ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিপিসির সাড়ে তিন মাসে লোকসান ১৭ হাজার ৩৯ কোটি টাকা: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ অভিযান সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপির এমপি মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অডিও ভাইরাল: অভিযোগ অস্বীকার গাইবান্ধায় সাইফুল্লাহ হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহীতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সিটি কলেজে নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান: অবাঞ্ছিত ঘোষণা রাজশাহী কলেজে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অত্যন্ত সুকৌশলে ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতার বাইরে রাখা হয়েছে : অলি আহমদ বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপির এমপি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: বিরোধী দল জামায়াতের নাম উল্লেখ না করে ফ্যাসিস্টদের মতো দলটির রাজনীতি নিষিদ্ধ চেয়েছেন ঝালকাঠি-১ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। তিনি বলেছেন, ‘এই দলটি ১৯৭১ সালে এ দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল। যে দলটি বাংলাদেশের সৃষ্টির বিরুদ্ধে ছিল, আমি মহান সংসদে দাবি করব—তারা বাংলাদেশের রাজনীতি করতে পারবে না, তাদের রাজনীতিও ফ্যাসিস্টদের মতো নিষিদ্ধ করা হোক।’ আজ সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন রফিকুল ইসলাম জামাল।

ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, আমাদের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, নামের পরে ইসলাম থাকলেই ইসলাম হয় না। যাঁরা ধর্মের নামে রাজনীতি করেন, গত নির্বাচনে তাঁরা ভোটের বিনিময়ে মানুষকে বেহেশত দিয়েছেন। আমরা দেখেছি, বিড়ির সুখ টানের মধ্য দিয়েও তারা বলেছিল—সকল পাপ মওকুফ হয়ে যাবে। এইভাবে একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে যারা ইসলামের নামে রাজনীতি করছে, এই দলটি ১৯৭১ সালে এ দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল। যে দলটি বাংলাদেশের সৃষ্টির বিরুদ্ধে ছিল, আমি মহান সংসদে দাবি করব—তারা বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না, তাদের রাজনীতিও ফ্যাসিস্টদের মতো নিষিদ্ধ করা হোক।

প্রসঙ্গত, ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ফয়জুল হক বলেছিলেন—‘বিড়িতে সুখ টানের মধ্যেও দাঁড়িপাল্লা দাওয়াত দিলে আল্লাহ মাফ করে দিতে পারে।’ এমন মন্তব্যের কারণে জামায়াত তাঁকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছিল।

তিনি বলেন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আইন পাশ করার অনুরোধ করব—মসজিদ, মাদ্রাসায় রাজনৈতিক মিটিং করা যাবে না। আমরা যেমন প্রকাশ্যে ফুটবল মাঠে বা হাই স্কুলে বা কোনো হলরুমে কর্মীসভা করি—তাদেরও সেই ব্যবস্থা করতে হবে। তারা মসজিদে মিটিং করতে পারবে না। আমার সঙ্গে সবাই একমত কিনা জানি না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপির এমপি

আপডেট সময় : ১২:২৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: বিরোধী দল জামায়াতের নাম উল্লেখ না করে ফ্যাসিস্টদের মতো দলটির রাজনীতি নিষিদ্ধ চেয়েছেন ঝালকাঠি-১ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। তিনি বলেছেন, ‘এই দলটি ১৯৭১ সালে এ দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল। যে দলটি বাংলাদেশের সৃষ্টির বিরুদ্ধে ছিল, আমি মহান সংসদে দাবি করব—তারা বাংলাদেশের রাজনীতি করতে পারবে না, তাদের রাজনীতিও ফ্যাসিস্টদের মতো নিষিদ্ধ করা হোক।’ আজ সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন রফিকুল ইসলাম জামাল।

ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, আমাদের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, নামের পরে ইসলাম থাকলেই ইসলাম হয় না। যাঁরা ধর্মের নামে রাজনীতি করেন, গত নির্বাচনে তাঁরা ভোটের বিনিময়ে মানুষকে বেহেশত দিয়েছেন। আমরা দেখেছি, বিড়ির সুখ টানের মধ্য দিয়েও তারা বলেছিল—সকল পাপ মওকুফ হয়ে যাবে। এইভাবে একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে যারা ইসলামের নামে রাজনীতি করছে, এই দলটি ১৯৭১ সালে এ দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল। যে দলটি বাংলাদেশের সৃষ্টির বিরুদ্ধে ছিল, আমি মহান সংসদে দাবি করব—তারা বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না, তাদের রাজনীতিও ফ্যাসিস্টদের মতো নিষিদ্ধ করা হোক।

প্রসঙ্গত, ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ফয়জুল হক বলেছিলেন—‘বিড়িতে সুখ টানের মধ্যেও দাঁড়িপাল্লা দাওয়াত দিলে আল্লাহ মাফ করে দিতে পারে।’ এমন মন্তব্যের কারণে জামায়াত তাঁকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছিল।

তিনি বলেন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আইন পাশ করার অনুরোধ করব—মসজিদ, মাদ্রাসায় রাজনৈতিক মিটিং করা যাবে না। আমরা যেমন প্রকাশ্যে ফুটবল মাঠে বা হাই স্কুলে বা কোনো হলরুমে কর্মীসভা করি—তাদেরও সেই ব্যবস্থা করতে হবে। তারা মসজিদে মিটিং করতে পারবে না। আমার সঙ্গে সবাই একমত কিনা জানি না।