ঢাকা ০৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

  ছেলে-মেয়ে উভয়ের অধিকার সমান হলে ছেলেদের শিক্ষা কেন অবৈতনিক করা হচ্ছে না: জামায়াতের নারী এমপি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ৫৭ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: ছেলে-মেয়ে উভয়ের অধিকার যদি সমান হয় তাহলে ছেলেদের শিক্ষার ক্ষেত্রে কেন অবৈতনিক করা হচ্ছে না, এমন প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি ও জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য নুরুন্নিসা সিদ্দীকা। বুধবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে বক্তৃতাকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।

নুরুন্নিসা সিদ্দীকা বলেন, ‌‘গত তিন দশক ধরে নারী শিক্ষার ওপরে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নারীরা শিক্ষায় বেশ এগিয়েছে। শুধু কি নারীরা এদেশের নাগরিক, ছেলেরা নয়? ছেলে- মেয়ে উভয়ের অধিকার যদি সমান হয় তাহলে ছেলেদের শিক্ষার ক্ষেত্রে কেন অবৈতনিক করা হচ্ছে না।

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শিক্ষায় অবৈতনিকের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশে মাত্র পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক করা হয়েছে, অন্য দেশের তুলনায় পিছিয়ে। সরকারি প্রাথমিক স্কুলে খাবার, পোশাক দেওয়া হবে। কিন্তু দেশে সরকারির তুলনায় বেসরকারি স্কুলে বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী পড়াশোন করে। তাহলে তাদের প্রতি কেন বৈষম্য থাকবে?

এ সময় সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জীবন ও কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যের সমাধান চান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

  ছেলে-মেয়ে উভয়ের অধিকার সমান হলে ছেলেদের শিক্ষা কেন অবৈতনিক করা হচ্ছে না: জামায়াতের নারী এমপি

আপডেট সময় : ১০:৫৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: ছেলে-মেয়ে উভয়ের অধিকার যদি সমান হয় তাহলে ছেলেদের শিক্ষার ক্ষেত্রে কেন অবৈতনিক করা হচ্ছে না, এমন প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি ও জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য নুরুন্নিসা সিদ্দীকা। বুধবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে বক্তৃতাকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।

নুরুন্নিসা সিদ্দীকা বলেন, ‌‘গত তিন দশক ধরে নারী শিক্ষার ওপরে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নারীরা শিক্ষায় বেশ এগিয়েছে। শুধু কি নারীরা এদেশের নাগরিক, ছেলেরা নয়? ছেলে- মেয়ে উভয়ের অধিকার যদি সমান হয় তাহলে ছেলেদের শিক্ষার ক্ষেত্রে কেন অবৈতনিক করা হচ্ছে না।

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শিক্ষায় অবৈতনিকের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশে মাত্র পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক করা হয়েছে, অন্য দেশের তুলনায় পিছিয়ে। সরকারি প্রাথমিক স্কুলে খাবার, পোশাক দেওয়া হবে। কিন্তু দেশে সরকারির তুলনায় বেসরকারি স্কুলে বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী পড়াশোন করে। তাহলে তাদের প্রতি কেন বৈষম্য থাকবে?

এ সময় সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জীবন ও কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যের সমাধান চান তিনি।