌঁছানো যাবে বলে আশা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সেন্টমার্টিনে তলিয়ে গেছে শতাধিক বাড়ি, দ্বীপের চারপাশে ভাঙন

আপডেট সময় : ০৩:২৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

সেন্টমার্টিন ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম জানান, বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টির পর বৈরী আবহাওয়ায় স্বাভাবিকের চেয়ে জোয়ারের পানি চার-পাঁচ ফুট বেড়ে যাওয়ায় দ্বীপের গলাচিপা, কোনাপাড়া, দক্ষিণপাড়া পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে অন্তত শতাধিক ঘরবাড়ি পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, রাতে বাতাস একটু কমলেও হোটেল-মোটেলসহ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়। এছাড়া বিএন স্কুলকে আশ্রয়কেন্দ্র করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ মে) ভোররাতে আবারও ঝড়ো বাতাস বয়ে গেছে। অব্যাহত রয়েছে ভারী বর্ষণ।

অপরদিকে, গত চারদিন ধরে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে দ্বীপের মানুষের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। দ্বীপের মানুষের খারাপ সময় যাচ্ছে। তার ওপর ঝোড়ো বাতাস ও সাগরের পানির উচ্চতা বাড়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুণ।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের বাসিন্দা আবদুল মালেক বলেন, বঙ্গোপসাগরে পানির উচ্চতা বেড়েছে। ফলে সাগরের তীরে থাকা কয়েকটি এলাকায় পানি ঢুকেছে। এতে দ্বীপের চারদিকে ভাঙন ধরেছে। এখনো অনেক বাড়িঘর পানিবন্দি হয়ে আছে।

জাগোনিউজের খবর পেতে ফলো করুন

ইউএনও আরও বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে গত চারদিন সেন্টমার্টিনে পণ্যবাহী ট্রলারগুলো যেতে পারেনি। ফলে, খাদ্য সংকটের দিকে যাচ্ছে সময়। আবহাওয়া স্বাভাবিকের দিকে গেলেই দ্রুত পণ্যবাহী ট্রলারগুলো সেন্টমার্টিনে পৌঁছানো যাবে বলে আশা করছি।