ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিপিসির সাড়ে তিন মাসে লোকসান ১৭ হাজার ৩৯ কোটি টাকা: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ অভিযান সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপির এমপি মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অডিও ভাইরাল: অভিযোগ অস্বীকার গাইবান্ধায় সাইফুল্লাহ হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহীতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সিটি কলেজে নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান: অবাঞ্ছিত ঘোষণা রাজশাহী কলেজে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অত্যন্ত সুকৌশলে ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতার বাইরে রাখা হয়েছে : অলি আহমদ বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক পাকিস্তান। অথচ, ফাইনালের পর পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে রাখা হয়নি পাকিস্তানের কোনো প্রতিনিধিকে

আইসিসির কাছে ব্যাখ্যা দাবি পাকিস্তানের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫ ৯৭ বার পড়া হয়েছে

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক পাকিস্তান। অথচ, ফাইনালের পর পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে রাখা হয়নি পাকিস্তানের কোনো প্রতিনিধিকে। পিসিবি চেয়ারম্যান মাহসিন থাকতে না পারলেও তিনি পিসিবি সিইও ও টুর্নামেন্ট ডিরেক্টর সুমাইর আহমেদকে প্রতিনিধি হিসেবে দুবাই পাঠিয়েছিলেন। গ্যালারিতে থাকলেও তাকে মঞ্চে ওঠার আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

এ নিয়ে বিতর্ক ক্রমশ বাড়ছে। এবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আইসিসির কাছে এ ঘটনার ব্যাখ্যা দাবি করা হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে আইসিসির কাছে জানতে চাওয়া হলো, বোর্ডের প্রতিনিধি থাকা সত্ত্বেও কেন তাকে মঞ্চে ডাকা হল না? ঘটনাটি নিয়ে পিসিবি বেজায় ক্ষুব্ধ বলে জানা গেছে।

 

সোমবারই পিটিআই সংবাদ প্রকাশ করেঠেছ, ‘পাকিস্তান বোর্ডের সিইও সুমাইর আহমেদ উপস্থিত ছিলেন দুবাই স্টেডিয়ামে। তবু পুরস্কারমঞ্চে তাকে ডাকা হয়নি।’ ওই সূত্র বলছেন, ‘পিসিবি চেয়ারম্যান মাহসিন নকভি ফাইনালের দিন দুবাইয়ে থাকতে পারেননি। কারণ দেশের প্রাদেশিক মন্ত্রী হিসাবে পূর্বনির্ধারিত কিছু কাজ ছিল তার। তবে সিইও-কে পাঠানো হয়েছিল দুবাইয়ে। কিন্তু তাকে মঞ্চে ডাকা হয়নি।”

ওই সূত্রের দাবি, ভুল বোঝাবুঝির কারণে পাকিস্তান বোর্ডের কর্মকর্তাকে মঞ্চে ডাকা হয়নি। হয়তো সিইও সেখানে উপস্থিত ছিলেন, তা আইসিসির প্রতিনিধিদের কাছে বিষয়টি পরিস্কার ছিল না। আইসিসি’র পক্ষ থেকে এই গাফিলতি পাকিস্তান বরদাস্ত করবে না বলে জানা গেছে। সরকারি ভাবে চিঠি লিখে বিষয়টি কেন ঘটল তা জানতে চাওয়া হবে।

 

উল্লেখ্য, রীতি অনুযায়ী মঞ্চে থাকা উচিত ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কোনও কর্মকর্তার। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি রজার বিনি এবং সচিব দেবজিত শাইকিয়া থাকলেও পাকিস্তানের কোনও কর্মকর্তা ছিলেন না। ছিলেন আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহও। অর্থাৎ, মঞ্চের তিন প্রধান অতিথিই ভারতীয় ছিলেন।

বিতর্কের মুখে আইসিসির এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘পিসিবি চেয়ারম্যান মাহসিন নকভি রোববার দুবাইয়ে আসতে পারেননি। তাকে পাওয়া যায়নি। নিয়ম অনুযায়ী শুধু বোর্ড কর্তারাই পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে থাকতে পারেন। পিসিবির অন্য কোনও কর্তাও ছিলেন না। পাকিস্তানই প্রতিযোগিতার মূল আয়োজক। পিসিবির পক্ষে কারও উপস্থিত থাকা উচিত ছিল।’

এ নিয়ে সবার আগে সমালোচনা মুখর ছিলেন শোয়েব আখতার। এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘ভারত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছে। ওদের অভিনন্দন। কিন্তু পুরস্কার দেওয়ার সময় পাকিস্তানের কোনও প্রতিনিধিকে দেখতে পেলাম না। পাকিস্তান আয়োজক দেশ। অথচ আমাদেরই কেউ সেখানে নেই। আমি ভাবতেই পারছি না। পুরো বিষয়টা আমার মাথার উপর দিয়ে গেছে। আমরাই আয়োজন করলাম। অথচ আমাদেরই কাউকে দুবাইয়ে দেখা গেল না। খুব হতাশ লাগছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক পাকিস্তান। অথচ, ফাইনালের পর পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে রাখা হয়নি পাকিস্তানের কোনো প্রতিনিধিকে

