ঢাকা ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বড় ব্যবধানে ভরাডুবি চরমোনাই পীরের তিন ভাইয়ের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১১১ বার পড়া হয়েছে

প্রসঙ্গ অনলাইন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক আলোচনায় থাকলেও কাঙ্ক্ষিত ফল পায়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটি এবার ২৫৩টি আসনে প্রার্থী দিলেও জয় পেয়েছে মাত্র একটি আসনে। অধিকাংশ আসনেই উল্লেখযোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে তারা। জামানত হারিয়েছে দুই শতাধিক আসনে। এবার নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন দলের আমির চরমোনাই পীর সৈয়দ রেজাউল করীমের তিন ভাই। তবে তাদের কেউই জয়লাভ করতে পারেননি।

দলের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির সৈয়দ ফয়জুল করীম বরিশাল-৫ (সদর-সিটি করপোরেশন) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। এই আসনে তিনি ৯৩ হাজার ৫২৮ ভোট পান। অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৩১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

এছাড়া বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে সৈয়দ ফয়জুল করীম তৃতীয় স্থান লাভ করেন। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন খান ৮১ হাজার ৮৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতের প্রার্থী মো. মাহমুদুন্নবী, যিনি পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৫৩৩ ভোট। হাতপাখা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ফয়জুল করীম পান ২৮ হাজার ৮২৩ ভোট।

বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনে প্রার্থী ছিলেন চরমোনাই পীরের আরেক ভাই সৈয়দ ইছহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের। তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব এবং বাংলাদেশ কোরআন শিক্ষা বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান।

প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী, সৈয়দ ইছহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৭৫৩ ভোট। একই আসনে বিএনপির প্রার্থী রাজীব আহসান পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৩২২ ভোট এবং জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুল জব্বার পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।

পীরের আরেক ভাই মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ ঢাকা-৪ আসনে প্রার্থী ছিলেন। তিনি ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং চরমোনাই আহছানাবাদ রশীদিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ। এই আসনে মোট ভোট পড়েছে ৪৫ শতাংশ। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়ে এই আসনে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট। আর হাতপাখা প্রতীকে মোসাদ্দেক বিল্লাহ পেয়েছেন মাত্র ৬ হাজার ৫১৮ ভোট। এতে তার জামানতও রক্ষা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বড় ব্যবধানে ভরাডুবি চরমোনাই পীরের তিন ভাইয়ের

আপডেট সময় : ১১:৩৫:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রসঙ্গ অনলাইন: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক আলোচনায় থাকলেও কাঙ্ক্ষিত ফল পায়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটি এবার ২৫৩টি আসনে প্রার্থী দিলেও জয় পেয়েছে মাত্র একটি আসনে। অধিকাংশ আসনেই উল্লেখযোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে তারা। জামানত হারিয়েছে দুই শতাধিক আসনে। এবার নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন দলের আমির চরমোনাই পীর সৈয়দ রেজাউল করীমের তিন ভাই। তবে তাদের কেউই জয়লাভ করতে পারেননি।

দলের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির সৈয়দ ফয়জুল করীম বরিশাল-৫ (সদর-সিটি করপোরেশন) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। এই আসনে তিনি ৯৩ হাজার ৫২৮ ভোট পান। অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৩১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

এছাড়া বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে সৈয়দ ফয়জুল করীম তৃতীয় স্থান লাভ করেন। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন খান ৮১ হাজার ৮৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতের প্রার্থী মো. মাহমুদুন্নবী, যিনি পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৫৩৩ ভোট। হাতপাখা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ফয়জুল করীম পান ২৮ হাজার ৮২৩ ভোট।

বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনে প্রার্থী ছিলেন চরমোনাই পীরের আরেক ভাই সৈয়দ ইছহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের। তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব এবং বাংলাদেশ কোরআন শিক্ষা বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান।

প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী, সৈয়দ ইছহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৭৫৩ ভোট। একই আসনে বিএনপির প্রার্থী রাজীব আহসান পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৩২২ ভোট এবং জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুল জব্বার পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।

পীরের আরেক ভাই মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ ঢাকা-৪ আসনে প্রার্থী ছিলেন। তিনি ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং চরমোনাই আহছানাবাদ রশীদিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ। এই আসনে মোট ভোট পড়েছে ৪৫ শতাংশ। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়ে এই আসনে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট। আর হাতপাখা প্রতীকে মোসাদ্দেক বিল্লাহ পেয়েছেন মাত্র ৬ হাজার ৫১৮ ভোট। এতে তার জামানতও রক্ষা হয়নি।