ঢাকা ০৬:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৃদ্ধ মা-বাবার নিরাপত্তার নামে শরিয়াহকে পাশ কাটানোর সুযোগ নেই: মামুনুল হক রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী আটক ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না দেখালে ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হবে: চিফ প্রসিকিউটর দ্য ওয়ালের সাক্ষাৎকারে হাসিনার দেওয়া এক বক্তব্য নিয়ে শফিকুলের স্ট্যাটাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত বিদ্যুৎ, গ্যাস বিল বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজশাহীতে জামায়াতের মানববন্ধন নিমগাছি বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াত নেতা ডক্টর আব্দুস সামাদ রাবিতে নাট্য নির্দেশনা সপ্তাহ উদ্বোধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবি’র উদ্যোগে যুবকদের জন্য ইলেকট্রিক্যাল ও হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ শুরু সমকালীন প্রেক্ষাপটে মহানবী (সা.)-এর নৈতিক শিক্ষা ও সুশাসন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

রিমান্ড নয়, জেলগেটে দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে

প্রসঙ্গ অনলাইন: রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। তিন দিনের মধ্যে যে কোন দুইদিন তাদের তিন ঘণ্টা করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে পুলিশ। সোমবার ( ৩১ আগস্ট) রংপুর মেট্রোপলিটন চিফ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রফিকুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুই আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করেছিলেন। তবে তারা ইতিমধ্যে ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দেয়ায় আইনগত কারণে রিমান্ডের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, তদন্তে পাওয়া নতুন কিছু তথ্য যাচাই ও আগের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। শুনানিতে বিচারক ভিডিও কনফারেন্সে পুলিশের বক্তব্য ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পর জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গণপতি চক্রবর্তী সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে ইয়াবা সেবন করতে দেখে ফেলেছিলেন। বিষয়টি প্রকাশ পেলে সামাজিক সম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কায় তাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে পরিবারের অপর তিন সদস্যকেও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। ঘটনার দিন দুই আসামি ৮ থেকে ৯টি ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলেও পুলিশ জানিয়েছিল। তবে ডোপ টেস্টে তাদের শরীরে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রিমান্ড নয়, জেলগেটে দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি

আপডেট সময় : ১০:২৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রসঙ্গ অনলাইন: রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। তিন দিনের মধ্যে যে কোন দুইদিন তাদের তিন ঘণ্টা করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে পুলিশ। সোমবার ( ৩১ আগস্ট) রংপুর মেট্রোপলিটন চিফ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রফিকুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুই আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করেছিলেন। তবে তারা ইতিমধ্যে ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দেয়ায় আইনগত কারণে রিমান্ডের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, তদন্তে পাওয়া নতুন কিছু তথ্য যাচাই ও আগের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। শুনানিতে বিচারক ভিডিও কনফারেন্সে পুলিশের বক্তব্য ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পর জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গণপতি চক্রবর্তী সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে ইয়াবা সেবন করতে দেখে ফেলেছিলেন। বিষয়টি প্রকাশ পেলে সামাজিক সম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কায় তাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে পরিবারের অপর তিন সদস্যকেও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। ঘটনার দিন দুই আসামি ৮ থেকে ৯টি ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলেও পুলিশ জানিয়েছিল। তবে ডোপ টেস্টে তাদের শরীরে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।