ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৩২ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন:  প্রার্থী হচ্ছেন যে ৩ জন অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনে ১৩ খাতে ব্যর্থতার ফিরিস্তি তুলে ধরল এনসিপি লংমার্চ নিয়ে আইজিপির সঙ্গে ১১ দলের বৈঠক সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পিছিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রংপুরে শিক্ষক পরিবারে চার খুন, নেপথ্যে কী ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের নেত্রী ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম গড়তে পাইলট প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফেক পেজ থেকে অপতথ্য প্রচারের প্রতিবাদ মহিলা জামায়াতের

এবারের বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন দলসহ অন্য দলগুলো কে কত টাকা পাবে?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩০:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ৫৬ বার পড়া হয়েছে
স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ এখন শেষ আটের লড়াইয়ে। আর কয়েকটি ম্যাচের পরই জানা যাবে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়নের নাম। শিরোপার সঙ্গে এবার বিজয়ী দল পাচ্ছে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ পুরস্কার। শুধু চ্যাম্পিয়নই নয়, টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলই মোটা অঙ্কের অর্থ পাবে।

চলতি বিশ্বকাপে মোট ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ১০ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা (১ ডলার ১২২ টাকা ধরে) পুরস্কার অর্থ রাখা হয়েছে, যা একটি রেকর্ড। খবর বিবিসি’র। ফিফা প্রথমে ঘোষণা করেছিল, মোট পুরস্কার তহবিল হবে ৭২৭ মিলিয়ন ডলার প্রায় ৮ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা। এটি কাতারে বিশ্বকাপে বিতরণ করা অর্থের তুলনায় ইতোমধ্যেই ৫০ শতাংশ বেশি ছিল।

কিন্তু এপ্রিল মাসে তারা অংশগ্রহণের ভিত্তিমূলক পুরস্কার এবং প্রস্তুতি ভাতা বাড়িয়ে তহবিলে আরও অর্থ যোগ করার অনুমোদন দেয়। ফলে মোট পুরস্কার অর্থ বেড়ে বর্তমান ৮৭১ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। পুরস্কার অর্থকে পারফরম্যান্সভিত্তিক পুরস্কার এবং পারফরম্যান্স-নির্ভর নয়- এমন দুই ক্যাটাগরিতে ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

পারফরম্যান্সভিত্তিক পুরস্কার

টুর্নামেন্টে একটি দল যত দূর এগোবে, তারা তত বেশি আর্থিক পুরস্কার পাবে।

ফিফা প্রতিটি অবস্থানে শেষ করা দলগুলোকে নিম্নরূপ পুরস্কার দেবে-

চ্যাম্পিয়ন: ৫১ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৬২২ কোটি টাকা।

রানার্স-আপ: ৩৪ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৪১৫ কোটি টাকা।

তৃতীয় স্থান: ৩০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩৬৬ কোটি টাকা।

চতুর্থ স্থান: ২৮ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩৪২ কোটি টাকা।

৫ম–৮ম স্থান: ২০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২৪৪ কোটি টাকা।

৯ম-১৬তম স্থান: ১৬ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৯৫ কোটি টাকা।

১৭তম-৩২তম স্থান: ১২ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৪৬ কোটি টাকা।

৩৩তম-৪৮তম স্থান: ১০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১২২ কোটি টাকা।

এই অর্থপ্রদানগুলো মিলিয়ে ৮৭১ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার তহবিলের মধ্যে ৭০৩ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৮ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা বিতরণ করা হবে। বাকি ১৬৮ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২ হাজার ৫০ কোটি টাকা দলগুলোর পারফরম্যান্স নির্বিশেষে বিতরণ করা হবে।

পারফরম্যান্স-নির্ভর নয় এমন পুরস্কার

অবশিষ্ট অর্থ অংশগ্রহণকারী সব দলের মধ্যে সমানভাবে নিম্নরূপ বিতরণ করা হবে-

প্রস্তুতি ভাতা: প্রতি দেশ ২.৫ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩০.৫ কোটি টাকা।

অতিরিক্ত দলীয় অনুদান: ১৬ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি বা প্রায় ১৯৫ কোটিরও বেশি।

এর অর্থ ন্যূনতম ১০ মিলিয়ন ডলার অংশগ্রহণ ফি এবং ২.৫ মিলিয়ন ডলার প্রস্তুতি ভাতা মিলিয়ে প্রতিটি দল শুধু অংশগ্রহণের জন্যই কমপক্ষে ১২.৫ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৫৩ কোটি টাকা পাবে।

প্রস্তুতি ভাতা টুর্নামেন্টের আগে প্রশিক্ষণ ক্যাম্প, স্কোয়াডের ভ্রমণসহ বিভিন্ন ব্যয় বহনে সহায়তা করার জন্য দেয়া হবে।

ফিফা অতিরিক্ত দলীয় অনুদানকে বর্ণনা করেছে দলীয় প্রতিনিধিদলের ব্যয়ের জন্য ভর্তুকি এবং দলের জন্য বরাদ্দকৃত টিকিটের সংখ্যা বৃদ্ধি হিসেবে। এর উদ্দেশ্য হলো বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভ্রমণ, লজিস্টিকস ও প্রশাসনিক ব্যয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের মধ্যে আর্থিক বৈষম্য কমিয়ে আনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এবারের বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন দলসহ অন্য দলগুলো কে কত টাকা পাবে?

