ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তোমাকে দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলেছিলাম আমি

মনোরথের বালুকাবেলা

মাসরুফা হোসেন মৌসী
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৯:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৪ ১২৭ বার পড়া হয়েছে

মাসরুফা হোসেন মৌসী

 

মোর প্রিয় রইয়াছে প্রগাড় নিদ্রায়,
মোর সেই অশ্রু পূর্ণ লোচন সে দেখেনাই ।
মোর আয়াস তার কাছে ছলনা মাত্রই কিছু নয় ,
মোর সেই রোদন বিখ্যাত কোন নাটক তো নয়।
মোর পরিশ্রান্ত অবয়ব তাহার অন্তঃকরণ স্পর্শ করে নায় ,
মোর অন্তরাত্মার শব্দ, মোর ক্লেশ সে শোনে নাই।
মোর দৈবাৎ জ্বরের কথন সে কখনই জানে নাই,
তাহার বনিতাকে দেওয়া মুহূর্ত নিতান্তই সময় অপচয়।
তাহার অঙ্গনা সত্যিই কি তার ব্যস্ততা বোঝে নাই,
নাকি তাহার নিখুঁত নাটক ধরতে পারে নাই ।
বাতাসে ওড়ে ঝড়ো পাতা তোমাতে উড়ি আমি,
তোমাকে দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলেছিলাম আমি।
দীর্ঘ দিবস পরে আমার নেত্রদ্বয়ের সৌভাগ্য হলো তোমায় দেখার,
কিন্তু মোর চিত্ত এত ভারগ্রস্থ হলো কেন?
কোন এক চাপা যন্ত্রণায় মোর ছক হইতে অশ্রুপাত হইল কেন?
আমি কি নিতান্তই ভালোবাসি নাই তোমায়?
কেন মন চাচ্ছিল ছুটে যাই কিন্তু পারি নাই।
জানি সে অধিকার নিজ হাতে লঙ্ঘিত করেছি আমি ,
নিজ হাতে বৈশ্বানরে ছুরে ফেলেছি নিজেকে।
মহাপ্রয়াণে একটু একটু করে পা বাড়িয়েছি,
কান্তারে হারিয়ে গিয়েছি ক্ষনে ক্ষনে।
রত্নাকরের লহরীতে প্রায়সয় তলিয়ে গিয়েছি,
আবার নিজেকে গুটিয়েও নিয়েছি তমিস্রতে।
আহা কত শৃঙ্গধর পাড়ি দেওয়ার কথা ছিল একসাথে ।
আমায় ভালোবাসলেনা কেন বলতে পারো?
তুমি ভালোবাসলে হয়ত কান্তিমান হতো আমার জীবনটা,
জীবনটা হয়তো সমরে পরিণত হতো, তবুও তাতে শান্তি থাকত।
তোমার বার্তা কতটা পুলকিত করে আমায় তা যদি তুমি জানতে ,
কখনই ফেলে রেখে যেতে না আমায় বিদ্রূপ করে।

“সত্যিকারের ভালোবাসা বুঝি এটাই? ”


প্রসঙ্গনিউজ২৪/জে.সি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তোমাকে দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলেছিলাম আমি

মনোরথের বালুকাবেলা

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৪

মাসরুফা হোসেন মৌসী

 

মোর প্রিয় রইয়াছে প্রগাড় নিদ্রায়,
মোর সেই অশ্রু পূর্ণ লোচন সে দেখেনাই ।
মোর আয়াস তার কাছে ছলনা মাত্রই কিছু নয় ,
মোর সেই রোদন বিখ্যাত কোন নাটক তো নয়।
মোর পরিশ্রান্ত অবয়ব তাহার অন্তঃকরণ স্পর্শ করে নায় ,
মোর অন্তরাত্মার শব্দ, মোর ক্লেশ সে শোনে নাই।
মোর দৈবাৎ জ্বরের কথন সে কখনই জানে নাই,
তাহার বনিতাকে দেওয়া মুহূর্ত নিতান্তই সময় অপচয়।
তাহার অঙ্গনা সত্যিই কি তার ব্যস্ততা বোঝে নাই,
নাকি তাহার নিখুঁত নাটক ধরতে পারে নাই ।
বাতাসে ওড়ে ঝড়ো পাতা তোমাতে উড়ি আমি,
তোমাকে দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলেছিলাম আমি।
দীর্ঘ দিবস পরে আমার নেত্রদ্বয়ের সৌভাগ্য হলো তোমায় দেখার,
কিন্তু মোর চিত্ত এত ভারগ্রস্থ হলো কেন?
কোন এক চাপা যন্ত্রণায় মোর ছক হইতে অশ্রুপাত হইল কেন?
আমি কি নিতান্তই ভালোবাসি নাই তোমায়?
কেন মন চাচ্ছিল ছুটে যাই কিন্তু পারি নাই।
জানি সে অধিকার নিজ হাতে লঙ্ঘিত করেছি আমি ,
নিজ হাতে বৈশ্বানরে ছুরে ফেলেছি নিজেকে।
মহাপ্রয়াণে একটু একটু করে পা বাড়িয়েছি,
কান্তারে হারিয়ে গিয়েছি ক্ষনে ক্ষনে।
রত্নাকরের লহরীতে প্রায়সয় তলিয়ে গিয়েছি,
আবার নিজেকে গুটিয়েও নিয়েছি তমিস্রতে।
আহা কত শৃঙ্গধর পাড়ি দেওয়ার কথা ছিল একসাথে ।
আমায় ভালোবাসলেনা কেন বলতে পারো?
তুমি ভালোবাসলে হয়ত কান্তিমান হতো আমার জীবনটা,
জীবনটা হয়তো সমরে পরিণত হতো, তবুও তাতে শান্তি থাকত।
তোমার বার্তা কতটা পুলকিত করে আমায় তা যদি তুমি জানতে ,
কখনই ফেলে রেখে যেতে না আমায় বিদ্রূপ করে।

“সত্যিকারের ভালোবাসা বুঝি এটাই? ”


প্রসঙ্গনিউজ২৪/জে.সি