তারেক রহমানের সফল নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান সম্পন্ন হয়েছে : সেতুমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ১০:০২:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
বাসস: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘ ১৭ বছরের সংগ্রামের প্রশংসা করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী রবিউল আলম বলেছেন, তাঁর নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে একটি সফল গণঅভ্যুত্থান সম্পন্ন হয়েছে। আজকের এই পার্লামেন্ট কোনো গোষ্ঠী বা ব্যক্তির করুণার দান নয়, এটি জনগণের পার্লামেন্ট। তিনি আরো বলেন, ‘১৭ বছরে আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মী জীবন দিয়েছেন, ১ হাজার ৪০০ জন শহীদ হয়েছেন। আমরাও জীবন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলাম।’
রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে আমি ১৯৩টি মামলার শিকার হয়েছি, ৯ বার জেলে গিয়েছি এবং ৯৭ দিন রিমান্ডে ছিলাম। তিন দিন গুমও ছিলাম। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে কাজ করেছি।’
সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুধু সরকারি দলের নয়, বরং পুরো সংসদের নেতা উল্লেখ করে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সংসদীয় কার্যক্রমে আরো দক্ষ ও পরিপক্ক করে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্য ও বিশেষ কর্মশালার প্রস্তাব দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘সংসদ নেতা আমাদের প্রতিনিয়ত শেখাচ্ছেন, দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে আমরা পরিপক্ক হচ্ছি। কিন্তু, তিনি যেহেতু সংসদ নেতা, তাই তিনি পুরো সংসদেরই নেতা। এটি শুধু সরকারি দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে পার্লামেন্ট মহিমান্বিত হবে না। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা কোন বিধিতে কী বলতে হয় বা কোন ইস্যুতে সোচ্চার হতে হয়, তা অনেক সময় যথাযথভাবে করতে পারছেন না। বিরোধী দলের সদস্যদের আরো শাণিত ও পরিপক্ক করতে প্রধানমন্ত্রী যদি কর্মশালা বা তাঁদের সান্নিধ্য দেওয়ার উদ্যোগ নেন, তবে তা জাতির বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করবে।’
তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান সশস্ত্র সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন প্রতিষ্ঠিত করেছেন।’ এছাড়া তিনি প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব এবং সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনে তাঁর অবদানের কথা তুলে ধরেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক দল, যাদের জনগণ কখনো ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় বসায়নি, তাদের যন্ত্রণা থাকতে পারে। নির্বাচনের আগে যাদের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চাইতে হয়, তারা রাজনৈতিকভাবে ব্যর্থ। জনগণ বিভ্রান্ত হয়নি বলেই ২৬-এর নির্বাচনে বিএনপি-কে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘৭১ শতাংশ মানুষ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে রায় দিয়েছে। এর মধ্যে ৫১ শতাংশ মানুষ চেয়েছে বিএনপি যেভাবে সনদটি বাস্তবায়ন করতে চায়, সেভাবে হোক। বাকি ২০ শতাংশের চেয়ে ৫১ শতাংশের জনসমর্থনই অধিক গ্রহণযোগ্য। আমি বলব, রাজনীতি শিখুন, রাজনীতি করুন। মানুষকে বিভ্রান্ত করে লাভ নেই।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাবে এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সেতুমন্ত্রী।




