আপডেট সময় : ০৩:৩০:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ এখন শেষ আটের লড়াইয়ে। আর কয়েকটি ম্যাচের পরই জানা যাবে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়নের নাম। শিরোপার সঙ্গে এবার বিজয়ী দল পাচ্ছে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ পুরস্কার। শুধু চ্যাম্পিয়নই নয়, টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলই মোটা অঙ্কের অর্থ পাবে।

চলতি বিশ্বকাপে মোট ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ১০ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা (১ ডলার ১২২ টাকা ধরে) পুরস্কার অর্থ রাখা হয়েছে, যা একটি রেকর্ড। খবর বিবিসি’র। ফিফা প্রথমে ঘোষণা করেছিল, মোট পুরস্কার তহবিল হবে ৭২৭ মিলিয়ন ডলার প্রায় ৮ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা। এটি কাতারে বিশ্বকাপে বিতরণ করা অর্থের তুলনায় ইতোমধ্যেই ৫০ শতাংশ বেশি ছিল।

কিন্তু এপ্রিল মাসে তারা অংশগ্রহণের ভিত্তিমূলক পুরস্কার এবং প্রস্তুতি ভাতা বাড়িয়ে তহবিলে আরও অর্থ যোগ করার অনুমোদন দেয়। ফলে মোট পুরস্কার অর্থ বেড়ে বর্তমান ৮৭১ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। পুরস্কার অর্থকে পারফরম্যান্সভিত্তিক পুরস্কার এবং পারফরম্যান্স-নির্ভর নয়- এমন দুই ক্যাটাগরিতে ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

পারফরম্যান্সভিত্তিক পুরস্কার

টুর্নামেন্টে একটি দল যত দূর এগোবে, তারা তত বেশি আর্থিক পুরস্কার পাবে।

ফিফা প্রতিটি অবস্থানে শেষ করা দলগুলোকে নিম্নরূপ পুরস্কার দেবে-

চ্যাম্পিয়ন: ৫১ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৬২২ কোটি টাকা।

রানার্স-আপ: ৩৪ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৪১৫ কোটি টাকা।

তৃতীয় স্থান: ৩০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩৬৬ কোটি টাকা।

চতুর্থ স্থান: ২৮ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩৪২ কোটি টাকা।

৫ম–৮ম স্থান: ২০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২৪৪ কোটি টাকা।

৯ম-১৬তম স্থান: ১৬ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৯৫ কোটি টাকা।

১৭তম-৩২তম স্থান: ১২ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৪৬ কোটি টাকা।

৩৩তম-৪৮তম স্থান: ১০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১২২ কোটি টাকা।

এই অর্থপ্রদানগুলো মিলিয়ে ৮৭১ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার তহবিলের মধ্যে ৭০৩ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৮ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা বিতরণ করা হবে। বাকি ১৬৮ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২ হাজার ৫০ কোটি টাকা দলগুলোর পারফরম্যান্স নির্বিশেষে বিতরণ করা হবে।

পারফরম্যান্স-নির্ভর নয় এমন পুরস্কার

অবশিষ্ট অর্থ অংশগ্রহণকারী সব দলের মধ্যে সমানভাবে নিম্নরূপ বিতরণ করা হবে-

প্রস্তুতি ভাতা: প্রতি দেশ ২.৫ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩০.৫ কোটি টাকা।

অতিরিক্ত দলীয় অনুদান: ১৬ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি বা প্রায় ১৯৫ কোটিরও বেশি।

এর অর্থ ন্যূনতম ১০ মিলিয়ন ডলার অংশগ্রহণ ফি এবং ২.৫ মিলিয়ন ডলার প্রস্তুতি ভাতা মিলিয়ে প্রতিটি দল শুধু অংশগ্রহণের জন্যই কমপক্ষে ১২.৫ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৫৩ কোটি টাকা পাবে।

প্রস্তুতি ভাতা টুর্নামেন্টের আগে প্রশিক্ষণ ক্যাম্প, স্কোয়াডের ভ্রমণসহ বিভিন্ন ব্যয় বহনে সহায়তা করার জন্য দেয়া হবে।

ফিফা অতিরিক্ত দলীয় অনুদানকে বর্ণনা করেছে দলীয় প্রতিনিধিদলের ব্যয়ের জন্য ভর্তুকি এবং দলের জন্য বরাদ্দকৃত টিকিটের সংখ্যা বৃদ্ধি হিসেবে। এর উদ্দেশ্য হলো বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভ্রমণ, লজিস্টিকস ও প্রশাসনিক ব্যয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের মধ্যে আর্থিক বৈষম্য কমিয়ে আনা।