ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিপিসির সাড়ে তিন মাসে লোকসান ১৭ হাজার ৩৯ কোটি টাকা: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ অভিযান সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপির এমপি মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অডিও ভাইরাল: অভিযোগ অস্বীকার গাইবান্ধায় সাইফুল্লাহ হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহীতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সিটি কলেজে নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান: অবাঞ্ছিত ঘোষণা রাজশাহী কলেজে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অত্যন্ত সুকৌশলে ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতার বাইরে রাখা হয়েছে : অলি আহমদ বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ছাত্র-জনতার ওপর নিষ্ঠুরতম হত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে: চিফ প্রসিকিউটর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ ৮২ বার পড়া হয়েছে

আদালত ডেস্ক: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার ওপর যারা নিষ্ঠুরতম হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল, বাংলাদেশের মাটিতে তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে। রোববার জুলাই বিপ্লবে মোহাম্মদপুরে হত্যাকাণ্ড ফাইয়াজ-সৈকতসহ ৯ জনকে হত্যায় তাপস-নানকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দাখিলের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ওই দিন মাথায় সরাসরি গুলি করে সৈকত- ফাইয়াজকে শহীদ করা হয়। শহীদ সৈকত খুবই প্রাণবন্ত একটা ছেলে ছিল। শহীদ ফারহান ফাইয়াজ অত্যন্ত হাস্যজ্জল একটা ছেলে ছিল। আমাদের প্রত্যেকটা শহীদ তাদের একটা নিজস্ব গল্প আছে, নিজস্ব মহাকাব্যিক উপাখ্যান আছে। শহীদ সৈকত ৬ ফিটের মত সে লম্বা ছিল। সে ঐদিন শুক্রবার ছিল ১৯শে জুলাই জুলাই বিপ্লবের ডেডলিস্ট ডে ছিল। সে মাকে না জানিয়ে সেদিন আন্দোলনে গিয়েছিল মোহাম্মদপুর এলাকায়। চাইনা রাইফেল থেকে পুলিশের একটা দল যখন গুলিবর্ষণ শুরু করে। সে অনেক লম্বা ছিল। গুলিটা সরাসরি তার কপাল ভেদ করে পেছন দিয়ে বেরিয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলে শহীদ হয় সৈকত। ফাইয়াজ-সৈকতের শাহাদাতের ঘটনা ওই সময় ব্যাপক আলোচিত ছিল এবং আবেগ সৃষ্টি করেছিল। এই দুটি তরুণের শাহাদাতের ঘটনা জাতিকে মারাত্মকভাবে উদ্বেলিত করেছিল।

তাজুল বলেন, শহীদদের রক্তের ফলে অর্জিত আজকের বাংলাদেশ। আমাদের অঙ্গীকার ছিল জুলাই বিপ্লবের সময় যারা হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, যারা রাজপথে সরাসরি হত্যাকাণ্ডের সংগঠনের ভূমিকা পালন করেছে, পেছনের যারা পরিকল্পনাকারী নির্দেশদাতা এবং যারা মাস্টারমাইন্ড ছিলেন কমান্ড রেসপনসিবিলিটিতে ছিলেন তাদের প্রত্যেককে আমরা বিচারের মুখোমুখি করবো। সেই অঙ্গীকারের ফলশ্রুতিতে তদন্ত সংস্থা অপরাধীদের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট এবং অন্যান্য এভিডেন্স আদালতে দাখিল করেছেন। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়েছে। আগামী ২৯ জানুয়ারি পরবর্তী কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচার কার্য শুরু হবে এবং যথানিয়মে নিষ্পত্তিও হবে। এই নিষ্ঠুরতম হত্যাকারীদের বিচার বাংলাদেশে নিশ্চিত করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ছাত্র-জনতার ওপর নিষ্ঠুরতম হত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় : ১০:১৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

আদালত ডেস্ক: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার ওপর যারা নিষ্ঠুরতম হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল, বাংলাদেশের মাটিতে তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে। রোববার জুলাই বিপ্লবে মোহাম্মদপুরে হত্যাকাণ্ড ফাইয়াজ-সৈকতসহ ৯ জনকে হত্যায় তাপস-নানকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দাখিলের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ওই দিন মাথায় সরাসরি গুলি করে সৈকত- ফাইয়াজকে শহীদ করা হয়। শহীদ সৈকত খুবই প্রাণবন্ত একটা ছেলে ছিল। শহীদ ফারহান ফাইয়াজ অত্যন্ত হাস্যজ্জল একটা ছেলে ছিল। আমাদের প্রত্যেকটা শহীদ তাদের একটা নিজস্ব গল্প আছে, নিজস্ব মহাকাব্যিক উপাখ্যান আছে। শহীদ সৈকত ৬ ফিটের মত সে লম্বা ছিল। সে ঐদিন শুক্রবার ছিল ১৯শে জুলাই জুলাই বিপ্লবের ডেডলিস্ট ডে ছিল। সে মাকে না জানিয়ে সেদিন আন্দোলনে গিয়েছিল মোহাম্মদপুর এলাকায়। চাইনা রাইফেল থেকে পুলিশের একটা দল যখন গুলিবর্ষণ শুরু করে। সে অনেক লম্বা ছিল। গুলিটা সরাসরি তার কপাল ভেদ করে পেছন দিয়ে বেরিয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলে শহীদ হয় সৈকত। ফাইয়াজ-সৈকতের শাহাদাতের ঘটনা ওই সময় ব্যাপক আলোচিত ছিল এবং আবেগ সৃষ্টি করেছিল। এই দুটি তরুণের শাহাদাতের ঘটনা জাতিকে মারাত্মকভাবে উদ্বেলিত করেছিল।

তাজুল বলেন, শহীদদের রক্তের ফলে অর্জিত আজকের বাংলাদেশ। আমাদের অঙ্গীকার ছিল জুলাই বিপ্লবের সময় যারা হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, যারা রাজপথে সরাসরি হত্যাকাণ্ডের সংগঠনের ভূমিকা পালন করেছে, পেছনের যারা পরিকল্পনাকারী নির্দেশদাতা এবং যারা মাস্টারমাইন্ড ছিলেন কমান্ড রেসপনসিবিলিটিতে ছিলেন তাদের প্রত্যেককে আমরা বিচারের মুখোমুখি করবো। সেই অঙ্গীকারের ফলশ্রুতিতে তদন্ত সংস্থা অপরাধীদের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট এবং অন্যান্য এভিডেন্স আদালতে দাখিল করেছেন। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়েছে। আগামী ২৯ জানুয়ারি পরবর্তী কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচার কার্য শুরু হবে এবং যথানিয়মে নিষ্পত্তিও হবে। এই নিষ্ঠুরতম হত্যাকারীদের বিচার বাংলাদেশে নিশ্চিত করা হবে।