আইসিসির কাছে ব্যাখ্যা দাবি পাকিস্তানের

আপডেট সময় : ০৩:৪১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক পাকিস্তান। অথচ, ফাইনালের পর পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে রাখা হয়নি পাকিস্তানের কোনো প্রতিনিধিকে। পিসিবি চেয়ারম্যান মাহসিন থাকতে না পারলেও তিনি পিসিবি সিইও ও টুর্নামেন্ট ডিরেক্টর সুমাইর আহমেদকে প্রতিনিধি হিসেবে দুবাই পাঠিয়েছিলেন। গ্যালারিতে থাকলেও তাকে মঞ্চে ওঠার আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

এ নিয়ে বিতর্ক ক্রমশ বাড়ছে। এবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আইসিসির কাছে এ ঘটনার ব্যাখ্যা দাবি করা হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে আইসিসির কাছে জানতে চাওয়া হলো, বোর্ডের প্রতিনিধি থাকা সত্ত্বেও কেন তাকে মঞ্চে ডাকা হল না? ঘটনাটি নিয়ে পিসিবি বেজায় ক্ষুব্ধ বলে জানা গেছে।

 

সোমবারই পিটিআই সংবাদ প্রকাশ করেঠেছ, ‘পাকিস্তান বোর্ডের সিইও সুমাইর আহমেদ উপস্থিত ছিলেন দুবাই স্টেডিয়ামে। তবু পুরস্কারমঞ্চে তাকে ডাকা হয়নি।’ ওই সূত্র বলছেন, ‘পিসিবি চেয়ারম্যান মাহসিন নকভি ফাইনালের দিন দুবাইয়ে থাকতে পারেননি। কারণ দেশের প্রাদেশিক মন্ত্রী হিসাবে পূর্বনির্ধারিত কিছু কাজ ছিল তার। তবে সিইও-কে পাঠানো হয়েছিল দুবাইয়ে। কিন্তু তাকে মঞ্চে ডাকা হয়নি।”

ওই সূত্রের দাবি, ভুল বোঝাবুঝির কারণে পাকিস্তান বোর্ডের কর্মকর্তাকে মঞ্চে ডাকা হয়নি। হয়তো সিইও সেখানে উপস্থিত ছিলেন, তা আইসিসির প্রতিনিধিদের কাছে বিষয়টি পরিস্কার ছিল না। আইসিসি’র পক্ষ থেকে এই গাফিলতি পাকিস্তান বরদাস্ত করবে না বলে জানা গেছে। সরকারি ভাবে চিঠি লিখে বিষয়টি কেন ঘটল তা জানতে চাওয়া হবে।

 

উল্লেখ্য, রীতি অনুযায়ী মঞ্চে থাকা উচিত ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কোনও কর্মকর্তার। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি রজার বিনি এবং সচিব দেবজিত শাইকিয়া থাকলেও পাকিস্তানের কোনও কর্মকর্তা ছিলেন না। ছিলেন আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহও। অর্থাৎ, মঞ্চের তিন প্রধান অতিথিই ভারতীয় ছিলেন।

বিতর্কের মুখে আইসিসির এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘পিসিবি চেয়ারম্যান মাহসিন নকভি রোববার দুবাইয়ে আসতে পারেননি। তাকে পাওয়া যায়নি। নিয়ম অনুযায়ী শুধু বোর্ড কর্তারাই পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে থাকতে পারেন। পিসিবির অন্য কোনও কর্তাও ছিলেন না। পাকিস্তানই প্রতিযোগিতার মূল আয়োজক। পিসিবির পক্ষে কারও উপস্থিত থাকা উচিত ছিল।’

এ নিয়ে সবার আগে সমালোচনা মুখর ছিলেন শোয়েব আখতার। এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘ভারত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছে। ওদের অভিনন্দন। কিন্তু পুরস্কার দেওয়ার সময় পাকিস্তানের কোনও প্রতিনিধিকে দেখতে পেলাম না। পাকিস্তান আয়োজক দেশ। অথচ আমাদেরই কেউ সেখানে নেই। আমি ভাবতেই পারছি না। পুরো বিষয়টা আমার মাথার উপর দিয়ে গেছে। আমরাই আয়োজন করলাম। অথচ আমাদেরই কাউকে দুবাইয়ে দেখা গেল না। খুব হতাশ লাগছে।’