ঢাকা ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৃদ্ধ মা-বাবার নিরাপত্তার নামে শরিয়াহকে পাশ কাটানোর সুযোগ নেই: মামুনুল হক রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী আটক ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না দেখালে ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হবে: চিফ প্রসিকিউটর দ্য ওয়ালের সাক্ষাৎকারে হাসিনার দেওয়া এক বক্তব্য নিয়ে শফিকুলের স্ট্যাটাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত বিদ্যুৎ, গ্যাস বিল বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজশাহীতে জামায়াতের মানববন্ধন নিমগাছি বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াত নেতা ডক্টর আব্দুস সামাদ রাবিতে নাট্য নির্দেশনা সপ্তাহ উদ্বোধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবি’র উদ্যোগে যুবকদের জন্য ইলেকট্রিক্যাল ও হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ শুরু সমকালীন প্রেক্ষাপটে মহানবী (সা.)-এর নৈতিক শিক্ষা ও সুশাসন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আটক ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না দেখালে ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হবে: চিফ প্রসিকিউটর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

আদালত ডেস্ক: চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ২৪ ঘণ্টার বেশি কাউকে আটক রেখে গ্রেপ্তার না দেখালে ও আইনি লড়াইয়ের সুযোগ না দিলে অতিরিক্ত সময়টুকু ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হবে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে ট্রাইব্যুনালের অসংগতি হবে না, সব গুমের রিপোর্ট যাছাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করেন নি। তাই তিনি আর আপিল করার সুযোগ পাবেন না। এর আগে রোববার রাতে মানবাধিকার সুরক্ষা জোরদার, জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ এবং সম্পত্তি হস্তান্তরে আজীবন ভোগদখলের অধিকারকে আইনি স্বীকৃতি দিতে জাতীয় সংসদে আজ তিনটি বিল পাস হয়েছে।

পাস হওয়া বিলগুলো হলো- ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’, ‘জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ এবং ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’। ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’-এর মাধ্যমে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ রহিত করে একটি কার্যকর ও স্বাধীন মানবাধিকার কমিশনের জন্য নতুন আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

‘জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’-এ জোরপূর্বক গুমের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। গুম হওয়া কোনো ব্যক্তি মারা গেলে অথবা পাঁচ বছরের বেশি সময় নিখোঁজ থাকলে অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’-এ আজীবন ভোগদখলের অধিকারকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে নির্দিষ্ট শর্তে সম্পত্তি দান বা হস্তান্তর করলেও দাতা তার জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তি ব্যবহার ও ভোগ করার আইনগত অধিকার সংরক্ষণ করতে পারবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আটক ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না দেখালে ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হবে: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় : ১১:৪০:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আদালত ডেস্ক: চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ২৪ ঘণ্টার বেশি কাউকে আটক রেখে গ্রেপ্তার না দেখালে ও আইনি লড়াইয়ের সুযোগ না দিলে অতিরিক্ত সময়টুকু ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হবে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে ট্রাইব্যুনালের অসংগতি হবে না, সব গুমের রিপোর্ট যাছাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করেন নি। তাই তিনি আর আপিল করার সুযোগ পাবেন না। এর আগে রোববার রাতে মানবাধিকার সুরক্ষা জোরদার, জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ এবং সম্পত্তি হস্তান্তরে আজীবন ভোগদখলের অধিকারকে আইনি স্বীকৃতি দিতে জাতীয় সংসদে আজ তিনটি বিল পাস হয়েছে।

পাস হওয়া বিলগুলো হলো- ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’, ‘জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ এবং ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’। ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’-এর মাধ্যমে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ রহিত করে একটি কার্যকর ও স্বাধীন মানবাধিকার কমিশনের জন্য নতুন আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

‘জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’-এ জোরপূর্বক গুমের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। গুম হওয়া কোনো ব্যক্তি মারা গেলে অথবা পাঁচ বছরের বেশি সময় নিখোঁজ থাকলে অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’-এ আজীবন ভোগদখলের অধিকারকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে নির্দিষ্ট শর্তে সম্পত্তি দান বা হস্তান্তর করলেও দাতা তার জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তি ব্যবহার ও ভোগ করার আইনগত অধিকার সংরক্ষণ করতে পারবেন।